আবারও বেড়েছে তেল-গ্যাসের দাম

আবারও বেড়েছে তেল-গ্যাসের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় জ্বালানি স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। ইসরায়েলের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে এই আঘাত হানে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সময়ে গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক ভান্দানা হারি বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ওমান ও দুবাইয়ের মতো বেঞ্চমার্ক ক্রুডের দাম ইতোমধ্যে ১৫০ ডলার অতিক্রম করেছে, ফলে তা ২০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোর আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
‘অপরিশোধিত তেলের দাম আর কতটা বাড়বে, তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালি আর কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর,’ যোগ করেন তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় জ্বালানি স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। ইসরায়েলের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে এই আঘাত হানে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সময়ে গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক ভান্দানা হারি বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ওমান ও দুবাইয়ের মতো বেঞ্চমার্ক ক্রুডের দাম ইতোমধ্যে ১৫০ ডলার অতিক্রম করেছে, ফলে তা ২০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোর আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
‘অপরিশোধিত তেলের দাম আর কতটা বাড়বে, তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালি আর কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর,’ যোগ করেন তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা

আবারও বেড়েছে তেল-গ্যাসের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় জ্বালানি স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। ইসরায়েলের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে এই আঘাত হানে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সময়ে গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক ভান্দানা হারি বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ওমান ও দুবাইয়ের মতো বেঞ্চমার্ক ক্রুডের দাম ইতোমধ্যে ১৫০ ডলার অতিক্রম করেছে, ফলে তা ২০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোর আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
‘অপরিশোধিত তেলের দাম আর কতটা বাড়বে, তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালি আর কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর,’ যোগ করেন তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা




