কুয়েত-বাহরাইনে হামলার বিষয়ে যা বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কুয়েত-বাহরাইনে হামলার বিষয়ে যা বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। হরমুজ প্রণালির কাছে কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। বুধবার (৩ জুন) ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে একটি জাহাজে তেহরান ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে।
বেসামরিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করতে যুক্তরাষ্ট্র যে সমস্ত ঘাঁটি ব্যবহার করছে, সেগুলোকে লক্ষ্য করেই এই জোড়া হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি ইরানের।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক এবং নিষ্পত্তিমূলক জবাব দেওয়া হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, নিষেধাজ্ঞা এবং যুদ্ধ চাপিয়ে যা অর্জন করা সম্ভব হয়নি, তা আরও বড় যুদ্ধ বাধিয়ে কখনোই জেতা যাবে না।
এক্সে নিজের বিবৃতির সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপও শেয়ার করেন আরাঘছি, যেখানে রুবিওকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের সহযোগিতার প্রশংসা করতে দেখা গেছে।
ইরান জানিয়েছে, তাদের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের দিকে অগ্রসর হওয়া বতসোয়ানার পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাঙ্কারে মার্কিন সামরিক বাহিনী হেলফায়ার মিসাইল ছুড়ে সেটিকে অচল করে দেয়। এই ঘটনার পরই বুধবার ভোরে তেহরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে আত্মরক্ষামূলক পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে। সেইসঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি আলোচনাকে শঙ্কার মুখে ফেলেছে।
সূত্র: সিএনএন

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। হরমুজ প্রণালির কাছে কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। বুধবার (৩ জুন) ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে একটি জাহাজে তেহরান ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে।
বেসামরিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করতে যুক্তরাষ্ট্র যে সমস্ত ঘাঁটি ব্যবহার করছে, সেগুলোকে লক্ষ্য করেই এই জোড়া হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি ইরানের।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক এবং নিষ্পত্তিমূলক জবাব দেওয়া হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, নিষেধাজ্ঞা এবং যুদ্ধ চাপিয়ে যা অর্জন করা সম্ভব হয়নি, তা আরও বড় যুদ্ধ বাধিয়ে কখনোই জেতা যাবে না।
এক্সে নিজের বিবৃতির সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপও শেয়ার করেন আরাঘছি, যেখানে রুবিওকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের সহযোগিতার প্রশংসা করতে দেখা গেছে।
ইরান জানিয়েছে, তাদের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের দিকে অগ্রসর হওয়া বতসোয়ানার পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাঙ্কারে মার্কিন সামরিক বাহিনী হেলফায়ার মিসাইল ছুড়ে সেটিকে অচল করে দেয়। এই ঘটনার পরই বুধবার ভোরে তেহরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে আত্মরক্ষামূলক পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে। সেইসঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি আলোচনাকে শঙ্কার মুখে ফেলেছে।
সূত্র: সিএনএন

কুয়েত-বাহরাইনে হামলার বিষয়ে যা বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। হরমুজ প্রণালির কাছে কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। বুধবার (৩ জুন) ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে একটি জাহাজে তেহরান ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে।
বেসামরিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করতে যুক্তরাষ্ট্র যে সমস্ত ঘাঁটি ব্যবহার করছে, সেগুলোকে লক্ষ্য করেই এই জোড়া হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি ইরানের।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক এবং নিষ্পত্তিমূলক জবাব দেওয়া হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, নিষেধাজ্ঞা এবং যুদ্ধ চাপিয়ে যা অর্জন করা সম্ভব হয়নি, তা আরও বড় যুদ্ধ বাধিয়ে কখনোই জেতা যাবে না।
এক্সে নিজের বিবৃতির সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপও শেয়ার করেন আরাঘছি, যেখানে রুবিওকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের সহযোগিতার প্রশংসা করতে দেখা গেছে।
ইরান জানিয়েছে, তাদের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের দিকে অগ্রসর হওয়া বতসোয়ানার পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাঙ্কারে মার্কিন সামরিক বাহিনী হেলফায়ার মিসাইল ছুড়ে সেটিকে অচল করে দেয়। এই ঘটনার পরই বুধবার ভোরে তেহরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছে আত্মরক্ষামূলক পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে। সেইসঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি আলোচনাকে শঙ্কার মুখে ফেলেছে।
সূত্র: সিএনএন

মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘আমৃত্যু’ লড়াই চলবে: ইরানের সশস্ত্র বাহিনী


