


গত ১৭ অক্টোবর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় ওই এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশের বেহাল দশা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

ঢাকা ওয়াসার তথ্য অনুযায়ী, সংস্থাটির ১০টি পরিচালন অঞ্চলের মধ্যে মাত্র দুটিতে পূর্ণাঙ্গ সুয়ারেজ ব্যবস্থা রয়েছে। চারটি অঞ্চলে আংশিক ব্যবস্থা থাকলেও বাকি চারটিতে কোনো সুয়ারেজ লাইন নেই।

রাজধানীর বেইলি রোডে অফিসার্স ক্লাবের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে এক বছর আগে। অথচ এখনো চলছে নির্মাণকাজ।

রাজধানীর গুলশান-২ গোল চত্বরের পাশে হিলটন হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট সেন্টার ভবন। ২৪ তলার অনুমোদন নিলেও ভবনটি ৩৪ তলা করা হয়েছে। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এই কাজ করেছেন ভবনের মালিক ডা. এইচ বি এম ইকবাল। তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য।

৩৮১ একরের বেশি জায়গায় গড়ে তোলা এই আবাসিক এলাকায় এখনো সেভাবে বসতি গড়ে ওঠেনি। এমন পরিস্থিতিতে বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করেছে রাজউক।

রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সিংহভাগ ভবনেরই নকশার অনুমোদন নেই। প্রায় শতভাগ প্রতিষ্ঠানই চলছে ভবন ব্যবহারের বৈধ সনদ ছাড়া।

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা পরিস্থিতি অনেকক্ষেত্রেই আশাব্যঞ্জক নয়। শিখন পদ্ধতি ও মূল্যায়নে রয়েছে ব্যাপক ঘাটতি। বেশ কিছু কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

তিন দশক পেরিয়ে গেলেও পুরোপুরি বাসযোগ্য হয়ে ওঠেনি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প। অধিকাংশ প্লটে এখনো বসতি গড়ে ওঠেনি; প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং সেবা-সুবিধারও ঘাটতি রয়েছে।

রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন এবং বিধিমালা অনুযায়ী, জমি রেজিস্ট্রি ও হস্তান্তর সম্পন্ন হওয়ার পর কোনো গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জ বা অন্য কোনো নামে অর্থ আদায়ের সুযোগ নেই

রাজধানীর তিনটি অভিজাত হোটেল ও একটি টাওয়ারের নির্মাণসংক্রান্ত তথ্য চেয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

সরকারি প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ নিয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) চেয়ারম্যান মোসা. ফেরদৌসী বেগম। প্রতি মাসে সেই গাড়ির জন্য নিচ্ছেন রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের ভাতা। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সরকারের এ সুবিধা ভোগ করার পরও তিনি দখলে রেখেছেন সংস্থার আরও

রাজউক জোন-৫-এ অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি। এখানে ৫৩টি আবাসন প্রকল্পেেরই কোনো অনুমোদন নেই। এই জোনে মোট জমির পরিমাণ তিন হাজার একরের বেশি।

গণপূর্ত অধিদপ্তর ২০০৯ সালে মিটফোর্ড হাসপাতালের চারটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। এসব ভবনেই ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে হাসপাতালের বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা। তারা কিছু কক্ষ ভাড়াও দিয়েছেন।

২০২৫ সালে শুরু হওয়া এ বাজারগুলোর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় ছয় মাস আগে। দুটি বাজারেই রয়েছে ৭৮টি করে দোকান। কিন্তু সেখানে এখনো কোনো ব্যবসা শুরু হয়নি। দোকানগুলো পড়ে আছে খালি। ক্রেতা নেই, বিক্রেতাও নেই। এমনকি বাজার দুটির আশপাশেও গড়ে ওঠেনি বসতি

জাইকার অর্থায়নে উচ্চশিক্ষা শেষে দেশে না ফিরে অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে গেছেন রাজউকের অথরাইজড অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম (সাইফ)। এ ঘটনার পর সংস্থাটির পক্ষ থেকে রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে, আন্তর্জাতিক কর্মসূচির শর্তের গুরুতর লঙ্ঘন উল্লেখ করে দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত...

একের পর এক ভবন জোড়া লাগিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছে আলোক হাসপাতাল লিমিটেড। রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় আলোকের হেলথকেয়ার হাসপাতালটিতে এক ভবনের সঙ্গে আরেক ভবন জোড়া লাগানো দেখা গেছে।

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প অনুমোদন হয় ২০১৫ সালে। কথা ছিলো ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে এ প্রকল্পের কাজ। কিন্তু তিন বছরের প্রকল্প শেষ করতে এক যুগ সময় লেগে যাবে তা অনেকটা অবিশ্বাস্য

সাভারের আশুলিয়ায় আমিন মোহাম্মদ, রূপায়ণ ও ড্যাফোডিল গ্রুপের বেশ কয়েকটি আবাসন প্রকল্প রয়েছে। রাজউকের অনুমোদন না থাকলেও এসব প্রকল্পের জমি বিক্রি ও ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, পিঠ বাঁচাতে এসব দায়সারা তালিকা করেছে রাজউক।

২০১৫ কিংবা ২০১৬ সালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সহকারী অথরাইজড অফিসার হিসেবে যোগদান। কয়েক বছরের মাথায় চলতি দায়িত্ব পেয়ে পদবি দাঁড়ায় ‘অথরাইজড অফিসার’।

একই জমি ও পানির সমন্বিত ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় কৃষকের চাষাবাদের চিত্র। ঘেরে চিংড়ি চাষের পাশাপাশি বেড়িবাঁধে লাউ, কুমড়া, শসা, বরবটি, পুঁইশাক, ঢেঁড়স, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে বাড়তি আয় করছেন কৃষকেরা।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ২০–২৫ জন চিকিৎসক নিয়মিত আশপাশের ক্লিনিক ও হাসপাতালে রোগী দেখেন। বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানে রোগী আসলেই চিকিৎসককে কল দেওয়া হয়। আর চিকিৎসক চা–সিঙারা খাওয়ার অজুহাতে ছুটে যান বেসরকারি হাসপাতালে।