নেপালের সেই সুড়ঙ্গে বেঁচে নেই কেউ, শেষ উদ্ধার অভিযান

নেপালের সেই সুড়ঙ্গে বেঁচে নেই কেউ, শেষ উদ্ধার অভিযান
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আর কোনো প্রাণের অস্তিত্ব নেই। সুড়ঙ্গটির একদম শেষ সীমায় পৌঁছে উদ্ধারকারীরা নিশ্চিত করেছেন, ভেতরে আর কাউকে জীবিত কিংবা মৃত অবস্থায় পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে ওই সুড়ঙ্গের উদ্ধারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) নেপালের সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর (এপিএফ) হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাংয়ের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নেপালি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুড়ঙ্গটিতে প্রবেশ করে। দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়ে ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে এপিএফ সদস্য অম্বর মাহাত ভিতরের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘গোটা প্রকল্পটির প্রত্যেক অংশ কাদা আর মাটিতে চাপা পড়ে গিয়েছে। কোনও কোনও অংশ পাথরে ভরে আছে। আমরা সুড়ঙ্গের ভিতর হামাগুড়ি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট এগিয়েছি। যেখানেই খুঁজেছি, শুধু কাদা আর মাটি পেয়েছি।’ প্রবল পানির তোড়ে সুড়ঙ্গের ওপরের ভারী স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় ভেতরের ধ্বংসস্তূপ আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
২৬ আগস্ট সকালে ভোতেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে হঠাৎ আসা পাহাড়ি ঢলে অন্তত ৬টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ পাওয়ারহাউস প্লাবিত হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, শুধু বিভিন্ন সুড়ঙ্গেই প্রায় ৯০০ শ্রমিক আটকে পড়ে নিখোঁজ হন।
বিপর্যয়ের প্রায় ৯ দিন পর কাদা-মাটির স্তূপ সরিয়ে ত্রিশূলীর ওই সুড়ঙ্গ থেকে সঞ্জয় শাহ ও কবীর মহারাজন নামের দুই শ্রমিককে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার করে কাঠমান্ডুতে চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় অপর এক শ্রমিকের মরদেহ। জীবিত দুজনকে উদ্ধারের সময় ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে মনে হওয়ায় বড় আশা নিয়ে অভিযানে নেমেছিলেন সেনা ও পুলিশের উদ্ধারকারীরা। তবে পুরো সুড়ঙ্গ খুঁজে শেষ পর্যন্ত কাউকে পাওয়া যায় নি।
উদ্ধার পাওয়া সঞ্জয় শাহ জানান, বন্যার খবর পেয়ে সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে অন্য সহকর্মীদের নিরাপদে বের করে দিতে গিয়ে তার নিজের বের হতে দেরি হয়ে যায়। পরে ৯ দিন অন্ধকার সুড়ঙ্গে আটকে থেকে সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা ছাড়া বেঁচে থাকার আর কোনো উপায় তার ছিল না।
এ আকস্মিক বন্যায় নেপালে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

নেপালের ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আর কোনো প্রাণের অস্তিত্ব নেই। সুড়ঙ্গটির একদম শেষ সীমায় পৌঁছে উদ্ধারকারীরা নিশ্চিত করেছেন, ভেতরে আর কাউকে জীবিত কিংবা মৃত অবস্থায় পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে ওই সুড়ঙ্গের উদ্ধারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) নেপালের সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর (এপিএফ) হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাংয়ের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নেপালি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুড়ঙ্গটিতে প্রবেশ করে। দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়ে ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে এপিএফ সদস্য অম্বর মাহাত ভিতরের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘গোটা প্রকল্পটির প্রত্যেক অংশ কাদা আর মাটিতে চাপা পড়ে গিয়েছে। কোনও কোনও অংশ পাথরে ভরে আছে। আমরা সুড়ঙ্গের ভিতর হামাগুড়ি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট এগিয়েছি। যেখানেই খুঁজেছি, শুধু কাদা আর মাটি পেয়েছি।’ প্রবল পানির তোড়ে সুড়ঙ্গের ওপরের ভারী স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় ভেতরের ধ্বংসস্তূপ আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
২৬ আগস্ট সকালে ভোতেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে হঠাৎ আসা পাহাড়ি ঢলে অন্তত ৬টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ পাওয়ারহাউস প্লাবিত হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, শুধু বিভিন্ন সুড়ঙ্গেই প্রায় ৯০০ শ্রমিক আটকে পড়ে নিখোঁজ হন।
বিপর্যয়ের প্রায় ৯ দিন পর কাদা-মাটির স্তূপ সরিয়ে ত্রিশূলীর ওই সুড়ঙ্গ থেকে সঞ্জয় শাহ ও কবীর মহারাজন নামের দুই শ্রমিককে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার করে কাঠমান্ডুতে চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় অপর এক শ্রমিকের মরদেহ। জীবিত দুজনকে উদ্ধারের সময় ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে মনে হওয়ায় বড় আশা নিয়ে অভিযানে নেমেছিলেন সেনা ও পুলিশের উদ্ধারকারীরা। তবে পুরো সুড়ঙ্গ খুঁজে শেষ পর্যন্ত কাউকে পাওয়া যায় নি।
উদ্ধার পাওয়া সঞ্জয় শাহ জানান, বন্যার খবর পেয়ে সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে অন্য সহকর্মীদের নিরাপদে বের করে দিতে গিয়ে তার নিজের বের হতে দেরি হয়ে যায়। পরে ৯ দিন অন্ধকার সুড়ঙ্গে আটকে থেকে সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা ছাড়া বেঁচে থাকার আর কোনো উপায় তার ছিল না।
এ আকস্মিক বন্যায় নেপালে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

নেপালের সেই সুড়ঙ্গে বেঁচে নেই কেউ, শেষ উদ্ধার অভিযান
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আর কোনো প্রাণের অস্তিত্ব নেই। সুড়ঙ্গটির একদম শেষ সীমায় পৌঁছে উদ্ধারকারীরা নিশ্চিত করেছেন, ভেতরে আর কাউকে জীবিত কিংবা মৃত অবস্থায় পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে ওই সুড়ঙ্গের উদ্ধারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) নেপালের সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর (এপিএফ) হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাংয়ের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নেপালি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুড়ঙ্গটিতে প্রবেশ করে। দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়ে ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে এপিএফ সদস্য অম্বর মাহাত ভিতরের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘গোটা প্রকল্পটির প্রত্যেক অংশ কাদা আর মাটিতে চাপা পড়ে গিয়েছে। কোনও কোনও অংশ পাথরে ভরে আছে। আমরা সুড়ঙ্গের ভিতর হামাগুড়ি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট এগিয়েছি। যেখানেই খুঁজেছি, শুধু কাদা আর মাটি পেয়েছি।’ প্রবল পানির তোড়ে সুড়ঙ্গের ওপরের ভারী স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় ভেতরের ধ্বংসস্তূপ আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
২৬ আগস্ট সকালে ভোতেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে হঠাৎ আসা পাহাড়ি ঢলে অন্তত ৬টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ পাওয়ারহাউস প্লাবিত হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, শুধু বিভিন্ন সুড়ঙ্গেই প্রায় ৯০০ শ্রমিক আটকে পড়ে নিখোঁজ হন।
বিপর্যয়ের প্রায় ৯ দিন পর কাদা-মাটির স্তূপ সরিয়ে ত্রিশূলীর ওই সুড়ঙ্গ থেকে সঞ্জয় শাহ ও কবীর মহারাজন নামের দুই শ্রমিককে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার করে কাঠমান্ডুতে চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় অপর এক শ্রমিকের মরদেহ। জীবিত দুজনকে উদ্ধারের সময় ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে মনে হওয়ায় বড় আশা নিয়ে অভিযানে নেমেছিলেন সেনা ও পুলিশের উদ্ধারকারীরা। তবে পুরো সুড়ঙ্গ খুঁজে শেষ পর্যন্ত কাউকে পাওয়া যায় নি।
উদ্ধার পাওয়া সঞ্জয় শাহ জানান, বন্যার খবর পেয়ে সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে অন্য সহকর্মীদের নিরাপদে বের করে দিতে গিয়ে তার নিজের বের হতে দেরি হয়ে যায়। পরে ৯ দিন অন্ধকার সুড়ঙ্গে আটকে থেকে সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা ছাড়া বেঁচে থাকার আর কোনো উপায় তার ছিল না।
এ আকস্মিক বন্যায় নেপালে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

‘আনন্দে যেন কান্না আসছে’, বললেন সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার এক কর্মীর স্ত্রী







