‘আনন্দে যেন কান্না আসছে’, বললেন সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার এক কর্মীর স্ত্রী

‘আনন্দে যেন কান্না আসছে’, বললেন সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার এক কর্মীর স্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

‘গত ১০ দিন ধরে আমাদের ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া নেই। মনে অনেক শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এখন সবার এত আনন্দ হচ্ছে, যেন কান্না চলে আসছে।’ নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে কবির মহারাজন নামের এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার হওয়ার খবরে এভাবেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার স্ত্রী হিরাশোভা।
নেপালে হিমবাহধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ৯ দিন পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ত্রিশূলী ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের একজন কবির মহারাজন।
হিরাশোভা আরও বলেন, উদ্ধারের ছবি আমি ফেসবুকে দেখেছি। খুবই আনন্দ লাগছে। তাকে কাঠমান্ডুর সামরিক হাসপাতালে আনা হচ্ছে। আমি সেই হাসপাতালের দিকে যাচ্ছি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে হঠাৎ মানুষের অস্পষ্ট আওয়াজ পেয়ে উদ্ধারকারীরা চিৎকার করে বলেন, ‘ভয় পাবেন না, আমরা আপনাদের উদ্ধার করতে এসেছি।’ তার পরপরই সুড়ঙ্গের গভীর থেকে ক্ষীণ কণ্ঠে সাড়া আসে, ‘ঠিক আছে।’
সুড়ঙ্গ থেকে প্রথমে সঞ্জয় শাহকে উদ্ধার করা হয়। তিনি নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) একজন মেকানিক্যাল ফোরম্যান। এরপর উদ্ধার করা হয় কবির মহারাজনকে। তাদের হাত ও পায়ে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। সুড়ঙ্গের ভেতর কঠিন পরিস্থিতিতে সম্ভবত হামাগুড়ি দিয়ে পথ চলার কারণে এসব ক্ষত তৈরি হয়েছে।
এনইএ-র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানান, সঞ্জয় শাহকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে। তিনি এখনও কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। তাকে দ্রুত হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমে বাটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, কবির মহারাজন সুড়ঙ্গ থেকে বের হওয়ার সময় হাসিমুখে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সুড়ঙ্গের ভেতরে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বের করে আনতে উদ্ধারকর্মীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে বরফ, কাদা ও পাথরের বিধ্বংসী ঢল নামে। ওই দুর্যোগে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি।
সূত্র: বিবিসি

‘গত ১০ দিন ধরে আমাদের ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া নেই। মনে অনেক শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এখন সবার এত আনন্দ হচ্ছে, যেন কান্না চলে আসছে।’ নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে কবির মহারাজন নামের এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার হওয়ার খবরে এভাবেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার স্ত্রী হিরাশোভা।
নেপালে হিমবাহধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ৯ দিন পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ত্রিশূলী ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের একজন কবির মহারাজন।
হিরাশোভা আরও বলেন, উদ্ধারের ছবি আমি ফেসবুকে দেখেছি। খুবই আনন্দ লাগছে। তাকে কাঠমান্ডুর সামরিক হাসপাতালে আনা হচ্ছে। আমি সেই হাসপাতালের দিকে যাচ্ছি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে হঠাৎ মানুষের অস্পষ্ট আওয়াজ পেয়ে উদ্ধারকারীরা চিৎকার করে বলেন, ‘ভয় পাবেন না, আমরা আপনাদের উদ্ধার করতে এসেছি।’ তার পরপরই সুড়ঙ্গের গভীর থেকে ক্ষীণ কণ্ঠে সাড়া আসে, ‘ঠিক আছে।’
সুড়ঙ্গ থেকে প্রথমে সঞ্জয় শাহকে উদ্ধার করা হয়। তিনি নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) একজন মেকানিক্যাল ফোরম্যান। এরপর উদ্ধার করা হয় কবির মহারাজনকে। তাদের হাত ও পায়ে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। সুড়ঙ্গের ভেতর কঠিন পরিস্থিতিতে সম্ভবত হামাগুড়ি দিয়ে পথ চলার কারণে এসব ক্ষত তৈরি হয়েছে।
এনইএ-র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানান, সঞ্জয় শাহকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে। তিনি এখনও কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। তাকে দ্রুত হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমে বাটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, কবির মহারাজন সুড়ঙ্গ থেকে বের হওয়ার সময় হাসিমুখে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সুড়ঙ্গের ভেতরে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বের করে আনতে উদ্ধারকর্মীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে বরফ, কাদা ও পাথরের বিধ্বংসী ঢল নামে। ওই দুর্যোগে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি।
সূত্র: বিবিসি

‘আনন্দে যেন কান্না আসছে’, বললেন সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার এক কর্মীর স্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

‘গত ১০ দিন ধরে আমাদের ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া নেই। মনে অনেক শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এখন সবার এত আনন্দ হচ্ছে, যেন কান্না চলে আসছে।’ নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে কবির মহারাজন নামের এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার হওয়ার খবরে এভাবেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার স্ত্রী হিরাশোভা।
নেপালে হিমবাহধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ৯ দিন পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ত্রিশূলী ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের একজন কবির মহারাজন।
হিরাশোভা আরও বলেন, উদ্ধারের ছবি আমি ফেসবুকে দেখেছি। খুবই আনন্দ লাগছে। তাকে কাঠমান্ডুর সামরিক হাসপাতালে আনা হচ্ছে। আমি সেই হাসপাতালের দিকে যাচ্ছি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে হঠাৎ মানুষের অস্পষ্ট আওয়াজ পেয়ে উদ্ধারকারীরা চিৎকার করে বলেন, ‘ভয় পাবেন না, আমরা আপনাদের উদ্ধার করতে এসেছি।’ তার পরপরই সুড়ঙ্গের গভীর থেকে ক্ষীণ কণ্ঠে সাড়া আসে, ‘ঠিক আছে।’
সুড়ঙ্গ থেকে প্রথমে সঞ্জয় শাহকে উদ্ধার করা হয়। তিনি নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) একজন মেকানিক্যাল ফোরম্যান। এরপর উদ্ধার করা হয় কবির মহারাজনকে। তাদের হাত ও পায়ে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। সুড়ঙ্গের ভেতর কঠিন পরিস্থিতিতে সম্ভবত হামাগুড়ি দিয়ে পথ চলার কারণে এসব ক্ষত তৈরি হয়েছে।
এনইএ-র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানান, সঞ্জয় শাহকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে। তিনি এখনও কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। তাকে দ্রুত হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমে বাটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, কবির মহারাজন সুড়ঙ্গ থেকে বের হওয়ার সময় হাসিমুখে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সুড়ঙ্গের ভেতরে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বের করে আনতে উদ্ধারকর্মীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে বরফ, কাদা ও পাথরের বিধ্বংসী ঢল নামে। ওই দুর্যোগে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি।
সূত্র: বিবিসি

৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে ২ জন জীবিত উদ্ধার







