নেপালে উদ্ধার অভিযানে ভারত-চীনের বিশেষজ্ঞ দল

নেপালে উদ্ধার অভিযানে ভারত-চীনের বিশেষজ্ঞ দল
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে ২৬ আগস্টের আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর পাশে দাঁড়িয়েছে প্রতিবেশী ভারত ও চীন। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ জোরদার করতে ও ঘরছাড়া মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে দেশ দুটি। একই সঙ্গে এ বিপর্যয় কাটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্গঠনে বিপুল আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বৈশ্বিক বিভিন্ন সংস্থা ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলো।
দেশটির বিপদে শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা রাখছে ভারত। উদ্ধারকাজে গতি আনা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৩ জন কর্মী এবং ১৯ সদস্যের একটি অভিজ্ঞ ফরেনসিক দল বর্তমানে নেপালে কাজ করছে। এর পাশাপাশি দেশটির চতুর্থ সামরিক বিমানে করে আরও ১১ টন জরুরি রসদ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য হিমালয়ানের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৫৭.৫ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে দিল্লি। এরমধ্যে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সামগ্রীর পাশাপাশি রয়েছে ত্রিপল, প্লাস্টিক শিট, স্লিপিং ব্যাগ, কম্বল ও স্যানিটারি কিট।
অন্যদিকে, মানবিক সহায়তা নিয়ে নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে চীনও। রবিবার (৩০ আগস্ট) চীনা বিমানবাহিনীর দুটি শক্তিশালী ‘ওয়াই-২০’ পরিবহন বিমানে করে পৌঁছায় ৫০ টন জরুরি সামগ্রী। তাঁবু, কম্বল ও ফার্স্ট-এইড কিটসহ প্রায় ১৩ হাজার ২০০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুর পাশাপাশি দেশটির চারজন টানেল-উদ্ধার বিশেষজ্ঞ বিশেষ সরঞ্জাম নিয়ে কাঠমান্ডু পৌঁছেছেন। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদে বের করে আনার জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন এ চীনা বিশেষজ্ঞরা।
জরুরি ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি সামলে উঠতে আন্তর্জাতিক তহবিল থেকেও সাড়া মিলছে। প্লাবিত অঞ্চলের পুনর্বাসনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫ লাখ ডলার এবং অস্ট্রেলিয়া এক মিলিয়ন ডলারের অনুদান ঘোষণা করেছে। এছাড়া, ধ্বংসপ্রাপ্ত পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও বন্যা পরবর্তী পুনরুদ্ধারে নেপালকে বড় অংকের আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সহ অন্যান্য বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলো।
সূত্র: দ্য হিমালয়ান

নেপালে ২৬ আগস্টের আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর পাশে দাঁড়িয়েছে প্রতিবেশী ভারত ও চীন। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ জোরদার করতে ও ঘরছাড়া মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে দেশ দুটি। একই সঙ্গে এ বিপর্যয় কাটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্গঠনে বিপুল আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বৈশ্বিক বিভিন্ন সংস্থা ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলো।
দেশটির বিপদে শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা রাখছে ভারত। উদ্ধারকাজে গতি আনা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৩ জন কর্মী এবং ১৯ সদস্যের একটি অভিজ্ঞ ফরেনসিক দল বর্তমানে নেপালে কাজ করছে। এর পাশাপাশি দেশটির চতুর্থ সামরিক বিমানে করে আরও ১১ টন জরুরি রসদ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য হিমালয়ানের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৫৭.৫ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে দিল্লি। এরমধ্যে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সামগ্রীর পাশাপাশি রয়েছে ত্রিপল, প্লাস্টিক শিট, স্লিপিং ব্যাগ, কম্বল ও স্যানিটারি কিট।
অন্যদিকে, মানবিক সহায়তা নিয়ে নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে চীনও। রবিবার (৩০ আগস্ট) চীনা বিমানবাহিনীর দুটি শক্তিশালী ‘ওয়াই-২০’ পরিবহন বিমানে করে পৌঁছায় ৫০ টন জরুরি সামগ্রী। তাঁবু, কম্বল ও ফার্স্ট-এইড কিটসহ প্রায় ১৩ হাজার ২০০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুর পাশাপাশি দেশটির চারজন টানেল-উদ্ধার বিশেষজ্ঞ বিশেষ সরঞ্জাম নিয়ে কাঠমান্ডু পৌঁছেছেন। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদে বের করে আনার জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন এ চীনা বিশেষজ্ঞরা।
জরুরি ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি সামলে উঠতে আন্তর্জাতিক তহবিল থেকেও সাড়া মিলছে। প্লাবিত অঞ্চলের পুনর্বাসনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫ লাখ ডলার এবং অস্ট্রেলিয়া এক মিলিয়ন ডলারের অনুদান ঘোষণা করেছে। এছাড়া, ধ্বংসপ্রাপ্ত পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও বন্যা পরবর্তী পুনরুদ্ধারে নেপালকে বড় অংকের আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সহ অন্যান্য বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলো।
সূত্র: দ্য হিমালয়ান

নেপালে উদ্ধার অভিযানে ভারত-চীনের বিশেষজ্ঞ দল
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে ২৬ আগস্টের আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর পাশে দাঁড়িয়েছে প্রতিবেশী ভারত ও চীন। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ জোরদার করতে ও ঘরছাড়া মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে দেশ দুটি। একই সঙ্গে এ বিপর্যয় কাটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্গঠনে বিপুল আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বৈশ্বিক বিভিন্ন সংস্থা ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলো।
দেশটির বিপদে শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা রাখছে ভারত। উদ্ধারকাজে গতি আনা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৩ জন কর্মী এবং ১৯ সদস্যের একটি অভিজ্ঞ ফরেনসিক দল বর্তমানে নেপালে কাজ করছে। এর পাশাপাশি দেশটির চতুর্থ সামরিক বিমানে করে আরও ১১ টন জরুরি রসদ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য হিমালয়ানের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৫৭.৫ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে দিল্লি। এরমধ্যে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সামগ্রীর পাশাপাশি রয়েছে ত্রিপল, প্লাস্টিক শিট, স্লিপিং ব্যাগ, কম্বল ও স্যানিটারি কিট।
অন্যদিকে, মানবিক সহায়তা নিয়ে নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে চীনও। রবিবার (৩০ আগস্ট) চীনা বিমানবাহিনীর দুটি শক্তিশালী ‘ওয়াই-২০’ পরিবহন বিমানে করে পৌঁছায় ৫০ টন জরুরি সামগ্রী। তাঁবু, কম্বল ও ফার্স্ট-এইড কিটসহ প্রায় ১৩ হাজার ২০০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুর পাশাপাশি দেশটির চারজন টানেল-উদ্ধার বিশেষজ্ঞ বিশেষ সরঞ্জাম নিয়ে কাঠমান্ডু পৌঁছেছেন। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদে বের করে আনার জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন এ চীনা বিশেষজ্ঞরা।
জরুরি ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি সামলে উঠতে আন্তর্জাতিক তহবিল থেকেও সাড়া মিলছে। প্লাবিত অঞ্চলের পুনর্বাসনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫ লাখ ডলার এবং অস্ট্রেলিয়া এক মিলিয়ন ডলারের অনুদান ঘোষণা করেছে। এছাড়া, ধ্বংসপ্রাপ্ত পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও বন্যা পরবর্তী পুনরুদ্ধারে নেপালকে বড় অংকের আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সহ অন্যান্য বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলো।
সূত্র: দ্য হিমালয়ান

নেপালে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৭৮৮, নিখোঁজ ২৫০০






