ঢামেকে রোগীর প্রতি বেলা খাবারে বরাদ্দ গড়ে ৩৭ টাকা

ঢামেকে রোগীর প্রতি বেলা খাবারে বরাদ্দ গড়ে ৩৭ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে একজন রোগীর চার বেলা খাবারের জন্য ভ্যাট বাদে কার্যকর বরাদ্দ ১৪৮ টাকা ৭৫ পয়সা। অর্থাৎ এক বেলার খাবারের পেছনে গড়ে ব্যয় করার সুযোগ থাকে মাত্র ৩৭ টাকা ১৯ পয়সা। এই সীমিত অর্থে দেওয়া খাবারের মান ও পুষ্টিগুণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। বিশেষ করে দুপুর ও রাতের খাবার নিয়ে অভিযোগ বেশি। খাবার খেতে না পেরে অনেকেই বাড়তি টাকা খরচ করে বাইরে থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন।
ঢামেক হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখা যায়, দুপুরের খাবার হাতে পাওয়ার পর অনেক রোগী ও স্বজন খাবারের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাদের অভিযোগ, খাবারে বৈচিত্র্য কম, পুষ্টিগুণও প্রত্যাশিত নয়। সবচেয়ে বেশি আপত্তি তরকারি নিয়ে।
হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী, চার বেলার খাবারের জন্য বরাদ্দের মধ্যে সকালের নাস্তায় ৫৩ দশমিক ৬৭ টাকা, দুপুরে ৫২ দশমিক ৭৯ টাকা, বিকালের নাস্তায় ৩০ দশমিক ৮৭ টাকা এবং রাতে ৩৭ দশমিক ৬৭ টাকা ব্যয়ের হিসাব রয়েছে। সব মিলিয়ে বরাদ্দ ১৭৫ টাকা। তবে এ অর্থের মধ্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাদ দেওয়ার পর রোগীর খাবারের জন্য কার্যকর বরাদ্দ দাঁড়ায় প্রায় ১৪৯ টাকা। এর সঙ্গে ঠিকাদারের মুনাফা ও অন্যান্য ব্যয় ধরলে রোগীর খাবারের পেছনে প্রকৃত ব্যয় আরও কমে যায়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মহামারির সময় রোগীদের খাবারের বরাদ্দ ১২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা করা হয়। সে সময় খাবারে আমিষের পরিমাণও তুলনামূলক বেশি ছিল। তখন প্রায় ৫৩ থেকে ৬৫ গ্রাম পর্যন্ত আমিষ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে তা কমে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ গ্রামে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোগীর স্বজনরা বলছেন, হাসপাতালে তরকারির মান একদম ভালো নয়। যা দেয় তা খাওয়ার মতো না। তরকারি দেখলে মনে হয় কোনোরকম হলুদ আর লবণ মিশিয়ে রান্না করে নিয়ে এসেছে। তাই হাসপাতাল থেকে ভাত খেলেও বাইরে থেকে তরকারি আনতে হয়। এতে বাড়তি খরচ হয়। ফলে চিকিৎসা ব্যয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসাধীন রোগীর জন্য খাবার শুধু ক্ষুধা মেটানোর বিষয় নয়; সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী খাবারের পুষ্টিমান নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন বলেন, রোগীর চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টিও নিশ্চিত করা জরুরি। রোগীর শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা উচিত। সব রোগীর জন্য একই ধরনের খাবার দিলে সবার পুষ্টির প্রয়োজন পূরণ নাও হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বাজারদর বৃদ্ধি ও আনুষঙ্গিক কারণে খাবারের মান নিয়ে মাঝে মাঝে অভিযোগ আসে। ১৭৫ টাকা থেকে ভ্যাট বাদে খাবারের জন্য থাকে প্রায় ১৪৯ টাকা। ঠিকাদারের লাভ ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে প্রকৃত ব্যয় আরও কমে যায়। তবে আমরা খাবারের মান বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এজন্য বরাদ্দ বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, আগে থাকা পুষ্টিবিদের অন্যত্র পোস্টিং ও মামলা চলমান থাকায় পদটি শূন্য রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে হাসপাতালে পুষ্টিবিদের সংখ্যা বাড়িয়ে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে একজন রোগীর চার বেলা খাবারের জন্য ভ্যাট বাদে কার্যকর বরাদ্দ ১৪৮ টাকা ৭৫ পয়সা। অর্থাৎ এক বেলার খাবারের পেছনে গড়ে ব্যয় করার সুযোগ থাকে মাত্র ৩৭ টাকা ১৯ পয়সা। এই সীমিত অর্থে দেওয়া খাবারের মান ও পুষ্টিগুণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। বিশেষ করে দুপুর ও রাতের খাবার নিয়ে অভিযোগ বেশি। খাবার খেতে না পেরে অনেকেই বাড়তি টাকা খরচ করে বাইরে থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন।
ঢামেক হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখা যায়, দুপুরের খাবার হাতে পাওয়ার পর অনেক রোগী ও স্বজন খাবারের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাদের অভিযোগ, খাবারে বৈচিত্র্য কম, পুষ্টিগুণও প্রত্যাশিত নয়। সবচেয়ে বেশি আপত্তি তরকারি নিয়ে।
হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী, চার বেলার খাবারের জন্য বরাদ্দের মধ্যে সকালের নাস্তায় ৫৩ দশমিক ৬৭ টাকা, দুপুরে ৫২ দশমিক ৭৯ টাকা, বিকালের নাস্তায় ৩০ দশমিক ৮৭ টাকা এবং রাতে ৩৭ দশমিক ৬৭ টাকা ব্যয়ের হিসাব রয়েছে। সব মিলিয়ে বরাদ্দ ১৭৫ টাকা। তবে এ অর্থের মধ্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাদ দেওয়ার পর রোগীর খাবারের জন্য কার্যকর বরাদ্দ দাঁড়ায় প্রায় ১৪৯ টাকা। এর সঙ্গে ঠিকাদারের মুনাফা ও অন্যান্য ব্যয় ধরলে রোগীর খাবারের পেছনে প্রকৃত ব্যয় আরও কমে যায়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মহামারির সময় রোগীদের খাবারের বরাদ্দ ১২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা করা হয়। সে সময় খাবারে আমিষের পরিমাণও তুলনামূলক বেশি ছিল। তখন প্রায় ৫৩ থেকে ৬৫ গ্রাম পর্যন্ত আমিষ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে তা কমে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ গ্রামে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোগীর স্বজনরা বলছেন, হাসপাতালে তরকারির মান একদম ভালো নয়। যা দেয় তা খাওয়ার মতো না। তরকারি দেখলে মনে হয় কোনোরকম হলুদ আর লবণ মিশিয়ে রান্না করে নিয়ে এসেছে। তাই হাসপাতাল থেকে ভাত খেলেও বাইরে থেকে তরকারি আনতে হয়। এতে বাড়তি খরচ হয়। ফলে চিকিৎসা ব্যয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসাধীন রোগীর জন্য খাবার শুধু ক্ষুধা মেটানোর বিষয় নয়; সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী খাবারের পুষ্টিমান নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন বলেন, রোগীর চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টিও নিশ্চিত করা জরুরি। রোগীর শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা উচিত। সব রোগীর জন্য একই ধরনের খাবার দিলে সবার পুষ্টির প্রয়োজন পূরণ নাও হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বাজারদর বৃদ্ধি ও আনুষঙ্গিক কারণে খাবারের মান নিয়ে মাঝে মাঝে অভিযোগ আসে। ১৭৫ টাকা থেকে ভ্যাট বাদে খাবারের জন্য থাকে প্রায় ১৪৯ টাকা। ঠিকাদারের লাভ ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে প্রকৃত ব্যয় আরও কমে যায়। তবে আমরা খাবারের মান বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এজন্য বরাদ্দ বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, আগে থাকা পুষ্টিবিদের অন্যত্র পোস্টিং ও মামলা চলমান থাকায় পদটি শূন্য রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে হাসপাতালে পুষ্টিবিদের সংখ্যা বাড়িয়ে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ঢামেকে রোগীর প্রতি বেলা খাবারে বরাদ্দ গড়ে ৩৭ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে একজন রোগীর চার বেলা খাবারের জন্য ভ্যাট বাদে কার্যকর বরাদ্দ ১৪৮ টাকা ৭৫ পয়সা। অর্থাৎ এক বেলার খাবারের পেছনে গড়ে ব্যয় করার সুযোগ থাকে মাত্র ৩৭ টাকা ১৯ পয়সা। এই সীমিত অর্থে দেওয়া খাবারের মান ও পুষ্টিগুণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। বিশেষ করে দুপুর ও রাতের খাবার নিয়ে অভিযোগ বেশি। খাবার খেতে না পেরে অনেকেই বাড়তি টাকা খরচ করে বাইরে থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন।
ঢামেক হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখা যায়, দুপুরের খাবার হাতে পাওয়ার পর অনেক রোগী ও স্বজন খাবারের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাদের অভিযোগ, খাবারে বৈচিত্র্য কম, পুষ্টিগুণও প্রত্যাশিত নয়। সবচেয়ে বেশি আপত্তি তরকারি নিয়ে।
হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী, চার বেলার খাবারের জন্য বরাদ্দের মধ্যে সকালের নাস্তায় ৫৩ দশমিক ৬৭ টাকা, দুপুরে ৫২ দশমিক ৭৯ টাকা, বিকালের নাস্তায় ৩০ দশমিক ৮৭ টাকা এবং রাতে ৩৭ দশমিক ৬৭ টাকা ব্যয়ের হিসাব রয়েছে। সব মিলিয়ে বরাদ্দ ১৭৫ টাকা। তবে এ অর্থের মধ্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাদ দেওয়ার পর রোগীর খাবারের জন্য কার্যকর বরাদ্দ দাঁড়ায় প্রায় ১৪৯ টাকা। এর সঙ্গে ঠিকাদারের মুনাফা ও অন্যান্য ব্যয় ধরলে রোগীর খাবারের পেছনে প্রকৃত ব্যয় আরও কমে যায়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মহামারির সময় রোগীদের খাবারের বরাদ্দ ১২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা করা হয়। সে সময় খাবারে আমিষের পরিমাণও তুলনামূলক বেশি ছিল। তখন প্রায় ৫৩ থেকে ৬৫ গ্রাম পর্যন্ত আমিষ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে তা কমে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ গ্রামে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোগীর স্বজনরা বলছেন, হাসপাতালে তরকারির মান একদম ভালো নয়। যা দেয় তা খাওয়ার মতো না। তরকারি দেখলে মনে হয় কোনোরকম হলুদ আর লবণ মিশিয়ে রান্না করে নিয়ে এসেছে। তাই হাসপাতাল থেকে ভাত খেলেও বাইরে থেকে তরকারি আনতে হয়। এতে বাড়তি খরচ হয়। ফলে চিকিৎসা ব্যয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসাধীন রোগীর জন্য খাবার শুধু ক্ষুধা মেটানোর বিষয় নয়; সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী খাবারের পুষ্টিমান নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন বলেন, রোগীর চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টিও নিশ্চিত করা জরুরি। রোগীর শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা উচিত। সব রোগীর জন্য একই ধরনের খাবার দিলে সবার পুষ্টির প্রয়োজন পূরণ নাও হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বাজারদর বৃদ্ধি ও আনুষঙ্গিক কারণে খাবারের মান নিয়ে মাঝে মাঝে অভিযোগ আসে। ১৭৫ টাকা থেকে ভ্যাট বাদে খাবারের জন্য থাকে প্রায় ১৪৯ টাকা। ঠিকাদারের লাভ ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে প্রকৃত ব্যয় আরও কমে যায়। তবে আমরা খাবারের মান বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এজন্য বরাদ্দ বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, আগে থাকা পুষ্টিবিদের অন্যত্র পোস্টিং ও মামলা চলমান থাকায় পদটি শূন্য রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে হাসপাতালে পুষ্টিবিদের সংখ্যা বাড়িয়ে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

৯ কোটির সমীক্ষা বিফলে, বাস্তবায়ন হয়নি ঢামেকের ‘স্বপ্নস্বাক্ষর’ প্রকল্প







