খামেনির পর কে হবেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা
খামেনির পর কে হবেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবরে দেশটিতে ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে বিক্ষোভ-সহিংসতায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তিন দশকেরও বেশি সময়ের শাসনকালের পর শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক এর আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য পায়। সংস্থাটি কয়েক মাস ধরে আয়াতুল্লাহ খামেনির অবস্থান ও চলাফেরা নজরে রেখেছিল।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবরে দেশটিতে ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইরানের আধাসরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানায়।

যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম। রবিবার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করে।

ইরানে হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজসহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাধ্যম খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে তিনি এ কথা জানান।

তেহরানের দাবি, তাদের এই কৌশল কেবল সামরিক নয় বরং বিশ্ব অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।

গত কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশে যুদ্ধজাহাজ ও অন্যান্য সেনা ঘাঁটিতে ব্যাপক উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছে। এর মধ্যেই দুই দেশ আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যদি আলোচনায় কোনো সমাধান না হয়, তাহলে মার্কিন বাহিনী ইরানে হামলা চালাতে পারে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে সামরিক হামলা চালায়, তবে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ বক্তব্য প্রকাশিত হয়।
