জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির

জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরুর আগে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও কাউকে ছাড় দেবে না।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের স্বার্থেই এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।’
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভিডিও করায় আটককৃত সিফাতকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘ওরে ছেড়ে দেন, ভালোয় ভালোয় ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, তা কেউ বলতে পারে না।’
জনগণের দাবি আদায়ের অঙ্গীকার পূরণ করতেই এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে কর্মসূচির ‘ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া’ শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের বিভিন্ন সংকটের কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজদের জ্বালায় জনগণ অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নেই, পানি নেই, ইলেকট্রিসিটি নেই; কিন্তু গ্যাসের বিল যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে।’
লংমার্চের পথে কোনো বাধা এলে তা মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের অধিকারের জন্য আমরা আমাদের গন্তব্যে ইনশাআল্লাহ পৌঁছাব, কোনো বাধাকেই আমরা পরোয়া করব না। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে সকাল ৭টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শাপলা চত্বরে সমাবেশ শুরু হয়। এতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
লংমার্চের রুটে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা হবে। ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেট লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরুর আগে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও কাউকে ছাড় দেবে না।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের স্বার্থেই এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।’
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভিডিও করায় আটককৃত সিফাতকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘ওরে ছেড়ে দেন, ভালোয় ভালোয় ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, তা কেউ বলতে পারে না।’
জনগণের দাবি আদায়ের অঙ্গীকার পূরণ করতেই এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে কর্মসূচির ‘ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া’ শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের বিভিন্ন সংকটের কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজদের জ্বালায় জনগণ অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নেই, পানি নেই, ইলেকট্রিসিটি নেই; কিন্তু গ্যাসের বিল যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে।’
লংমার্চের পথে কোনো বাধা এলে তা মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের অধিকারের জন্য আমরা আমাদের গন্তব্যে ইনশাআল্লাহ পৌঁছাব, কোনো বাধাকেই আমরা পরোয়া করব না। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে সকাল ৭টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শাপলা চত্বরে সমাবেশ শুরু হয়। এতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
লংমার্চের রুটে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা হবে। ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেট লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরুর আগে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও কাউকে ছাড় দেবে না।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের স্বার্থেই এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।’
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভিডিও করায় আটককৃত সিফাতকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘ওরে ছেড়ে দেন, ভালোয় ভালোয় ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, তা কেউ বলতে পারে না।’
জনগণের দাবি আদায়ের অঙ্গীকার পূরণ করতেই এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে কর্মসূচির ‘ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া’ শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের বিভিন্ন সংকটের কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজদের জ্বালায় জনগণ অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নেই, পানি নেই, ইলেকট্রিসিটি নেই; কিন্তু গ্যাসের বিল যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে।’
লংমার্চের পথে কোনো বাধা এলে তা মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের অধিকারের জন্য আমরা আমাদের গন্তব্যে ইনশাআল্লাহ পৌঁছাব, কোনো বাধাকেই আমরা পরোয়া করব না। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে সকাল ৭টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শাপলা চত্বরে সমাবেশ শুরু হয়। এতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
লংমার্চের রুটে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা হবে। ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেট লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

শাপলা চত্বরে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ, চট্টগ্রামের পথে লংমার্চ আজ







