জাপানে জনপ্রিয় হচ্ছে রোবট নেকড়ে
সিটিজেন ডেস্ক

জাপানে জনপ্রিয় হচ্ছে রোবট নেকড়ে
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১৮: ৫০

ছবি: সংগৃহীত
জাপানে বন্য ভালুকের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় এক অভিনব ও কার্যকর সমাধান হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে রোবট নেকড়ে বা মনস্টার উলফ। গত বছর দেশটিতে ভাল্লুকের আক্রমণে রেকর্ড সংখ্যক প্রাণহানির পর ওহতা সেইকি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি এ বিশেষ যান্ত্রিক পাহারাদারের চাহিদা এখন আকাশচুম্বী।
হোক্কাইডো ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এ বছর তারা এরই মধ্যে প্রায় ৫০টি অর্ডার পেয়েছে, যা সাধারণত তাদের সারা বছরের স্বাভাবিক চাহিদার চেয়েও অনেক বেশি। চাহিদার আধিক্যের কারণে হাতে তৈরি রোবটগুলো বুঝে পেতে গ্রাহকদের এখন দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মূলত জাপানের গ্রামাঞ্চলে খামারি, গলফ কোর্সের পরিচালক এবং নির্মাণ শ্রমিকরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রোবটটির ওপর সবচেয়ে বেশি আস্থা রাখছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে জাপানে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি ভালুক দেখার ঘটনার পাশাপাশি অন্তত ১৩ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যা এ রোবট নেকড়ের প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
অ্যানিমেটনিক এ কাকতাড়ুয়া মূলত পাইপ ফ্রেমের ওপর বসানো এবং কৃত্রিম পশমে আবৃত একটি যন্ত্র, যার চোখ থেকে লাল আলো নির্গত হয়। প্রায় ৪ হাজার ডলার বা তার বেশি মূল্যের এ যন্ত্রটি ব্যাটারি ও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চলে। এতে থাকা উন্নত মানের স্পিকারের মাধ্যমে নেকড়ের ডাকসহ প্রায় ৫০ ধরনের ভয়ংকর শব্দ তৈরি করা যায়, যা এক কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা সম্ভব। এছাড়া রোবটটি ডানে-বামে মাথা নাড়াতে পারে এবং এর লেজে নীল রঙের এলইডি বাতি ব্যবহার করা হয়েছে যা বন্যপ্রাণীকে আতঙ্কিত করতে সক্ষম। ২০১৬ সালে যখন ওহতা সেইকি প্রথম এটি বাজারে আনে, তখন অনেকেই একে কেবল একটি সস্তা চটকদার বস্তু হিসেবে উপহাস করেছিল।
তবে বর্তমান সংকটে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ায় মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে কোম্পানিটি এ প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করার কাজ চালাচ্ছে। ভবিষ্যতে চাকার সাহায্যে প্রাণীদের ধাওয়া করা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ক্যামেরা যুক্ত করা এবং বিশেষ করে হাইকার ও স্কুলপড়ুয়া শিশুদের নিরাপত্তার জন্য এর বহনযোগ্য বা পোর্টেবল সংস্করণ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
সূত্র: দ্য জাপান টাইমস

জাপানে বন্য ভালুকের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় এক অভিনব ও কার্যকর সমাধান হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে রোবট নেকড়ে বা মনস্টার উলফ। গত বছর দেশটিতে ভাল্লুকের আক্রমণে রেকর্ড সংখ্যক প্রাণহানির পর ওহতা সেইকি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি এ বিশেষ যান্ত্রিক পাহারাদারের চাহিদা এখন আকাশচুম্বী।
হোক্কাইডো ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এ বছর তারা এরই মধ্যে প্রায় ৫০টি অর্ডার পেয়েছে, যা সাধারণত তাদের সারা বছরের স্বাভাবিক চাহিদার চেয়েও অনেক বেশি। চাহিদার আধিক্যের কারণে হাতে তৈরি রোবটগুলো বুঝে পেতে গ্রাহকদের এখন দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মূলত জাপানের গ্রামাঞ্চলে খামারি, গলফ কোর্সের পরিচালক এবং নির্মাণ শ্রমিকরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রোবটটির ওপর সবচেয়ে বেশি আস্থা রাখছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে জাপানে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি ভালুক দেখার ঘটনার পাশাপাশি অন্তত ১৩ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যা এ রোবট নেকড়ের প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
অ্যানিমেটনিক এ কাকতাড়ুয়া মূলত পাইপ ফ্রেমের ওপর বসানো এবং কৃত্রিম পশমে আবৃত একটি যন্ত্র, যার চোখ থেকে লাল আলো নির্গত হয়। প্রায় ৪ হাজার ডলার বা তার বেশি মূল্যের এ যন্ত্রটি ব্যাটারি ও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চলে। এতে থাকা উন্নত মানের স্পিকারের মাধ্যমে নেকড়ের ডাকসহ প্রায় ৫০ ধরনের ভয়ংকর শব্দ তৈরি করা যায়, যা এক কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা সম্ভব। এছাড়া রোবটটি ডানে-বামে মাথা নাড়াতে পারে এবং এর লেজে নীল রঙের এলইডি বাতি ব্যবহার করা হয়েছে যা বন্যপ্রাণীকে আতঙ্কিত করতে সক্ষম। ২০১৬ সালে যখন ওহতা সেইকি প্রথম এটি বাজারে আনে, তখন অনেকেই একে কেবল একটি সস্তা চটকদার বস্তু হিসেবে উপহাস করেছিল।
তবে বর্তমান সংকটে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ায় মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে কোম্পানিটি এ প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করার কাজ চালাচ্ছে। ভবিষ্যতে চাকার সাহায্যে প্রাণীদের ধাওয়া করা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ক্যামেরা যুক্ত করা এবং বিশেষ করে হাইকার ও স্কুলপড়ুয়া শিশুদের নিরাপত্তার জন্য এর বহনযোগ্য বা পোর্টেবল সংস্করণ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
সূত্র: দ্য জাপান টাইমস

জাপানে জনপ্রিয় হচ্ছে রোবট নেকড়ে
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১৮: ৫০

ছবি: সংগৃহীত
জাপানে বন্য ভালুকের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় এক অভিনব ও কার্যকর সমাধান হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে রোবট নেকড়ে বা মনস্টার উলফ। গত বছর দেশটিতে ভাল্লুকের আক্রমণে রেকর্ড সংখ্যক প্রাণহানির পর ওহতা সেইকি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি এ বিশেষ যান্ত্রিক পাহারাদারের চাহিদা এখন আকাশচুম্বী।
হোক্কাইডো ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এ বছর তারা এরই মধ্যে প্রায় ৫০টি অর্ডার পেয়েছে, যা সাধারণত তাদের সারা বছরের স্বাভাবিক চাহিদার চেয়েও অনেক বেশি। চাহিদার আধিক্যের কারণে হাতে তৈরি রোবটগুলো বুঝে পেতে গ্রাহকদের এখন দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মূলত জাপানের গ্রামাঞ্চলে খামারি, গলফ কোর্সের পরিচালক এবং নির্মাণ শ্রমিকরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রোবটটির ওপর সবচেয়ে বেশি আস্থা রাখছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে জাপানে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি ভালুক দেখার ঘটনার পাশাপাশি অন্তত ১৩ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যা এ রোবট নেকড়ের প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
অ্যানিমেটনিক এ কাকতাড়ুয়া মূলত পাইপ ফ্রেমের ওপর বসানো এবং কৃত্রিম পশমে আবৃত একটি যন্ত্র, যার চোখ থেকে লাল আলো নির্গত হয়। প্রায় ৪ হাজার ডলার বা তার বেশি মূল্যের এ যন্ত্রটি ব্যাটারি ও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চলে। এতে থাকা উন্নত মানের স্পিকারের মাধ্যমে নেকড়ের ডাকসহ প্রায় ৫০ ধরনের ভয়ংকর শব্দ তৈরি করা যায়, যা এক কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা সম্ভব। এছাড়া রোবটটি ডানে-বামে মাথা নাড়াতে পারে এবং এর লেজে নীল রঙের এলইডি বাতি ব্যবহার করা হয়েছে যা বন্যপ্রাণীকে আতঙ্কিত করতে সক্ষম। ২০১৬ সালে যখন ওহতা সেইকি প্রথম এটি বাজারে আনে, তখন অনেকেই একে কেবল একটি সস্তা চটকদার বস্তু হিসেবে উপহাস করেছিল।
তবে বর্তমান সংকটে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ায় মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে কোম্পানিটি এ প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করার কাজ চালাচ্ছে। ভবিষ্যতে চাকার সাহায্যে প্রাণীদের ধাওয়া করা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ক্যামেরা যুক্ত করা এবং বিশেষ করে হাইকার ও স্কুলপড়ুয়া শিশুদের নিরাপত্তার জন্য এর বহনযোগ্য বা পোর্টেবল সংস্করণ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
সূত্র: দ্য জাপান টাইমস
/এমএকে/

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে জাপান


