তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই সম্পদ অর্জনে তার স্ত্রী লুৎফুল
জামিন পাইয়ে দেওয়ার জন্য এক কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক সাবেক প্রসিকিউটরকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়।