‘নতুন কার্ড’ নিয়ে প্রস্তুত ইরান
‘নতুন কার্ড’ নিয়ে প্রস্তুত ইরান
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবেন এমন সম্ভাবনা ‘খুবই কম’ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে তিনি বোমা হামলা পুনরায় শুরু করার হুমকি দিয়েছেন।


হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেমকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, তাকে ‘ভারী মূল্য দিতে হবে’ এবং ইসরায়েল তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আমরা ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। আমরা আশা করছি, আগামীকাল বা পরদিনের মধ্যে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল

নির্ধারিত সময়ে যুদ্ধবিরতি না হলে আবারও যুদ্ধ শুরু হবে কিনা এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি চুক্তি না হয়, তবে আমি অবশ্যই তেমনটা (যুদ্ধ শুরু) মনে করছি।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবেন এমন সম্ভাবনা ‘খুবই কম’ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে তিনি বোমা হামলা পুনরায় শুরু করার হুমকি দিয়েছেন।

জাহাজটি বন্দর আব্বাসের নিকটবর্তী শহীদ রাজাই বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে ভারতের কান্দলা বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে কথা বলেছেন।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্স এখনো যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। তিনি পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা দেননি।

যুক্তরাজ্যের অন্তত ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থী, বিক্ষোভকারী ও শিক্ষাবিদদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে একটি বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থাকে অর্থ দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মার্কিন প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ায় ইরানের নিয়ে সম্ভাব্য সংলাপে নতুন গতি আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ‘আজই’ ইরান সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা বেড়েছে। বৈশ্বিক মানদণ্ডে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

লেবাননে ইসরায়েল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কর্যকরের মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটলো।

নিরাপদ যোগাযোগ তৈরি করে দেওয়া, সংবেদনশীল স্থান শনাক্তকরণে সমন্বয় সাধন এবং বিস্ফোরক তৈরির মতো বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণের দায়ে তারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠানোর কথা জানিয়েছেন। তবে ইরান আগেই বলেছে, অবরোধ বহাল থাকলে তারা আলোচনায় বসবে না।

চলমান যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন বিশ্বের সামনে এক নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একদিকে যুদ্ধবিরতি, অন্যদিকে উভয় পক্ষের দর-কষাকষি—এই দুইয়ের মাঝে শেষ পর্যন্ত কি কোনো বাস্তবসম্মত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব?

এক্সপ্লেইনার
তেল একটি বৈশ্বিক পণ্য এবং এই প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ। এখানে বিঘ্ন ঘটলে সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব পড়ে। এর প্রমাণও ইতিমধ্যে দেখা গেছে, শুক্রবার প্রণালি খোলার ইঙ্গিত আসার পর বিশ্ববাজারে এক ব্যারেল তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

ইরান যুদ্ধ ঘিরে বৈশ্বিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য বৈঠকের আলোচনার মধ্যেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

হিজবুল্লাহর সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির কয়েকদিন পর দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের অবস্থান নিয়ে প্রথমবারের মতো একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে লেবাননের অভ্যন্তরে ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন মোতায়েন রেখা দেখানো হয়েছে, যা ইতোমধ্যে বহু গ্রামকে তাদের নিয়ন্ত্রণের আওতায় নিয়ে এসেছে।

ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনা ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের কঠোর বক্তব্য সত্ত্বেও সব লক্ষণই ইঙ্গিত করছে, শিগগিরই নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।

এক্সপ্লেইনার
হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়লেও, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে আস্থা পুনরুদ্ধার এখনও অনেক দূরের বিষয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

হরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে গুলিবর্ষণের ঘটনার জেরে ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ভারত। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নয়াদিল্লি গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চেয়েছে।
