প্রতারণার অভিযোগ: আইনি জটিলতায় নুসরাত জাহান

প্রতারণার অভিযোগ: আইনি জটিলতায় নুসরাত জাহান
বিনোদন ডেস্ক

ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে কয়েক কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। বুধবার (২৩ এপ্রিল) কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে তাকে টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিন সকালে স্বামী যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে ইডি দপ্তরে পৌঁছান নুসরাত। গাড়ি থেকে নামার পর সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। যশের হাত ধরে সরাসরি ইডি দপ্তরের ভেতরে চলে যান এই অভিনেত্রী।
জানা গেছে, রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েকশ প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। ২০১৪-১৫ সালে ওই সংস্থাটি প্রায় ৪০০ জন প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে মাথাপিছু সাড়ে ৫ লাখ টাকা করে নিয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও গ্রাহকরা ফ্ল্যাট পাননি এবং তাদের টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।
তদন্তকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ওই সংস্থায় ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরাত জাহান। সংস্থাটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই অভিনেত্রী ইডির নজরে রয়েছেন। এর আগে ২০২৩ সালেও একই মামলায় তাকে তলব করা হয়েছিল।
ইডি সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক তদন্তে কিছু নতুন তথ্য ও নথি সামনে আসায় নুসরাতকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
সকাল থেকে শুরু হওয়া এই জিজ্ঞাসাবাদ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ধরে ইডি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নুসরাত। তদন্তের স্বার্থে তার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দপ্তর থেকে বের হওয়ার সময়ও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি তিনি।

ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে কয়েক কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। বুধবার (২৩ এপ্রিল) কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে তাকে টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিন সকালে স্বামী যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে ইডি দপ্তরে পৌঁছান নুসরাত। গাড়ি থেকে নামার পর সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। যশের হাত ধরে সরাসরি ইডি দপ্তরের ভেতরে চলে যান এই অভিনেত্রী।
জানা গেছে, রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েকশ প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। ২০১৪-১৫ সালে ওই সংস্থাটি প্রায় ৪০০ জন প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে মাথাপিছু সাড়ে ৫ লাখ টাকা করে নিয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও গ্রাহকরা ফ্ল্যাট পাননি এবং তাদের টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।
তদন্তকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ওই সংস্থায় ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরাত জাহান। সংস্থাটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই অভিনেত্রী ইডির নজরে রয়েছেন। এর আগে ২০২৩ সালেও একই মামলায় তাকে তলব করা হয়েছিল।
ইডি সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক তদন্তে কিছু নতুন তথ্য ও নথি সামনে আসায় নুসরাতকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
সকাল থেকে শুরু হওয়া এই জিজ্ঞাসাবাদ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ধরে ইডি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নুসরাত। তদন্তের স্বার্থে তার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দপ্তর থেকে বের হওয়ার সময়ও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি তিনি।

প্রতারণার অভিযোগ: আইনি জটিলতায় নুসরাত জাহান
বিনোদন ডেস্ক

ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে কয়েক কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। বুধবার (২৩ এপ্রিল) কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে তাকে টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিন সকালে স্বামী যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে ইডি দপ্তরে পৌঁছান নুসরাত। গাড়ি থেকে নামার পর সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। যশের হাত ধরে সরাসরি ইডি দপ্তরের ভেতরে চলে যান এই অভিনেত্রী।
জানা গেছে, রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েকশ প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। ২০১৪-১৫ সালে ওই সংস্থাটি প্রায় ৪০০ জন প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে মাথাপিছু সাড়ে ৫ লাখ টাকা করে নিয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও গ্রাহকরা ফ্ল্যাট পাননি এবং তাদের টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।
তদন্তকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ওই সংস্থায় ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরাত জাহান। সংস্থাটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই অভিনেত্রী ইডির নজরে রয়েছেন। এর আগে ২০২৩ সালেও একই মামলায় তাকে তলব করা হয়েছিল।
ইডি সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক তদন্তে কিছু নতুন তথ্য ও নথি সামনে আসায় নুসরাতকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
সকাল থেকে শুরু হওয়া এই জিজ্ঞাসাবাদ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ধরে ইডি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নুসরাত। তদন্তের স্বার্থে তার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দপ্তর থেকে বের হওয়ার সময়ও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি তিনি।




