জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের মতো শক্তিশালী মাধ্যম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’-এর সমাপনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দিবসের এই আয়োজনকে কেবল প্রথম আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতি বছর আরও পরিকল্পিতভাবে করা উচিত।
প্রতিটি ফিল্ম প্রোডাক্ট ও কন্টেন্ট মানসম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এগুলোকে শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই নয়, এর বাইরেও সর্বোচ্চ প্রচারের আওতায় আনতে হবে। যারা এখনো পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অসচেতন, তাদের চিন্তার খোরাক জোগাতে এই শর্ট ফিল্ম ও কন্টেন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে চলচ্চিত্র অনুদান প্রক্রিয়া ও নীতিমালা রয়েছে, সেখানে আপনাদের এই উদ্যোগগুলো কীভাবে সংযুক্ত হতে পারে, তা আপনারা নিজেরা একটু খুঁজে দেখবেন। আমরা নীতিমালার আলোকে পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।
তিনি বলেন, আপনাদের এই যাত্রাটা যতই সীমিত পরিসরে হোক না কেন, এর প্রভাব কিন্তু বৈশ্বিক। ফলে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা মন ও সক্রিয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাথা উঁচু করে আপনাদের এই কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশী-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক তরুণ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের মতো শক্তিশালী মাধ্যম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’-এর সমাপনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দিবসের এই আয়োজনকে কেবল প্রথম আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতি বছর আরও পরিকল্পিতভাবে করা উচিত।
প্রতিটি ফিল্ম প্রোডাক্ট ও কন্টেন্ট মানসম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এগুলোকে শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই নয়, এর বাইরেও সর্বোচ্চ প্রচারের আওতায় আনতে হবে। যারা এখনো পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অসচেতন, তাদের চিন্তার খোরাক জোগাতে এই শর্ট ফিল্ম ও কন্টেন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে চলচ্চিত্র অনুদান প্রক্রিয়া ও নীতিমালা রয়েছে, সেখানে আপনাদের এই উদ্যোগগুলো কীভাবে সংযুক্ত হতে পারে, তা আপনারা নিজেরা একটু খুঁজে দেখবেন। আমরা নীতিমালার আলোকে পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।
তিনি বলেন, আপনাদের এই যাত্রাটা যতই সীমিত পরিসরে হোক না কেন, এর প্রভাব কিন্তু বৈশ্বিক। ফলে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা মন ও সক্রিয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাথা উঁচু করে আপনাদের এই কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশী-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক তরুণ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের মতো শক্তিশালী মাধ্যম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’-এর সমাপনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দিবসের এই আয়োজনকে কেবল প্রথম আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতি বছর আরও পরিকল্পিতভাবে করা উচিত।
প্রতিটি ফিল্ম প্রোডাক্ট ও কন্টেন্ট মানসম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এগুলোকে শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই নয়, এর বাইরেও সর্বোচ্চ প্রচারের আওতায় আনতে হবে। যারা এখনো পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অসচেতন, তাদের চিন্তার খোরাক জোগাতে এই শর্ট ফিল্ম ও কন্টেন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে চলচ্চিত্র অনুদান প্রক্রিয়া ও নীতিমালা রয়েছে, সেখানে আপনাদের এই উদ্যোগগুলো কীভাবে সংযুক্ত হতে পারে, তা আপনারা নিজেরা একটু খুঁজে দেখবেন। আমরা নীতিমালার আলোকে পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।
তিনি বলেন, আপনাদের এই যাত্রাটা যতই সীমিত পরিসরে হোক না কেন, এর প্রভাব কিন্তু বৈশ্বিক। ফলে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা মন ও সক্রিয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাথা উঁচু করে আপনাদের এই কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশী-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক তরুণ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব বাংলাদেশের

