নেপালে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৯০৩, নিখোঁজ ৪২৪৭

নেপালে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৯০৩, নিখোঁজ ৪২৪৭
সিজেডএন ডেস্ক

হিমবাহঢল ও আকস্মিক বন্যায় নেপালে প্রাণহানির সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে সংবামাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আরও ৪ হাজার ২৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চলছে। ধ্বংসস্তূপ, কাদা ও দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ডের কারণে উদ্ধারকাজে নানা বাধার মুখে পড়ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল সরকার জানিয়েছে, আকস্মিক বন্যার পর ত্রিশুলি-৩এ সাইটসহ বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের ভেতরে শত শত মানুষ আটকা পড়েছে। তাদের উদ্ধারের জন্য একটি গর্ত তৈরি করা হয়েছে। এর ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে নিখোঁজদের সন্ধান শুরু করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত কারও সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে নেপালে উদ্ধার অভিযানে ভারতও সমর্থন বাড়িয়েছে। কাঠমান্ডুতে ১৯ সদস্যের একটি বিশেষ ফরেনসিক দল ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণ ও ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার কাজ শুরু করেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে অন্তত ২৭৫ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪০৩ জন ভারতীয় নাগরিক চীন থেকে নেপালে প্রবেশ করেছেন এবং আরও ৫০০ জন চীনে নিরাপদে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট ১৪৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে হিমালয়ের অপর পাশে চীনের তিব্বত অঞ্চলেও ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছেছে, যা আগে ছিল ৭ জন। তবে তথ্য প্রবাহের ওপর কঠোর সরকারি নিয়ন্ত্রণের কারণে তিব্বতের ভেতরের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও মাঠপর্যায়ের চিত্র স্পষ্ট জানা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বতে এখনো ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ নিখোঁজদের তালিকায় ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন ব্রিটিশ। এর বাইরে নেপালি কর্তৃপক্ষও তাদের দিক থেকে ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক নিখোঁজ থাকার কথা জানিয়েছে। তবে সীমান্ত পারাপারের পথে থাকা এসব নিখোঁজদের মধ্যে কতজন উভয় দেশের তালিকায় সাধারণ বা একই ব্যক্তি, সে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়।
সূত্র: বিবিসি

হিমবাহঢল ও আকস্মিক বন্যায় নেপালে প্রাণহানির সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে সংবামাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আরও ৪ হাজার ২৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চলছে। ধ্বংসস্তূপ, কাদা ও দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ডের কারণে উদ্ধারকাজে নানা বাধার মুখে পড়ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল সরকার জানিয়েছে, আকস্মিক বন্যার পর ত্রিশুলি-৩এ সাইটসহ বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের ভেতরে শত শত মানুষ আটকা পড়েছে। তাদের উদ্ধারের জন্য একটি গর্ত তৈরি করা হয়েছে। এর ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে নিখোঁজদের সন্ধান শুরু করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত কারও সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে নেপালে উদ্ধার অভিযানে ভারতও সমর্থন বাড়িয়েছে। কাঠমান্ডুতে ১৯ সদস্যের একটি বিশেষ ফরেনসিক দল ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণ ও ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার কাজ শুরু করেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে অন্তত ২৭৫ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪০৩ জন ভারতীয় নাগরিক চীন থেকে নেপালে প্রবেশ করেছেন এবং আরও ৫০০ জন চীনে নিরাপদে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট ১৪৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে হিমালয়ের অপর পাশে চীনের তিব্বত অঞ্চলেও ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছেছে, যা আগে ছিল ৭ জন। তবে তথ্য প্রবাহের ওপর কঠোর সরকারি নিয়ন্ত্রণের কারণে তিব্বতের ভেতরের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও মাঠপর্যায়ের চিত্র স্পষ্ট জানা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বতে এখনো ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ নিখোঁজদের তালিকায় ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন ব্রিটিশ। এর বাইরে নেপালি কর্তৃপক্ষও তাদের দিক থেকে ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক নিখোঁজ থাকার কথা জানিয়েছে। তবে সীমান্ত পারাপারের পথে থাকা এসব নিখোঁজদের মধ্যে কতজন উভয় দেশের তালিকায় সাধারণ বা একই ব্যক্তি, সে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়।
সূত্র: বিবিসি

নেপালে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৯০৩, নিখোঁজ ৪২৪৭
সিজেডএন ডেস্ক

হিমবাহঢল ও আকস্মিক বন্যায় নেপালে প্রাণহানির সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে সংবামাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আরও ৪ হাজার ২৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চলছে। ধ্বংসস্তূপ, কাদা ও দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ডের কারণে উদ্ধারকাজে নানা বাধার মুখে পড়ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল সরকার জানিয়েছে, আকস্মিক বন্যার পর ত্রিশুলি-৩এ সাইটসহ বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের ভেতরে শত শত মানুষ আটকা পড়েছে। তাদের উদ্ধারের জন্য একটি গর্ত তৈরি করা হয়েছে। এর ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে নিখোঁজদের সন্ধান শুরু করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত কারও সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে নেপালে উদ্ধার অভিযানে ভারতও সমর্থন বাড়িয়েছে। কাঠমান্ডুতে ১৯ সদস্যের একটি বিশেষ ফরেনসিক দল ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণ ও ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার কাজ শুরু করেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে অন্তত ২৭৫ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪০৩ জন ভারতীয় নাগরিক চীন থেকে নেপালে প্রবেশ করেছেন এবং আরও ৫০০ জন চীনে নিরাপদে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট ১৪৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে হিমালয়ের অপর পাশে চীনের তিব্বত অঞ্চলেও ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছেছে, যা আগে ছিল ৭ জন। তবে তথ্য প্রবাহের ওপর কঠোর সরকারি নিয়ন্ত্রণের কারণে তিব্বতের ভেতরের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও মাঠপর্যায়ের চিত্র স্পষ্ট জানা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বতে এখনো ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ নিখোঁজদের তালিকায় ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন ব্রিটিশ। এর বাইরে নেপালি কর্তৃপক্ষও তাদের দিক থেকে ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক নিখোঁজ থাকার কথা জানিয়েছে। তবে সীমান্ত পারাপারের পথে থাকা এসব নিখোঁজদের মধ্যে কতজন উভয় দেশের তালিকায় সাধারণ বা একই ব্যক্তি, সে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়।
সূত্র: বিবিসি

নেপালের বন্যার্তদের পাশে কে-পপ তারকা লি নো







