শিরোনাম
সরাসরি

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ম্যাক্রোঁর সতর্কবার্তা

২০: ০২

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ম্যাক্রোঁর সতর্কবার্তা

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ম্যাক্রোঁর সতর্কবার্তা
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার উদ্যোগে জোর দিচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ঘিরে তৈরি হওয়া আতঙ্ক নিজেই বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

গ্রিসের রাজধানী এথেন্স-এ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস-এর সঙ্গে উপস্থিত হয়ে ম্যাক্রোঁ বলেন, আন্তর্জাতিক আইন মেনে দ্রুত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য।

একইসঙ্গে তিনি প্রণালিতে টোলমুক্ত ও নির্বিঘ্ন নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ম্যাক্রোঁর এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন জ্বালানি খাতে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা নিয়ে সতর্ক করেছেন ফরাসি জ্বালানি কোম্পানি টোটালএনার্জিস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্যাট্রিক পুয়ানে।

প্যারিসের বাইরে শঁতিলিতে আয়োজিত বিশ্ব নীতি সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরানকে ঘিরে সংঘাত যদি আরও দুই থেকে তিন মাস অব্যাহত থাকে, তবে বিশ্ব এক গুরুতর জ্বালানি ঘাটতির মুখে পড়তে পারে—যার প্রভাব ইতোমধ্যেই এশিয়ার কিছু দেশ অনুভব করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ফলে হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘ সময় ধরে চলাচল ব্যাহত থাকলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তীব্র আকার ধারণ করতে পারে এবং এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতির ওপরও।

সূত্র: আল জাজিরা

১৯: ৩০

অবরোধ অব্যাহত থাকলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

অবরোধ অব্যাহত থাকলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর খাতাম আল আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি। ছবি: প্রেস টিভি

মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের বরাত দিয়ে দেশটির আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ চালু থাকলে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়ার’ মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ড এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও প্রস্তুত। তাদের দাবি, অতীতে সংঘাতের সময় তারা যে সামরিক সক্ষমতা অর্জন করেছে, তা এখন আরও উন্নত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অঞ্চলে শত্রুপক্ষের তৎপরতা নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হচ্ছে, যাতে নতুন করে কোনো আগ্রাসন হলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

১৯: ০৯

যুদ্ধ শেষে হরমুজে মাইন সরাতে প্রস্তুত জার্মানি

যুদ্ধ শেষে হরমুজে মাইন সরাতে প্রস্তুত জার্মানি
সামুদ্রিক মাইন। ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হলে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের কাজে অংশ নিতে চায় জার্মানি। এ জন্য তারা শিগগিরই একটি নৌজাহাজ প্রস্তুত করছে।

জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, নৌবাহিনীর মাইন অপসারণকারী জাহাজ ‘ফুল্ডা’ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ভূমধ্যসাগরে পাঠানো হবে। এর উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে গঠিত আন্তর্জাতিক জোটে অংশ নেওয়া।

তিনি বলেন, জাহাজটিতে প্রায় ৪৫ জন নাবিক থাকবেন। তবে এটি সরাসরি হরমুজ প্রণালিতে যাবে তখনই, যখন যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হবে এবং জার্মান পার্লামেন্টের অনুমোদন পাওয়া যাবে।

এর আগে তুরস্কও জানিয়েছে, যুদ্ধ শেষ হলে তারা হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন সরানোর এই ধরনের একটি আন্তর্জাতিক অভিযানে যোগ দিতে আগ্রহী।

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ২৫

যুদ্ধ মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

যুদ্ধ মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশের জনগণকে জ্বালানি ব্যবহারে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

ইরানের আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, তিনি নাগরিকদের বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জ্বালানির ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করা।

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘শত্রুরা আমাদের অবকাঠামোর ওপর আঘাত হানছে এবং চারদিক থেকে চাপ সৃষ্টি করছে, যাতে জনগণ অসন্তুষ্ট হয়ে ওঠে। আমাদের এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হতে দেওয়া যাবে না, যা এই অসন্তোষকে আরও বাড়িয়ে দেয়।’

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি ব্যবহারে সচেতনতা এখন সময়ের দাবি। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘একটি ঘরে যদি ১০টি বাতি জ্বালানোর প্রয়োজন না থাকে, তাহলে ২টি ব্যবহার করলেই যথেষ্ট—এতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।’

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ০৭

যুদ্ধ থেকে সরে যাওয়ার সম্মানজনক পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনাকে ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে তেহরান দাবি করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে একটি ‘সম্মানজনক’ প্রস্থানের উপায় খুঁজছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করে।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখন এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছে, যা প্রতিপক্ষের ওপর সুস্পষ্ট প্রভাব ফেলছে।

মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘বর্তমানে আমাদের সামরিক শক্তি প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। শত্রুপক্ষ এখন এমন এক পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছে, যেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তারা সম্মানজনক পথ খুঁজছে।’

এদিকে, মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্য স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছেন। এই সফরের প্রাক্কালে ইরানের পক্ষ থেকে এমন কড়া অবস্থান সামনে এলো, যা সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা আপাতত তেহরানের নেই।

সূত্র: জিও নিউজ