অগ্নিকাণ্ডে ১০৫ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন পুড়ে ছাই

অগ্নিকাণ্ডে ১০৫ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন পুড়ে ছাই
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০৫ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন পুরে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ভূরুঙ্গামারী বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মোজাম্মেল, সাইফুর, আসাদ ও মঞ্জু জানান, আমরা বাজারে গরু জবাই করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ কাপড় পট্টির একটি দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। দ্রুত আমরা সেখানে যাই। কয়েকটি দোকান থেকে কিছু মালামাল বের করি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই গোটা মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে লোকজন নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেড় ঘন্টার মধ্যে মাকের্টের ৮৫টি কাপড়ের দোকান, জাকের পার্টির উপজেলা কার্যালয়, ১৫টি ফল দোকান, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান ও পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ নার্সারী পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী টুটুল, আবুল বাশার আলিম হোসেন, মিলন ও সাইফুর জানান , খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখি আসবাবপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে সব হারিয়ে আমরা এখন নিঃস্ব।
নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খলিলুর রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছাই। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর বলা যাবে।
ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া জানান, এখানে যারা ব্যবসায়ী তারা সবাই ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তিনি পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানিয়েছেন, দুইটি মার্কেটের ১০৫টি দোকান পুড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বসানের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০৫ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন পুরে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ভূরুঙ্গামারী বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মোজাম্মেল, সাইফুর, আসাদ ও মঞ্জু জানান, আমরা বাজারে গরু জবাই করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ কাপড় পট্টির একটি দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। দ্রুত আমরা সেখানে যাই। কয়েকটি দোকান থেকে কিছু মালামাল বের করি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই গোটা মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে লোকজন নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেড় ঘন্টার মধ্যে মাকের্টের ৮৫টি কাপড়ের দোকান, জাকের পার্টির উপজেলা কার্যালয়, ১৫টি ফল দোকান, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান ও পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ নার্সারী পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী টুটুল, আবুল বাশার আলিম হোসেন, মিলন ও সাইফুর জানান , খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখি আসবাবপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে সব হারিয়ে আমরা এখন নিঃস্ব।
নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খলিলুর রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছাই। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর বলা যাবে।
ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া জানান, এখানে যারা ব্যবসায়ী তারা সবাই ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তিনি পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানিয়েছেন, দুইটি মার্কেটের ১০৫টি দোকান পুড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বসানের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ১০৫ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন পুড়ে ছাই
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০৫ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন পুরে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ভূরুঙ্গামারী বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মোজাম্মেল, সাইফুর, আসাদ ও মঞ্জু জানান, আমরা বাজারে গরু জবাই করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ কাপড় পট্টির একটি দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। দ্রুত আমরা সেখানে যাই। কয়েকটি দোকান থেকে কিছু মালামাল বের করি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই গোটা মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে লোকজন নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেড় ঘন্টার মধ্যে মাকের্টের ৮৫টি কাপড়ের দোকান, জাকের পার্টির উপজেলা কার্যালয়, ১৫টি ফল দোকান, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান ও পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ নার্সারী পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী টুটুল, আবুল বাশার আলিম হোসেন, মিলন ও সাইফুর জানান , খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখি আসবাবপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে সব হারিয়ে আমরা এখন নিঃস্ব।
নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খলিলুর রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছাই। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর বলা যাবে।
ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া জানান, এখানে যারা ব্যবসায়ী তারা সবাই ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তিনি পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানিয়েছেন, দুইটি মার্কেটের ১০৫টি দোকান পুড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বসানের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।




