কৃষকদল নেতার মারধরে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, আটক ১

কৃষকদল নেতার মারধরে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, আটক ১
পাবনা প্রতিনিধি

প্রশাসনকে তথ্য দেওয়ার সন্দেহে পাবনার চাটমোহরে ভেজাল দুধ কারবারিদের মারধরে আহত হাশেম প্রামানিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (৫ জুন) চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে হাশেম প্রামাণিকের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের নটাবাড়িয়া গ্রামের মৃত নুর আলী প্রামাণিকের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে, মারধরের ঘটনার বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের হলে অভিযান চালিয়ে শাহীন নামের এজাহার নামীয় এক আসামিকে আটক করে পুলিশ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই চাটমোহর উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছেন ইউনিয়ন কৃষকদলের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন। এ কাজে পুলিশকে ম্যানেজ করে এবং দলীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ভেজাল দুধ বিভিন্ন দুগ্ধ শীতলী করণ কেন্দ্রে বিক্রি করতেন কৃষকদল নেতা আব্দুল মোমিন। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার কারখানায় অভিযান উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল, ভেজাল দুধ ও দুধ তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় আব্দুল মোমিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার হন আব্দুল মোমিন।
কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আবারও ভেজাল দুধের কারবার শুরু করে আব্দুল মোমিন। দ্বিতীয় দফায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল ও ভেজাল দুধ জব্দ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী। এ ঘটনায় আব্দুল মোমিন ও তার বাবাসহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়। এরপর পুলিশ আব্দুল মোমিনের বাবাকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে তথ্য দেওয়ার সন্দেহে নিহত হাশেম প্রামানিকসহ কয়েকজনকে গত ২৯ মে আব্দুল মোমিন ও তার লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহতাবস্থায় হাশেম প্রামানিককে প্রথমে পাবনা ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মারা যান হাশেম প্রামানিক।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় মৃত হাশেম প্রামাণিকের ভাগ্নে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় আসামি শাহীনকে আটক করা হয়েছে। পরে আজ (শুক্রবার) সকালে আটক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

প্রশাসনকে তথ্য দেওয়ার সন্দেহে পাবনার চাটমোহরে ভেজাল দুধ কারবারিদের মারধরে আহত হাশেম প্রামানিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (৫ জুন) চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে হাশেম প্রামাণিকের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের নটাবাড়িয়া গ্রামের মৃত নুর আলী প্রামাণিকের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে, মারধরের ঘটনার বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের হলে অভিযান চালিয়ে শাহীন নামের এজাহার নামীয় এক আসামিকে আটক করে পুলিশ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই চাটমোহর উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছেন ইউনিয়ন কৃষকদলের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন। এ কাজে পুলিশকে ম্যানেজ করে এবং দলীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ভেজাল দুধ বিভিন্ন দুগ্ধ শীতলী করণ কেন্দ্রে বিক্রি করতেন কৃষকদল নেতা আব্দুল মোমিন। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার কারখানায় অভিযান উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল, ভেজাল দুধ ও দুধ তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় আব্দুল মোমিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার হন আব্দুল মোমিন।
কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আবারও ভেজাল দুধের কারবার শুরু করে আব্দুল মোমিন। দ্বিতীয় দফায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল ও ভেজাল দুধ জব্দ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী। এ ঘটনায় আব্দুল মোমিন ও তার বাবাসহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়। এরপর পুলিশ আব্দুল মোমিনের বাবাকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে তথ্য দেওয়ার সন্দেহে নিহত হাশেম প্রামানিকসহ কয়েকজনকে গত ২৯ মে আব্দুল মোমিন ও তার লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহতাবস্থায় হাশেম প্রামানিককে প্রথমে পাবনা ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মারা যান হাশেম প্রামানিক।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় মৃত হাশেম প্রামাণিকের ভাগ্নে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় আসামি শাহীনকে আটক করা হয়েছে। পরে আজ (শুক্রবার) সকালে আটক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

কৃষকদল নেতার মারধরে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, আটক ১
পাবনা প্রতিনিধি

প্রশাসনকে তথ্য দেওয়ার সন্দেহে পাবনার চাটমোহরে ভেজাল দুধ কারবারিদের মারধরে আহত হাশেম প্রামানিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (৫ জুন) চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে হাশেম প্রামাণিকের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের নটাবাড়িয়া গ্রামের মৃত নুর আলী প্রামাণিকের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে, মারধরের ঘটনার বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের হলে অভিযান চালিয়ে শাহীন নামের এজাহার নামীয় এক আসামিকে আটক করে পুলিশ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই চাটমোহর উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছেন ইউনিয়ন কৃষকদলের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন। এ কাজে পুলিশকে ম্যানেজ করে এবং দলীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ভেজাল দুধ বিভিন্ন দুগ্ধ শীতলী করণ কেন্দ্রে বিক্রি করতেন কৃষকদল নেতা আব্দুল মোমিন। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার কারখানায় অভিযান উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল, ভেজাল দুধ ও দুধ তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় আব্দুল মোমিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার হন আব্দুল মোমিন।
কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আবারও ভেজাল দুধের কারবার শুরু করে আব্দুল মোমিন। দ্বিতীয় দফায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল ও ভেজাল দুধ জব্দ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী। এ ঘটনায় আব্দুল মোমিন ও তার বাবাসহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়। এরপর পুলিশ আব্দুল মোমিনের বাবাকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে তথ্য দেওয়ার সন্দেহে নিহত হাশেম প্রামানিকসহ কয়েকজনকে গত ২৯ মে আব্দুল মোমিন ও তার লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহতাবস্থায় হাশেম প্রামানিককে প্রথমে পাবনা ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মারা যান হাশেম প্রামানিক।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় মৃত হাশেম প্রামাণিকের ভাগ্নে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় আসামি শাহীনকে আটক করা হয়েছে। পরে আজ (শুক্রবার) সকালে আটক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

পাওনা টাকা চাওয়ায় মারধর, প্রাণ গেলো শ্রমিকের


