
খাবারের প্রতি অদম্য আকর্ষণ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে আরাম করে থাকা কিংবা গান শুনে মুগ্ধ হওয়ার মতো আচরণ দেখে পান্ডাকে অনেকেই বুদ্ধিমান প্রাণী বলে মনে করেন। আবার তাদের কিছু কর্মকাণ্ড এতটাই অদ্ভুত যে, কখনো কখনো মনে হয় বুদ্ধির ছিটেফোঁটাও যেন নেই!

হাতি শুধু পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ স্থলচর প্রাণী নয়, এর শরীরের কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকৃতির অসাধারণ নকশারও প্রমাণ। বিশেষ করে হাতির শুঁড়কে প্রাণিজগতের সবচেয়ে বহুমুখী অঙ্গগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। একে অনেক সময় প্রকৃতির ‘সুইস আর্মি নাইফ’ বলা হয়।

ভূত-প্রেতের অস্তিত্বে বিশ্বাস থাকুক বা না থাকুক, গভীর রাতে কোনো পরিত্যক্ত কিংবা ‘অভিশপ্ত’ বাড়িতে একা থাকার কথা শুনলেই অনেকের গা ছমছম করে ওঠে। তবে সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার বিনিময়ে যদি পাওয়া যায় মোটা অঙ্কের অর্থ, তাহলে বিষয়টি কেমন হয়?

প্রায় এক শতাব্দী পর বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হলো বিশ্ব। বিশাল সূর্য ঢেকে ফেলেছে চাঁদ। স্পেনের লাখো মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখলেন এই মহাজাগতিক দৃশ্য।

দরজার খিল খুলে ফেলা, মুহূর্তে আলমারির কোণে উঠে যাওয়া কিংবা লুকিয়ে রাখা খাবার খুঁজে বের করা-বিড়ালের এমন কাণ্ড দেখে অনেকেই মজা পান। কিন্তু এসব আচরণের পেছনে যে তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও জটিল মানসিক প্রক্রিয়া কাজ করে, তা নিয়ে এখন আগ্রহ বাড়ছে বিজ্ঞানীদেরও।

পৃথিবীর ইতিহাসে প্রায় ১৬ কোটিরও বেশি বছর ধরে সবচেয়ে প্রভাবশালী স্থলজ প্রাণী ছিল ডাইনোসর। দীর্ঘ এই সময়ে তারা নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং জলবায়ুর বড় বড় পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে টিকে ছিল।

ছোটবেলায় টেনিস বল দিয়ে ক্রিকেট খেলেননি, এমন মানুষ পাওয়া হয়তো দুষ্কর। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে যারা বেড়ে উঠেছেন, তাদের কাছে এটা বেশি পরিচিত। বল-ব্যাট হাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলা করা

উনিশ শতকের শেষের দিকে শহরটি বছরে প্রায় ২ ইঞ্চি হারে দেবে যাচ্ছিল। ১৯৫০ সাল নাগাদ তা বেড়ে বার্ষিক ১৮ ইঞ্চিতে দাঁড়িয়েছিল। যদিও তারপর থেকে এই হার কিছুটা কমেছে।

ভাষা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও সংস্কৃতি প্রকাশের সবচেয়ে প্রাচীন মাধ্যমগুলোর একটি। হাজার বছরের বিবর্তনের ধারায় পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ভাষা। তবে সময়ের প্রবাহে সেই ভাষাগুলোর বড় একটি অংশ হারিয়ে গেছে চিরতরে। আজ যেসব ভাষার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জানি, সেগুলো মানব

এটিই বিশ্বের একমাত্র অঞ্চল যেখানে চারটি দেশের সীমানা এক বিন্দুতে এসে মিলেছে। নদীর ঠিক মাঝখানে

মানুষ বা শিম্পাঞ্জির পর এবার সাধারণ গাণিতিক ধারণা প্রদর্শন করে গবেষকদের বিস্মিত করেছে জিরাফ। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই লম্বা গলার প্রাণীটি শুধু খাবারের পরিমাণই আলাদা করতে পারে না, বরং কোনো পাত্রে খাবার যোগ বা বিয়োগ করা হলে সেই পরিবর্তনও বুঝতে সক্ষম।

পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ও সংগঠিত প্রাণীগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে পিঁপড়া অন্যতম। আকারে ক্ষুদ্র হলেও তাদের সামাজিক কাঠামো এবং সমন্বয় ক্ষমতা বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিন ধরে মুগ্ধ করে আসছে।

মানবসভ্যতা কি একদিন পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে? এমন প্রশ্ন ঘিরে বহু বছর ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে ভয়াবহ এক সম্ভাবনার কথা।

মানুষের ঘরের সোফা থেকে শুরু করে ঘরের সব জায়গাতেই যেন নির্ভার রাজত্ব পোষা বিড়ালের। কিন্তু এই আদুরে প্রাণীর মানুষের বাসস্থানে প্রবেশ কবে, কোথা থেকে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে আসছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক ডিএনএ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে নতুন তথ্য, যা দেখে বিস্মিত গবেষকরাও।

গরমের দিনে এক টুকরো তরমুজ, পাকা আম কিংবা ঠান্ডা কমলার রস—এসবের প্রতি মানুষের আকর্ষণ যেন একটু বেশিই। শুধু স্বাদের জন্যই নয়, রসালো ফলের প্রতি মানুষের এই ভালোবাসার পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক, মানসিক ও বিবর্তনগত নানা কারণ।

বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষই দৈনন্দিন কাজকর্মে ডান হাত ব্যবহার করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য। লেখা-লেখি, খাওয়া-দাওয়া কিংবা মোবাইল ব্যবহার— প্রায় সব ক্ষেত্রেই ডান হাত আগে এগিয়ে আসে। কিন্তু কেন অধিকাংশ মানুষ ডানহাতি? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বহু বছর ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

মানুষ ঠিক কবে প্রথম কথা বলতে শুরু করেছিল—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বহু বছর ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এবার আফ্রিকার একটি গুহা থেকে পাওয়া কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নতুন করে সেই আলোচনাকে সামনে নিয়ে এসেছে।

কোনো নির্জন রাস্তায় হঠাৎ একটি সাপ চোখে পড়লেই ভয় পেয়ে সরে যান বেশিরভাগ মানুষ। সেখানে যদি একই জায়গায় হাজার হাজার সাপ একসঙ্গে নড়াচড়া করতে দেখা যায়, তাহলে দৃশ্যটি কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলো ঘিরে ভ্রমণকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে সৌন্দর্য আর বিনোদনের পাশাপাশি কিছু শহর এখন পর্যটকদের জন্য পকেটমারি, চুরি ও প্রতারণার ঝুঁকির কারণেও আলোচনায় উঠে আসছে।

অন্ধকার দেখলেই আমাদের মনে এক ধরনের অজানা ভয় জন্ম নেয়। আধুনিক শহরের ঝলমলে আলোতেও সেই প্রাচীন আতঙ্ক পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। তবে বিজ্ঞান বলছে, অন্ধকারকে ভয় পাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়; বরং এটি মানুষের বিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষামূলক প্রবৃত্তি।