প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবি: ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির তদন্ত শুরু

প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবি: ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির তদন্ত শুরু
আদালত সংবাদদাতা

জুলাই আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন করিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে এক প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবির অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটি কাজ শুরু করেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
পদত্যাগী প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার (১০ মার্চ) পাঁচ সদস্যের এই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই কমিটির প্রধান।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের সামনে একটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। আমরা এটিকে হালকাভাবে দেখছি না। একইসঙ্গে এই ট্রাইব্যুনালে আরও যদি কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, এই সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটন করবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি।
তিনি বলেন, আজকে আমরা চারজন একত্রে বসেছি। আরও একজন আছেন, তিনি আজ শারীরিক কারণে অনুপস্থিত।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, এই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে আমাদের প্রসিকিউশন টিমের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিবর্গ যদি কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, সেই বিষয়ে তথ্য উদ্ঘাটন করবো। যদি তাদের বিরুদ্ধে সত্যিকারের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেব।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা দাবি করেছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার। হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের একাধিক অডিও রেকর্ডিংয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিষয়টি জানার পর সাইমুম রেজা তালুকদারকে সংশ্লিষ্ট মামলাটি থেকে সরিয়ে দেন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তবে তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য দায়িত্ব থেকেও তাকে সরানো হয়নি।
ওই ঘটনায় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে মঙ্গলবার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এদিন দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি হুঁশিয়ার করে বলেছেন, প্রসিকিউটরদের দায়িত্ব পালনে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতে কোনো প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে সামান্য অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুলাই আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন করিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে এক প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবির অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটি কাজ শুরু করেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
পদত্যাগী প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার (১০ মার্চ) পাঁচ সদস্যের এই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই কমিটির প্রধান।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের সামনে একটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। আমরা এটিকে হালকাভাবে দেখছি না। একইসঙ্গে এই ট্রাইব্যুনালে আরও যদি কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, এই সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটন করবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি।
তিনি বলেন, আজকে আমরা চারজন একত্রে বসেছি। আরও একজন আছেন, তিনি আজ শারীরিক কারণে অনুপস্থিত।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, এই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে আমাদের প্রসিকিউশন টিমের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিবর্গ যদি কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, সেই বিষয়ে তথ্য উদ্ঘাটন করবো। যদি তাদের বিরুদ্ধে সত্যিকারের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেব।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা দাবি করেছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার। হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের একাধিক অডিও রেকর্ডিংয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিষয়টি জানার পর সাইমুম রেজা তালুকদারকে সংশ্লিষ্ট মামলাটি থেকে সরিয়ে দেন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তবে তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য দায়িত্ব থেকেও তাকে সরানো হয়নি।
ওই ঘটনায় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে মঙ্গলবার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এদিন দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি হুঁশিয়ার করে বলেছেন, প্রসিকিউটরদের দায়িত্ব পালনে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতে কোনো প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে সামান্য অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবি: ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির তদন্ত শুরু
আদালত সংবাদদাতা

জুলাই আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন করিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে এক প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবির অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটি কাজ শুরু করেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
পদত্যাগী প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার (১০ মার্চ) পাঁচ সদস্যের এই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই কমিটির প্রধান।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের সামনে একটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। আমরা এটিকে হালকাভাবে দেখছি না। একইসঙ্গে এই ট্রাইব্যুনালে আরও যদি কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, এই সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটন করবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি।
তিনি বলেন, আজকে আমরা চারজন একত্রে বসেছি। আরও একজন আছেন, তিনি আজ শারীরিক কারণে অনুপস্থিত।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, এই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে আমাদের প্রসিকিউশন টিমের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিবর্গ যদি কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, সেই বিষয়ে তথ্য উদ্ঘাটন করবো। যদি তাদের বিরুদ্ধে সত্যিকারের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেব।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা দাবি করেছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার। হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের একাধিক অডিও রেকর্ডিংয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিষয়টি জানার পর সাইমুম রেজা তালুকদারকে সংশ্লিষ্ট মামলাটি থেকে সরিয়ে দেন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তবে তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য দায়িত্ব থেকেও তাকে সরানো হয়নি।
ওই ঘটনায় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে মঙ্গলবার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এদিন দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি হুঁশিয়ার করে বলেছেন, প্রসিকিউটরদের দায়িত্ব পালনে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতে কোনো প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে সামান্য অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




