আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে দুর্নীতি, সাবেক ইউএনওর শাস্তি

আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে দুর্নীতি, সাবেক ইউএনওর শাস্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বর্তমানে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। লঘুদণ্ড হিসেবে তার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের ৮ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও থাকার সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২২ অর্থবছরের তৃতীয় পর্যায়ের ৩০২টি ঘরের মধ্যে মাটিভাঙ্গা (চর ষাটপাকিয়া) এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ পান।
পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও মো. নজরুল ইসলামের সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, ১২৮টি ঘরের মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কৃষ্ণ খরাতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অনির্মিত ঘরগুলো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই অনুযায়ী ঘর প্রতি ৩ লাখ ৪ হাজার টাকা হারে ও পরিবহন ব্যয়সহ মোট ১ কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার জন্য বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী বিজন কৃষ্ণ খরাতী টাকা জমা দেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার তার দায়িত্বকালে অনির্মিত ৫৫টি ঘর নির্মাণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে বিজন কৃষ্ণ খরাতীর প্রস্তাবে পুরো অর্থের চেকে স্বাক্ষর করেন। এ ছাড়া ‘গৃহ প্রদান নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী ঘর নির্মাণের কথা থাকলেও সভাপতি হিসেবে সেই অনুযায়ী গুণগত মান নিশ্চিত না করে তিনি কাজে চরম অবহেলা দেখান। এটি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের মতো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় বিভাগীয় মামলা করা হয়। এতে ওই কর্মকর্তার ব্যক্তিগত শুনানির বক্তব্য সন্তোষজনক হয়নি। এরপর বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সব বিষয় বিবেচনায় রুম্পা সিকদারকে দুই বছরের বেতন স্থগিতের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, রুম্পা সিকদার ও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর যৌথ স্বাক্ষরে ঘর নির্মাণের টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। কিন্তু ৫৫টি ঘর নির্মাণ না হলেও রুম্পা সিকদার নলছিটি থেকে বদলির সময় এই টাকা সম্পর্কে কোনো তথ্য বিবরণী কাগজে লিপিবদ্ধ করেননি। একজন ইউএনও হিসেবে কত টাকার চেকে তিনি স্বাক্ষর করেছেন এবং সেই টাকা কী উদ্দেশে ব্যবহার হয়েছে, তার প্রমাণ ও তা দাপ্তরিক নথিপত্রে লিপিবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। এখানে তার প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব ও কর্তব্যে অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে।

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বর্তমানে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। লঘুদণ্ড হিসেবে তার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের ৮ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও থাকার সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২২ অর্থবছরের তৃতীয় পর্যায়ের ৩০২টি ঘরের মধ্যে মাটিভাঙ্গা (চর ষাটপাকিয়া) এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ পান।
পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও মো. নজরুল ইসলামের সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, ১২৮টি ঘরের মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কৃষ্ণ খরাতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অনির্মিত ঘরগুলো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই অনুযায়ী ঘর প্রতি ৩ লাখ ৪ হাজার টাকা হারে ও পরিবহন ব্যয়সহ মোট ১ কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার জন্য বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী বিজন কৃষ্ণ খরাতী টাকা জমা দেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার তার দায়িত্বকালে অনির্মিত ৫৫টি ঘর নির্মাণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে বিজন কৃষ্ণ খরাতীর প্রস্তাবে পুরো অর্থের চেকে স্বাক্ষর করেন। এ ছাড়া ‘গৃহ প্রদান নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী ঘর নির্মাণের কথা থাকলেও সভাপতি হিসেবে সেই অনুযায়ী গুণগত মান নিশ্চিত না করে তিনি কাজে চরম অবহেলা দেখান। এটি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের মতো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় বিভাগীয় মামলা করা হয়। এতে ওই কর্মকর্তার ব্যক্তিগত শুনানির বক্তব্য সন্তোষজনক হয়নি। এরপর বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সব বিষয় বিবেচনায় রুম্পা সিকদারকে দুই বছরের বেতন স্থগিতের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, রুম্পা সিকদার ও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর যৌথ স্বাক্ষরে ঘর নির্মাণের টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। কিন্তু ৫৫টি ঘর নির্মাণ না হলেও রুম্পা সিকদার নলছিটি থেকে বদলির সময় এই টাকা সম্পর্কে কোনো তথ্য বিবরণী কাগজে লিপিবদ্ধ করেননি। একজন ইউএনও হিসেবে কত টাকার চেকে তিনি স্বাক্ষর করেছেন এবং সেই টাকা কী উদ্দেশে ব্যবহার হয়েছে, তার প্রমাণ ও তা দাপ্তরিক নথিপত্রে লিপিবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। এখানে তার প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব ও কর্তব্যে অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে।

আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে দুর্নীতি, সাবেক ইউএনওর শাস্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বর্তমানে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। লঘুদণ্ড হিসেবে তার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের ৮ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও থাকার সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২২ অর্থবছরের তৃতীয় পর্যায়ের ৩০২টি ঘরের মধ্যে মাটিভাঙ্গা (চর ষাটপাকিয়া) এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ পান।
পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও মো. নজরুল ইসলামের সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, ১২৮টি ঘরের মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কৃষ্ণ খরাতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অনির্মিত ঘরগুলো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই অনুযায়ী ঘর প্রতি ৩ লাখ ৪ হাজার টাকা হারে ও পরিবহন ব্যয়সহ মোট ১ কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার জন্য বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী বিজন কৃষ্ণ খরাতী টাকা জমা দেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার তার দায়িত্বকালে অনির্মিত ৫৫টি ঘর নির্মাণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে বিজন কৃষ্ণ খরাতীর প্রস্তাবে পুরো অর্থের চেকে স্বাক্ষর করেন। এ ছাড়া ‘গৃহ প্রদান নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী ঘর নির্মাণের কথা থাকলেও সভাপতি হিসেবে সেই অনুযায়ী গুণগত মান নিশ্চিত না করে তিনি কাজে চরম অবহেলা দেখান। এটি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের মতো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় বিভাগীয় মামলা করা হয়। এতে ওই কর্মকর্তার ব্যক্তিগত শুনানির বক্তব্য সন্তোষজনক হয়নি। এরপর বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সব বিষয় বিবেচনায় রুম্পা সিকদারকে দুই বছরের বেতন স্থগিতের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, রুম্পা সিকদার ও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর যৌথ স্বাক্ষরে ঘর নির্মাণের টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। কিন্তু ৫৫টি ঘর নির্মাণ না হলেও রুম্পা সিকদার নলছিটি থেকে বদলির সময় এই টাকা সম্পর্কে কোনো তথ্য বিবরণী কাগজে লিপিবদ্ধ করেননি। একজন ইউএনও হিসেবে কত টাকার চেকে তিনি স্বাক্ষর করেছেন এবং সেই টাকা কী উদ্দেশে ব্যবহার হয়েছে, তার প্রমাণ ও তা দাপ্তরিক নথিপত্রে লিপিবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। এখানে তার প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব ও কর্তব্যে অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে।




