শান্তির জন্য চীনের ৪ দফা প্রস্তাবকে সমর্থন ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

শান্তির জন্য চীনের ৪ দফা প্রস্তাবকে সমর্থন ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৯: ৫৩

ছবি: সংগৃহীত
বেইজিংয়ে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফজলি জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে তেহরান ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। সোমবার (১১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রদূত ফজলি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই নিরাপত্তা এবং যৌথ উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার সঙ্গে কাজ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। বিষয়টি সম্প্রতি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেও বিশেষ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে। মূলত বেইজিংয়ে আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও প্রসারের স্বার্থে এ ৪ দফা প্রস্তাব পেশ করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-বিরোধী যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় নিয়ে এ পরিকল্পনায় ৪টি মূল স্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি মেনে চলা, জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় নিশ্চিত করা। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তার বেইজিং সফর শেষে জানিয়েছিলেন, ইরান চীনের ওপর গভীর আস্থা রাখে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ ও বৈরিতা বন্ধে চীন একটি কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাবে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

বেইজিংয়ে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফজলি জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে তেহরান ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। সোমবার (১১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রদূত ফজলি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই নিরাপত্তা এবং যৌথ উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার সঙ্গে কাজ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। বিষয়টি সম্প্রতি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেও বিশেষ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে। মূলত বেইজিংয়ে আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও প্রসারের স্বার্থে এ ৪ দফা প্রস্তাব পেশ করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-বিরোধী যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় নিয়ে এ পরিকল্পনায় ৪টি মূল স্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি মেনে চলা, জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় নিশ্চিত করা। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তার বেইজিং সফর শেষে জানিয়েছিলেন, ইরান চীনের ওপর গভীর আস্থা রাখে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ ও বৈরিতা বন্ধে চীন একটি কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাবে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

শান্তির জন্য চীনের ৪ দফা প্রস্তাবকে সমর্থন ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৯: ৫৩

ছবি: সংগৃহীত
বেইজিংয়ে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফজলি জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে তেহরান ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। সোমবার (১১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রদূত ফজলি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই নিরাপত্তা এবং যৌথ উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার সঙ্গে কাজ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। বিষয়টি সম্প্রতি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেও বিশেষ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে। মূলত বেইজিংয়ে আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও প্রসারের স্বার্থে এ ৪ দফা প্রস্তাব পেশ করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-বিরোধী যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় নিয়ে এ পরিকল্পনায় ৪টি মূল স্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি মেনে চলা, জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় নিশ্চিত করা। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তার বেইজিং সফর শেষে জানিয়েছিলেন, ইরান চীনের ওপর গভীর আস্থা রাখে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ ও বৈরিতা বন্ধে চীন একটি কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাবে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি
/এমএকে/

‘ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার বানিয়েছেন নেতানিয়াহু’


