এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল, সংসদে বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল, সংসদে বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২৬

সংসদ অধিবেশন। ছবি: সংগৃহীত
সংসদ সদস্যদের (এমপি) শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। একই দিনে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব ছিল না এবং আলোচনা ছাড়াই এটি পাস হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলটির খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকার বলছে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এমপিদের জন্য বিদ্যমান শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিল পাসের ফলে ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অর্ডার, ১৯৭৩’-এর আর্টিকেল থ্রি সি বিলুপ্ত হলো।
এই ধারায় একজন সংসদ সদস্য তার পুরো মেয়াদকালে শুল্কমুক্তভাবে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানির সুযোগ পেতেন। মূল্য সংযোজন কর, উন্নয়ন সারচার্জ এবং আমদানি পারমিট ফি ছাড়া সরকার নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী এ সুবিধা কার্যকর ছিল। সর্বশেষ আমদানির পাঁচ বছর পর আরেকটি নতুন গাড়ি আনার সুযোগও ছিল।
নতুন আইনে বলা হয়েছে, এটি ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের নামে শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একই সঙ্গে এ ধরনের সুবিধা কর প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দৃশ্যমান বৈষম্য তৈরি করে।
সরকারের মতে, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সঙ্গে সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই সুবিধা বাতিল করা হয়েছে।
সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয় পক্ষই আগেই জানিয়েছিল, তারা শুল্কমুক্ত গাড়ি নেবে না। ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নবনির্বাচিত এমপিরাও শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন।
সংসদ সদস্যদের জন্য এ সুবিধা স্বাধীনতার পর থেকেই ছিল না। ১৯৮৮ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে চতুর্থ সংসদ নির্বাচনের পর এটি চালু হয়।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেল নিয়ে বৈশ্বিক সংকট তৈরি হওয়ায় দেশের পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতীয় সংসদে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ অনুযায়ী চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন, পরে তা পাস হয়।
এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে। সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে সংসদে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে হবে।
গত কয়েক দিন ধরে সংসদে জ্বালানি সরবরাহ, আমদানি ব্যয়, বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হলো।

সংসদ সদস্যদের (এমপি) শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। একই দিনে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব ছিল না এবং আলোচনা ছাড়াই এটি পাস হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলটির খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকার বলছে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এমপিদের জন্য বিদ্যমান শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিল পাসের ফলে ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অর্ডার, ১৯৭৩’-এর আর্টিকেল থ্রি সি বিলুপ্ত হলো।
এই ধারায় একজন সংসদ সদস্য তার পুরো মেয়াদকালে শুল্কমুক্তভাবে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানির সুযোগ পেতেন। মূল্য সংযোজন কর, উন্নয়ন সারচার্জ এবং আমদানি পারমিট ফি ছাড়া সরকার নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী এ সুবিধা কার্যকর ছিল। সর্বশেষ আমদানির পাঁচ বছর পর আরেকটি নতুন গাড়ি আনার সুযোগও ছিল।
নতুন আইনে বলা হয়েছে, এটি ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের নামে শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একই সঙ্গে এ ধরনের সুবিধা কর প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দৃশ্যমান বৈষম্য তৈরি করে।
সরকারের মতে, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সঙ্গে সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই সুবিধা বাতিল করা হয়েছে।
সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয় পক্ষই আগেই জানিয়েছিল, তারা শুল্কমুক্ত গাড়ি নেবে না। ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নবনির্বাচিত এমপিরাও শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন।
সংসদ সদস্যদের জন্য এ সুবিধা স্বাধীনতার পর থেকেই ছিল না। ১৯৮৮ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে চতুর্থ সংসদ নির্বাচনের পর এটি চালু হয়।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেল নিয়ে বৈশ্বিক সংকট তৈরি হওয়ায় দেশের পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতীয় সংসদে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ অনুযায়ী চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন, পরে তা পাস হয়।
এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে। সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে সংসদে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে হবে।
গত কয়েক দিন ধরে সংসদে জ্বালানি সরবরাহ, আমদানি ব্যয়, বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হলো।

এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল, সংসদে বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২৬

সংসদ অধিবেশন। ছবি: সংগৃহীত
সংসদ সদস্যদের (এমপি) শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। একই দিনে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব ছিল না এবং আলোচনা ছাড়াই এটি পাস হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলটির খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকার বলছে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এমপিদের জন্য বিদ্যমান শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিল পাসের ফলে ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অর্ডার, ১৯৭৩’-এর আর্টিকেল থ্রি সি বিলুপ্ত হলো।
এই ধারায় একজন সংসদ সদস্য তার পুরো মেয়াদকালে শুল্কমুক্তভাবে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানির সুযোগ পেতেন। মূল্য সংযোজন কর, উন্নয়ন সারচার্জ এবং আমদানি পারমিট ফি ছাড়া সরকার নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী এ সুবিধা কার্যকর ছিল। সর্বশেষ আমদানির পাঁচ বছর পর আরেকটি নতুন গাড়ি আনার সুযোগও ছিল।
নতুন আইনে বলা হয়েছে, এটি ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের নামে শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একই সঙ্গে এ ধরনের সুবিধা কর প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দৃশ্যমান বৈষম্য তৈরি করে।
সরকারের মতে, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সঙ্গে সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই সুবিধা বাতিল করা হয়েছে।
সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয় পক্ষই আগেই জানিয়েছিল, তারা শুল্কমুক্ত গাড়ি নেবে না। ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নবনির্বাচিত এমপিরাও শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন।
সংসদ সদস্যদের জন্য এ সুবিধা স্বাধীনতার পর থেকেই ছিল না। ১৯৮৮ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে চতুর্থ সংসদ নির্বাচনের পর এটি চালু হয়।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেল নিয়ে বৈশ্বিক সংকট তৈরি হওয়ায় দেশের পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতীয় সংসদে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ অনুযায়ী চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন, পরে তা পাস হয়।
এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে। সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে সংসদে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে হবে।
গত কয়েক দিন ধরে সংসদে জ্বালানি সরবরাহ, আমদানি ব্যয়, বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হলো।
/এসএ/

সংসদে দাঁড়িয়ে সরকারের সমালোচনা করতে চাই: হাসনাত আব্দুল্লাহ

