যুদ্ধবিরতি কার্যকরে ‘সম্মতি দিয়েই’ লেবাননে হামলা ইসরায়েলের

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে ‘সম্মতি দিয়েই’ লেবাননে হামলা ইসরায়েলের
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের জেফতা-কফারওয়া সড়কে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দফা বৈঠকের পর ইসরায়েল ও লেবানন ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়। এতে লেবাননের ভেতরে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠনের কথা বল হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এসব এলাকায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকবে।
চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দেবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সকল অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে অঞ্চলগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণাটি এলো। লেবানন জানিয়েছিল, এই চুক্তি অনুযায়ী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।
আগামী ২২ জুন আবারও বৈঠকে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে।
তবে এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের জেফতা-কফারওয়া সড়কে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দফা বৈঠকের পর ইসরায়েল ও লেবানন ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়। এতে লেবাননের ভেতরে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠনের কথা বল হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এসব এলাকায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকবে।
চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দেবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সকল অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে অঞ্চলগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণাটি এলো। লেবানন জানিয়েছিল, এই চুক্তি অনুযায়ী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।
আগামী ২২ জুন আবারও বৈঠকে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে।
তবে এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে ‘সম্মতি দিয়েই’ লেবাননে হামলা ইসরায়েলের
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের জেফতা-কফারওয়া সড়কে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দফা বৈঠকের পর ইসরায়েল ও লেবানন ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়। এতে লেবাননের ভেতরে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠনের কথা বল হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এসব এলাকায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকবে।
চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দেবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সকল অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে অঞ্চলগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণাটি এলো। লেবানন জানিয়েছিল, এই চুক্তি অনুযায়ী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।
আগামী ২২ জুন আবারও বৈঠকে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে।
তবে এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন

