চাঁদা তোলায় বাধা, ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ

চাঁদা তোলায় বাধা, ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদা তোলায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় বলাকা সিনেমা হলের সামনে বিভিন্ন দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ ওঠে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারী সোহেল ও আজিম ওরফে ‘গুন্ডা আজিমের’ বিরুদ্ধে।
বিষয়টি জানতে পেরে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে গিয়ে চাঁদা তুলতে বাধা দেন। এতে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কথা-কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিষয়টি জানতে পেরে যুবদল নেতা কে.এম. চঞ্চল ৪০-৫০ জন অনুসারী নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের ফের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে লাঠিসোঁটা, রামদা ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
হামলায় ঢাকা কলেজের আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা হলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স খন্দকার, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন সিকদার, আহ্বায়ক সদস্য মো. সাগর খান, আহ্বায়ক সদস্য মো. সায়মন ইসলাম, সদস্য মুসফিকুর রহিম, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য শাকিব হাসান ও সদস্য ইমরান হোসেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. সুমন সিকদার বলেন, ‘বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যাওয়ার পথে নিউমার্কেট এলাকায় কয়েকজনকে দোকানদার ও ভ্যানচালকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে দেখি। এতে বাধা দিলে তারা আমাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়।’
নিউমার্কেট এলাকার স্থানীয়দের দাবি, এলাকার কয়েক’শ দোকান থেকে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘ওদের মধ্যে মারামারি হয়েছে, সে বিষয়ে অবগত আছি। কিন্তু কতজন আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারিনি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদা তোলায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় বলাকা সিনেমা হলের সামনে বিভিন্ন দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ ওঠে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারী সোহেল ও আজিম ওরফে ‘গুন্ডা আজিমের’ বিরুদ্ধে।
বিষয়টি জানতে পেরে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে গিয়ে চাঁদা তুলতে বাধা দেন। এতে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কথা-কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিষয়টি জানতে পেরে যুবদল নেতা কে.এম. চঞ্চল ৪০-৫০ জন অনুসারী নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের ফের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে লাঠিসোঁটা, রামদা ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
হামলায় ঢাকা কলেজের আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা হলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স খন্দকার, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন সিকদার, আহ্বায়ক সদস্য মো. সাগর খান, আহ্বায়ক সদস্য মো. সায়মন ইসলাম, সদস্য মুসফিকুর রহিম, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য শাকিব হাসান ও সদস্য ইমরান হোসেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. সুমন সিকদার বলেন, ‘বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যাওয়ার পথে নিউমার্কেট এলাকায় কয়েকজনকে দোকানদার ও ভ্যানচালকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে দেখি। এতে বাধা দিলে তারা আমাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়।’
নিউমার্কেট এলাকার স্থানীয়দের দাবি, এলাকার কয়েক’শ দোকান থেকে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘ওদের মধ্যে মারামারি হয়েছে, সে বিষয়ে অবগত আছি। কিন্তু কতজন আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারিনি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চাঁদা তোলায় বাধা, ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদা তোলায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় বলাকা সিনেমা হলের সামনে বিভিন্ন দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ ওঠে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারী সোহেল ও আজিম ওরফে ‘গুন্ডা আজিমের’ বিরুদ্ধে।
বিষয়টি জানতে পেরে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে গিয়ে চাঁদা তুলতে বাধা দেন। এতে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কথা-কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিষয়টি জানতে পেরে যুবদল নেতা কে.এম. চঞ্চল ৪০-৫০ জন অনুসারী নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের ফের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে লাঠিসোঁটা, রামদা ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
হামলায় ঢাকা কলেজের আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা হলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স খন্দকার, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন সিকদার, আহ্বায়ক সদস্য মো. সাগর খান, আহ্বায়ক সদস্য মো. সায়মন ইসলাম, সদস্য মুসফিকুর রহিম, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য শাকিব হাসান ও সদস্য ইমরান হোসেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. সুমন সিকদার বলেন, ‘বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যাওয়ার পথে নিউমার্কেট এলাকায় কয়েকজনকে দোকানদার ও ভ্যানচালকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে দেখি। এতে বাধা দিলে তারা আমাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়।’
নিউমার্কেট এলাকার স্থানীয়দের দাবি, এলাকার কয়েক’শ দোকান থেকে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘ওদের মধ্যে মারামারি হয়েছে, সে বিষয়ে অবগত আছি। কিন্তু কতজন আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারিনি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্যানিটেশন সংকট ও অস্বাস্থ্যকর খাবারে বিপর্যস্ত, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে দোকান উচ্ছেদ



