শিরোনাম

এক্সপ্লেইনার

যুদ্ধ অবসানে ওয়াশিংটনকেই নমনীয়তা দেখাতে হবে

সিটিজেন ডেস্ক
যুদ্ধ অবসানে ওয়াশিংটনকেই নমনীয়তা দেখাতে হবে
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফের সাথে সাক্ষাৎ করছেন। ছবি: রয়টার্স

যুদ্ধের ইতি টানতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি মুখোমুখি আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কাতারভিত্তিক দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরির মতে, যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টতই এমন এক কৌশল নিচ্ছে যার লক্ষ্য ইরানকে চাপের মুখে ফেলে এক ধরনের সমঝোতায় বা আত্মসমর্পণের কাছাকাছি অবস্থানে নিয়ে আসা।

বিশেষ করে ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত ১৫ দফা শর্তের দিকে তাকালে বিষয়টি পরিষ্কার হয়। এসব শর্তের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করার মতো দাবিও রয়েছে।

এলমাসরির মতে, এসব প্রস্তাবের বেশ কয়েকটি ইরানের জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং দেশটির ঘোষিত ‘রেড লাইন’-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কতটা নমনীয় অবস্থান নিতে প্রস্তুত, তা সময়ই বলে দেবে।’

আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধানের জন্য দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হওয়া জরুরি।

তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক আলোচনাটি প্রায় ২০ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল, আর জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তিটিও বহু বছর স্থায়ী হয়েছিল।

এলমাসরি আরও উল্লেখ করেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধ তেহরানের জন্য একটি বড় ‘রেড লাইন’। তার মতে, এই অবরোধ চালিয়ে যেতে চাইলে শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকেই কোনো এক পর্যায়ে নমনীয়তা দেখাতে হবে।

সূত্র: আল জাজিরা

/এমআর/