বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি, সহায়তা কম
বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি, সহায়তা কম
সরকার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ ও নগদ টাকা বিতরণ করছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ত্রাণ ও নগদ টাকার পরিমাণ খুব কম। এতে বন্যাদুর্গতরা অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।


আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের ৯ জেলায় বন্যার শঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের স্রোতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় একটি ব্রিজ নদীতে ভেসে গেছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ৫ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

খাগড়াছড়ি জেলার অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা এখনো ফেরেনি। অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা নেই তবে নদীসংলগ্ন কিছু নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
সরকার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ ও নগদ টাকা বিতরণ করছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ত্রাণ ও নগদ টাকার পরিমাণ খুব কম। এতে বন্যাদুর্গতরা অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ৭ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আয়োজকরা জানান, বর্ষার নানা রূপ ও আবহকে কেন্দ্র করে পরিবেশিত নৃত্য পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি এ অনুষ্ঠান থেকে সাম্প্রতিক পার্বত্য চট্টগ্রামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় তহবিলও সংগ্রহ করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, বান্দরবানে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও গাইবান্ধা জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বন্যা পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস এ ঘোষণা দেন।

দেশের সাত জেলায় বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও এখন নতুন করে তীব্র রূপ নিচ্ছে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন। এছাড়া কক্সবাজারে একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সমন্বয় করে মোকাবিলা করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

বছর না ঘুরতেই আবারও ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে দেশ। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট ও হবিগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় আকস্মিক প্লাবন ও পাহাড় ধসে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। প্রাকৃতিক এ দুর্যোগে ইতোমধ্যে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন এবং প্রাণহানির সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়ে গেছে।

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) চলতি সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে ক্লাস চালু থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীদের।

সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বাড়তে থাকায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। এদিকে বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমতে থাকায় সেখানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

বছর না ঘুরতেই আবারও ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে দেশ। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট ও হবিগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় আকস্মিক প্লাবন ও পাহাড় ধসে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে।

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানিতে চট্টগ্রামে বিভাগে ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৭টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি মারা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার...

পাকিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই সংকটকালীন সময়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি পাকিস্তানের অবিচল সংহতি প্রকাশ করেন।
