সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
সাড়ে ২১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ দায়ের করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২১ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে আসামি লুৎফুল তাহমিনার নামে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তদন্তে দেখা গেছে, লুৎফুল তাহমিনার নামে ১৮ কোটি ৪৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৭৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এর সঙ্গে ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করলে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ কোটি ৯ লাখ ২৫ হাজার ৬৯৭ টাকা।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য বা বৈধ আয়ের পরিমাণ পাওয়া গেছে মাত্র ৫ কোটি ২২ লাখ ২৮ হাজার ২২৭ টাকা। ফলে তার নামে মোট ১৪ কোটি ৮৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪৭০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।
তদন্তে দেখা গেছে, লুৎফুল তাহমিনার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০ টাকার উৎস সন্দেহজনক। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এই অর্থ ঘুষ বা উৎকোচ হিসেবে তার স্বামী আসাদুজ্জামান খানকে দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ সম্পদ ও সন্দেহজনক লেনদেন মিলিয়ে মোট ২১ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ২৫০ টাকার অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস গোপন করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামীদের মালিকানাধীন সম্পদের মধ্যে রয়েছে– বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি, দোকান, কমার্শিয়াল স্পেস এবং ব্যবসার শেয়ার। এছাড়া রয়েছে গাড়ি, যাত্রী পরিবহনের বাস, ব্যাংক ব্যালেন্স, এফডিআর এবং সঞ্চয়পত্র।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই সম্পদ অর্জনে তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনাকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন। এই কর্মকাণ্ড দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অবৈধ আয়ের উৎস গোপন করার জন্য অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের কারণে তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারার অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তকালে দেখা যায় যে, আসামীরা অবৈধ সম্পদ অর্জনের উদ্দেশ্যে অর্থ হস্তান্তর, রূপান্তর ও লেয়ারিংয়ের আশ্রয় নিয়েছেন।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ দায়ের করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২১ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে আসামি লুৎফুল তাহমিনার নামে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তদন্তে দেখা গেছে, লুৎফুল তাহমিনার নামে ১৮ কোটি ৪৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৭৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এর সঙ্গে ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করলে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ কোটি ৯ লাখ ২৫ হাজার ৬৯৭ টাকা।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য বা বৈধ আয়ের পরিমাণ পাওয়া গেছে মাত্র ৫ কোটি ২২ লাখ ২৮ হাজার ২২৭ টাকা। ফলে তার নামে মোট ১৪ কোটি ৮৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪৭০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।
তদন্তে দেখা গেছে, লুৎফুল তাহমিনার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০ টাকার উৎস সন্দেহজনক। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এই অর্থ ঘুষ বা উৎকোচ হিসেবে তার স্বামী আসাদুজ্জামান খানকে দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ সম্পদ ও সন্দেহজনক লেনদেন মিলিয়ে মোট ২১ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ২৫০ টাকার অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস গোপন করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামীদের মালিকানাধীন সম্পদের মধ্যে রয়েছে– বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি, দোকান, কমার্শিয়াল স্পেস এবং ব্যবসার শেয়ার। এছাড়া রয়েছে গাড়ি, যাত্রী পরিবহনের বাস, ব্যাংক ব্যালেন্স, এফডিআর এবং সঞ্চয়পত্র।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই সম্পদ অর্জনে তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনাকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন। এই কর্মকাণ্ড দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অবৈধ আয়ের উৎস গোপন করার জন্য অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের কারণে তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারার অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তকালে দেখা যায় যে, আসামীরা অবৈধ সম্পদ অর্জনের উদ্দেশ্যে অর্থ হস্তান্তর, রূপান্তর ও লেয়ারিংয়ের আশ্রয় নিয়েছেন।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ দায়ের করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২১ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে আসামি লুৎফুল তাহমিনার নামে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তদন্তে দেখা গেছে, লুৎফুল তাহমিনার নামে ১৮ কোটি ৪৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৭৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এর সঙ্গে ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করলে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ কোটি ৯ লাখ ২৫ হাজার ৬৯৭ টাকা।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য বা বৈধ আয়ের পরিমাণ পাওয়া গেছে মাত্র ৫ কোটি ২২ লাখ ২৮ হাজার ২২৭ টাকা। ফলে তার নামে মোট ১৪ কোটি ৮৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪৭০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।
তদন্তে দেখা গেছে, লুৎফুল তাহমিনার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০ টাকার উৎস সন্দেহজনক। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এই অর্থ ঘুষ বা উৎকোচ হিসেবে তার স্বামী আসাদুজ্জামান খানকে দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ সম্পদ ও সন্দেহজনক লেনদেন মিলিয়ে মোট ২১ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ২৫০ টাকার অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস গোপন করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামীদের মালিকানাধীন সম্পদের মধ্যে রয়েছে– বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি, দোকান, কমার্শিয়াল স্পেস এবং ব্যবসার শেয়ার। এছাড়া রয়েছে গাড়ি, যাত্রী পরিবহনের বাস, ব্যাংক ব্যালেন্স, এফডিআর এবং সঞ্চয়পত্র।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই সম্পদ অর্জনে তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনাকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন। এই কর্মকাণ্ড দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অবৈধ আয়ের উৎস গোপন করার জন্য অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের কারণে তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারার অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তকালে দেখা যায় যে, আসামীরা অবৈধ সম্পদ অর্জনের উদ্দেশ্যে অর্থ হস্তান্তর, রূপান্তর ও লেয়ারিংয়ের আশ্রয় নিয়েছেন।




