বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ মৃত্যু, নেপথ্যে রেস্তোরাঁর গেটে তালা

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ মৃত্যু, নেপথ্যে রেস্তোরাঁর গেটে তালা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়া মামলার প্রায় দুই বছর পর অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে সিআইডি।
সিআইডির সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর গ্রাহকরা যাতে বিল পরিশোধ না করে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য ওই ভবনে থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। আগুনে পুড়ে ৩ জন ও ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে ৪৩ জন মারা যান। আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা হয়। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের অপরাধ তদস্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রমজানুল হক নিহাদসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
এই মামলায় অপর ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তারা হলেন আনোয়ারুল হক (২৯), মুন্সি হামিদুল আলম বিপুল (৪০), মো. সোহেল সিরাজ (৩৪), ইকবাল হোসেন কাউসার (৫০), জেইন উদ্দিন জিসান (২৯), মোহর আলী পলাশ (৫০), মো. ফরহাদ নাসিম আলীম (৫৫), আবদুল্লাহ আল মতিন (৩৫), মো. নজরুল ইসলাম খান (৫০), লতিফুর নেহাব (৬৫), খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ (৫৫), অঞ্জন কুমার সাহা (৫৫), মো. মুসফিকুর রহমান (৩১), জগলুল হাসান (৬৫), আশিকুর রহমান (৩৫), হোসাইন মোহাম্মদ তারেক (৪১), রাসেল আহম্মেদ (৩২), মো. সাদরিল আহম্মেদ শুভ (৩২), রাফি উজ-জাহেদ (৩৪), আদিব আলম (৩৯) ও শাহ ফয়সাল নাবিদ (৩৪)।
আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মো. শাহজালাল মুন্সি। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত শেষে ওই ঘটনায় জড়িত থাকায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগুনের সূত্রপাত ঘটে ভবনের নিচতলার ‘চুমুক’ নামের একটি কফি শপ থেকে। বৈদ্যুতিক কেটলি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার দিন ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁয় প্রচুর গ্রাহক ছিল। আগুনের খবর পেয়ে বিল আদায়ে ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন দোকানের ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসান। এতে ওই খাবারের দোকানে আটকে পড়া অবস্থায় শ্বাসরোধ হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান।
ঘটনার পর আগুন ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন তলায় থাকা কিছু মানুষ ছুটে যান ছাদের দিকে। কিন্তু ভবনের আটতলা ও ছাদ মিলে অবৈধভাবে ‘ডুপ্লেক্স রেস্টুরেন্ট’ থাকায় সেখানে গিয়েও আশ্রয় নিতে পারেননি তারা। পাশাপাশি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসারও প্রাণপণ চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু সিঁড়িতে খাবারের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডারসহ নানা জিনিসপত্র রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা ছিল। এসব বিষয় সেদিন মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ বলে সিআইডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সিআইডির ঢাকা (দক্ষিণ) পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এজহারে মোট চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। অভিযোগ তদন্তে এই ঘটনায় মোট ২২ জনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এখানে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যান্যরা জড়িত থাকায় চার্জশিটে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়া মামলার প্রায় দুই বছর পর অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে সিআইডি।
সিআইডির সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর গ্রাহকরা যাতে বিল পরিশোধ না করে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য ওই ভবনে থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। আগুনে পুড়ে ৩ জন ও ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে ৪৩ জন মারা যান। আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা হয়। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের অপরাধ তদস্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রমজানুল হক নিহাদসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
এই মামলায় অপর ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তারা হলেন আনোয়ারুল হক (২৯), মুন্সি হামিদুল আলম বিপুল (৪০), মো. সোহেল সিরাজ (৩৪), ইকবাল হোসেন কাউসার (৫০), জেইন উদ্দিন জিসান (২৯), মোহর আলী পলাশ (৫০), মো. ফরহাদ নাসিম আলীম (৫৫), আবদুল্লাহ আল মতিন (৩৫), মো. নজরুল ইসলাম খান (৫০), লতিফুর নেহাব (৬৫), খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ (৫৫), অঞ্জন কুমার সাহা (৫৫), মো. মুসফিকুর রহমান (৩১), জগলুল হাসান (৬৫), আশিকুর রহমান (৩৫), হোসাইন মোহাম্মদ তারেক (৪১), রাসেল আহম্মেদ (৩২), মো. সাদরিল আহম্মেদ শুভ (৩২), রাফি উজ-জাহেদ (৩৪), আদিব আলম (৩৯) ও শাহ ফয়সাল নাবিদ (৩৪)।
আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মো. শাহজালাল মুন্সি। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত শেষে ওই ঘটনায় জড়িত থাকায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগুনের সূত্রপাত ঘটে ভবনের নিচতলার ‘চুমুক’ নামের একটি কফি শপ থেকে। বৈদ্যুতিক কেটলি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার দিন ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁয় প্রচুর গ্রাহক ছিল। আগুনের খবর পেয়ে বিল আদায়ে ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন দোকানের ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসান। এতে ওই খাবারের দোকানে আটকে পড়া অবস্থায় শ্বাসরোধ হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান।
ঘটনার পর আগুন ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন তলায় থাকা কিছু মানুষ ছুটে যান ছাদের দিকে। কিন্তু ভবনের আটতলা ও ছাদ মিলে অবৈধভাবে ‘ডুপ্লেক্স রেস্টুরেন্ট’ থাকায় সেখানে গিয়েও আশ্রয় নিতে পারেননি তারা। পাশাপাশি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসারও প্রাণপণ চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু সিঁড়িতে খাবারের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডারসহ নানা জিনিসপত্র রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা ছিল। এসব বিষয় সেদিন মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ বলে সিআইডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সিআইডির ঢাকা (দক্ষিণ) পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এজহারে মোট চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। অভিযোগ তদন্তে এই ঘটনায় মোট ২২ জনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এখানে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যান্যরা জড়িত থাকায় চার্জশিটে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ মৃত্যু, নেপথ্যে রেস্তোরাঁর গেটে তালা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়া মামলার প্রায় দুই বছর পর অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে সিআইডি।
সিআইডির সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর গ্রাহকরা যাতে বিল পরিশোধ না করে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য ওই ভবনে থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। আগুনে পুড়ে ৩ জন ও ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে ৪৩ জন মারা যান। আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা হয়। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের অপরাধ তদস্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রমজানুল হক নিহাদসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
এই মামলায় অপর ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তারা হলেন আনোয়ারুল হক (২৯), মুন্সি হামিদুল আলম বিপুল (৪০), মো. সোহেল সিরাজ (৩৪), ইকবাল হোসেন কাউসার (৫০), জেইন উদ্দিন জিসান (২৯), মোহর আলী পলাশ (৫০), মো. ফরহাদ নাসিম আলীম (৫৫), আবদুল্লাহ আল মতিন (৩৫), মো. নজরুল ইসলাম খান (৫০), লতিফুর নেহাব (৬৫), খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ (৫৫), অঞ্জন কুমার সাহা (৫৫), মো. মুসফিকুর রহমান (৩১), জগলুল হাসান (৬৫), আশিকুর রহমান (৩৫), হোসাইন মোহাম্মদ তারেক (৪১), রাসেল আহম্মেদ (৩২), মো. সাদরিল আহম্মেদ শুভ (৩২), রাফি উজ-জাহেদ (৩৪), আদিব আলম (৩৯) ও শাহ ফয়সাল নাবিদ (৩৪)।
আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মো. শাহজালাল মুন্সি। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত শেষে ওই ঘটনায় জড়িত থাকায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগুনের সূত্রপাত ঘটে ভবনের নিচতলার ‘চুমুক’ নামের একটি কফি শপ থেকে। বৈদ্যুতিক কেটলি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার দিন ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁয় প্রচুর গ্রাহক ছিল। আগুনের খবর পেয়ে বিল আদায়ে ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন দোকানের ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসান। এতে ওই খাবারের দোকানে আটকে পড়া অবস্থায় শ্বাসরোধ হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান।
ঘটনার পর আগুন ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন তলায় থাকা কিছু মানুষ ছুটে যান ছাদের দিকে। কিন্তু ভবনের আটতলা ও ছাদ মিলে অবৈধভাবে ‘ডুপ্লেক্স রেস্টুরেন্ট’ থাকায় সেখানে গিয়েও আশ্রয় নিতে পারেননি তারা। পাশাপাশি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসারও প্রাণপণ চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু সিঁড়িতে খাবারের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডারসহ নানা জিনিসপত্র রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা ছিল। এসব বিষয় সেদিন মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ বলে সিআইডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সিআইডির ঢাকা (দক্ষিণ) পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এজহারে মোট চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। অভিযোগ তদন্তে এই ঘটনায় মোট ২২ জনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এখানে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যান্যরা জড়িত থাকায় চার্জশিটে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।




