
মোসাদ্দেকুর রহমান, সিটিজেন জার্নাল২৪.কম (সিজেটএন২৪.কম) অনলাইন পত্রিকায় সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি দৈনিক যুগান্তর ও আরটিভির জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সর্বোচ্চ ছাড়ের কথা বলছেন, যুদ্ধের চেয়ে কূটনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলছেন। এই অবস্থায় যুদ্ধের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনার ব্যাপারে আগ্রহ দেখানোকে কৌশল হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

গতবছর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গাজার পুনর্গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন শাসনব্যবস্থা হিসেবে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ‘শান্তি পর্ষদ’ গঠন করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা কি অধরাই থেকে যাবে?

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় বিমান হামলা, ও স্থল অভিযানে বাড়ছে প্রাণহানি। বেসামরিক এলাকা, শরণার্থীশিবির ও ত্রাণকেন্দ্রে হামলায় গভীর মানবিক সংকটে উপত্যকাটি।

মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত হবে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেলে উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশাল উপস্থিতি একটি বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর মধ্যে গতকাল ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি না হলে খারাপ কিছু ঘটতে পারে বলে ইরানকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিরসনে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি করেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কিছু অগ্রগতির আভাস মিললেও মূল বিরোধের জায়গাগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
