নেপালের ধ্বংসস্তূপে তিন দিন আটকে থাকা ৬ বছরের শিশু উদ্ধার

নেপালের ধ্বংসস্তূপে তিন দিন আটকে থাকা ৬ বছরের শিশু উদ্ধার
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে থাকা ৬ বছরের এক কন্যাশিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অলৌকিক এই উদ্ধার অভিযান বিপর্যয়ের মুখে পড়া দেশটির উদ্ধারকারীদের মনে নতুন আশা জুগিয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভোটেকোশি নদীর কাদা ও পাথরের ঢলে তলিয়ে যায় রসুয়া জেলার তিমুরে গ্রাম। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সেখানে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় মাটির নিচ থেকে ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান নেপালের আর্মড পুলিশ ফোর্সের (এপিএফ) সদস্যরা। দ্রুত মাটি খুঁড়ে তারা শিশুটিকে নিরাপদে বের করে আনেন।
জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ওই শিশুর নাম মনিষা মগার। শুরুতে তাকে স্থানীয় তিমুরে সীমান্ত চৌকিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত উন্নত হাসপাতালে পাঠানো জরুরি হয়ে পড়ে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে আকাশপথে কাঠমান্ডুতে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরদিন আবহাওয়া একটু ভালো হলে হেলিকপ্টারে করে তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। মনিষা বর্তমানে সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
শিশুটিকে উদ্ধারের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। টানা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবাই উদ্ধারকর্মীদের প্রশংসা করছেন।
এক্স ব্যবহারকারী একজন লিখেছেন, আর্মড পুলিশ ফোর্সের দলের প্রতি শ্রদ্ধা, যারা এক মুহূর্তের জন্যও খোঁজ থামায়নি। আরেকজন লিখেছেন, সব আশা যখন শেষ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখনই তাকে পাওয়া গেল।
তবে উদ্ধারের সময় শিশুটির সঙ্গে তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা মনিষার পরিবারকে খুঁজে পেতে তৎপরতা চালাচ্ছেন।

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে থাকা ৬ বছরের এক কন্যাশিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অলৌকিক এই উদ্ধার অভিযান বিপর্যয়ের মুখে পড়া দেশটির উদ্ধারকারীদের মনে নতুন আশা জুগিয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভোটেকোশি নদীর কাদা ও পাথরের ঢলে তলিয়ে যায় রসুয়া জেলার তিমুরে গ্রাম। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সেখানে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় মাটির নিচ থেকে ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান নেপালের আর্মড পুলিশ ফোর্সের (এপিএফ) সদস্যরা। দ্রুত মাটি খুঁড়ে তারা শিশুটিকে নিরাপদে বের করে আনেন।
জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ওই শিশুর নাম মনিষা মগার। শুরুতে তাকে স্থানীয় তিমুরে সীমান্ত চৌকিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত উন্নত হাসপাতালে পাঠানো জরুরি হয়ে পড়ে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে আকাশপথে কাঠমান্ডুতে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরদিন আবহাওয়া একটু ভালো হলে হেলিকপ্টারে করে তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। মনিষা বর্তমানে সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
শিশুটিকে উদ্ধারের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। টানা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবাই উদ্ধারকর্মীদের প্রশংসা করছেন।
এক্স ব্যবহারকারী একজন লিখেছেন, আর্মড পুলিশ ফোর্সের দলের প্রতি শ্রদ্ধা, যারা এক মুহূর্তের জন্যও খোঁজ থামায়নি। আরেকজন লিখেছেন, সব আশা যখন শেষ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখনই তাকে পাওয়া গেল।
তবে উদ্ধারের সময় শিশুটির সঙ্গে তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা মনিষার পরিবারকে খুঁজে পেতে তৎপরতা চালাচ্ছেন।

নেপালের ধ্বংসস্তূপে তিন দিন আটকে থাকা ৬ বছরের শিশু উদ্ধার
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে থাকা ৬ বছরের এক কন্যাশিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অলৌকিক এই উদ্ধার অভিযান বিপর্যয়ের মুখে পড়া দেশটির উদ্ধারকারীদের মনে নতুন আশা জুগিয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভোটেকোশি নদীর কাদা ও পাথরের ঢলে তলিয়ে যায় রসুয়া জেলার তিমুরে গ্রাম। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সেখানে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় মাটির নিচ থেকে ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান নেপালের আর্মড পুলিশ ফোর্সের (এপিএফ) সদস্যরা। দ্রুত মাটি খুঁড়ে তারা শিশুটিকে নিরাপদে বের করে আনেন।
জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ওই শিশুর নাম মনিষা মগার। শুরুতে তাকে স্থানীয় তিমুরে সীমান্ত চৌকিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত উন্নত হাসপাতালে পাঠানো জরুরি হয়ে পড়ে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে আকাশপথে কাঠমান্ডুতে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরদিন আবহাওয়া একটু ভালো হলে হেলিকপ্টারে করে তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। মনিষা বর্তমানে সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
শিশুটিকে উদ্ধারের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। টানা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবাই উদ্ধারকর্মীদের প্রশংসা করছেন।
এক্স ব্যবহারকারী একজন লিখেছেন, আর্মড পুলিশ ফোর্সের দলের প্রতি শ্রদ্ধা, যারা এক মুহূর্তের জন্যও খোঁজ থামায়নি। আরেকজন লিখেছেন, সব আশা যখন শেষ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখনই তাকে পাওয়া গেল।
তবে উদ্ধারের সময় শিশুটির সঙ্গে তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা মনিষার পরিবারকে খুঁজে পেতে তৎপরতা চালাচ্ছেন।

নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭৫০







