খামেনির পর কে হবেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা

খামেনির পর কে হবেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবরে দেশটিতে ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার মধ্যেই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজন নাম বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।
মোজতাবা খামেনি
৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সামরিক অভিজাত মহলে তাঁর প্রভাবের কথা শোনা যায়। বিশেষ করে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং বাসিজ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর ওপর তার প্রভাব রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে ইরানের শিয়া শাসনব্যবস্থায় পারিবারিক উত্তরাধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উৎসাহিত করা হয় না। পাশাপাশি তিনি উচ্চ পর্যায়ের ধর্মীয় মর্যাদা অর্জন করেননি এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তার আনুষ্ঠানিক কোনো পদও নেই এ দুটি বিষয় তার পথে বাধা হতে পারে।

হাসান খোমেনি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা ও দেশের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি (৫০)। বর্তমানে তিনি খোমেনির সমাধিসৌধের তত্ত্বাবধায়ক। তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী ভাবমূর্তির কারণে তিনি তরুণ ও সংস্কারপন্থীদের একাংশের সমর্থন পেতে পারেন বলে মনে করা হয়। তবে প্রশাসনিক ও সামরিক কাঠামোয় তার প্রত্যক্ষ প্রভাব সীমিত।
আলীরেজা আরাফি
আলীরেজা আরাফি (৬৭) খামেনির আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। তিনি আলেমদের পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান এবং প্রভাবশালী গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য। এই পরিষদ প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতা যাচাই এবং সংসদে পাস হওয়া আইন পরীক্ষা করে থাকে। আরাফি ইরানের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থারও প্রধান। তবে সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই, আর রাজনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্রেও তিনি তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত।

মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি
মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি (৬০) কট্টরপন্থী ইসলামি আলেম হিসেবে পরিচিত। তিনি কেন্দ্রীয় আলেম পরিষদের সদস্য এবং রক্ষণশীল ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে প্রভাবশালী। পশ্চিমাবিরোধী অবস্থানের জন্য তিনি আলোচনায় থাকেন। বর্তমানে তিনি উত্তরাঞ্চলীয় শহর কোমে একটি ধর্মীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কঠোর মতাদর্শ সমর্থকদের কাছে শক্তির প্রতীক হলেও, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে।
হাশেম হোসেইনি বুশেহরি
ষাটোর্ধ্ব হাশেম হোসেইনি বুশেহরি একজন জ্যেষ্ঠ আলেম। তিনি আলেম পরিষদের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান এবং উত্তরাধিকার-সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। খামেনির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাঁ যোগাযোগ ততটা দৃঢ় নয় বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
ইরানে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আলেমদের পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে ধর্মীয় মর্যাদা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সামরিক কাঠামোর সমর্থনের সমন্বয়ের ওপর এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবরে দেশটিতে ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার মধ্যেই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজন নাম বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।
মোজতাবা খামেনি
৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সামরিক অভিজাত মহলে তাঁর প্রভাবের কথা শোনা যায়। বিশেষ করে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং বাসিজ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর ওপর তার প্রভাব রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে ইরানের শিয়া শাসনব্যবস্থায় পারিবারিক উত্তরাধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উৎসাহিত করা হয় না। পাশাপাশি তিনি উচ্চ পর্যায়ের ধর্মীয় মর্যাদা অর্জন করেননি এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তার আনুষ্ঠানিক কোনো পদও নেই এ দুটি বিষয় তার পথে বাধা হতে পারে।

হাসান খোমেনি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা ও দেশের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি (৫০)। বর্তমানে তিনি খোমেনির সমাধিসৌধের তত্ত্বাবধায়ক। তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী ভাবমূর্তির কারণে তিনি তরুণ ও সংস্কারপন্থীদের একাংশের সমর্থন পেতে পারেন বলে মনে করা হয়। তবে প্রশাসনিক ও সামরিক কাঠামোয় তার প্রত্যক্ষ প্রভাব সীমিত।
আলীরেজা আরাফি
আলীরেজা আরাফি (৬৭) খামেনির আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। তিনি আলেমদের পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান এবং প্রভাবশালী গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য। এই পরিষদ প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতা যাচাই এবং সংসদে পাস হওয়া আইন পরীক্ষা করে থাকে। আরাফি ইরানের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থারও প্রধান। তবে সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই, আর রাজনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্রেও তিনি তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত।

মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি
মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি (৬০) কট্টরপন্থী ইসলামি আলেম হিসেবে পরিচিত। তিনি কেন্দ্রীয় আলেম পরিষদের সদস্য এবং রক্ষণশীল ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে প্রভাবশালী। পশ্চিমাবিরোধী অবস্থানের জন্য তিনি আলোচনায় থাকেন। বর্তমানে তিনি উত্তরাঞ্চলীয় শহর কোমে একটি ধর্মীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কঠোর মতাদর্শ সমর্থকদের কাছে শক্তির প্রতীক হলেও, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে।
হাশেম হোসেইনি বুশেহরি
ষাটোর্ধ্ব হাশেম হোসেইনি বুশেহরি একজন জ্যেষ্ঠ আলেম। তিনি আলেম পরিষদের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান এবং উত্তরাধিকার-সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। খামেনির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাঁ যোগাযোগ ততটা দৃঢ় নয় বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
ইরানে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আলেমদের পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে ধর্মীয় মর্যাদা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সামরিক কাঠামোর সমর্থনের সমন্বয়ের ওপর এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

খামেনির পর কে হবেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবরে দেশটিতে ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার মধ্যেই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজন নাম বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।
মোজতাবা খামেনি
৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সামরিক অভিজাত মহলে তাঁর প্রভাবের কথা শোনা যায়। বিশেষ করে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং বাসিজ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর ওপর তার প্রভাব রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে ইরানের শিয়া শাসনব্যবস্থায় পারিবারিক উত্তরাধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উৎসাহিত করা হয় না। পাশাপাশি তিনি উচ্চ পর্যায়ের ধর্মীয় মর্যাদা অর্জন করেননি এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তার আনুষ্ঠানিক কোনো পদও নেই এ দুটি বিষয় তার পথে বাধা হতে পারে।

হাসান খোমেনি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা ও দেশের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি (৫০)। বর্তমানে তিনি খোমেনির সমাধিসৌধের তত্ত্বাবধায়ক। তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী ভাবমূর্তির কারণে তিনি তরুণ ও সংস্কারপন্থীদের একাংশের সমর্থন পেতে পারেন বলে মনে করা হয়। তবে প্রশাসনিক ও সামরিক কাঠামোয় তার প্রত্যক্ষ প্রভাব সীমিত।
আলীরেজা আরাফি
আলীরেজা আরাফি (৬৭) খামেনির আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। তিনি আলেমদের পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান এবং প্রভাবশালী গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য। এই পরিষদ প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতা যাচাই এবং সংসদে পাস হওয়া আইন পরীক্ষা করে থাকে। আরাফি ইরানের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থারও প্রধান। তবে সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই, আর রাজনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্রেও তিনি তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত।

মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি
মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি (৬০) কট্টরপন্থী ইসলামি আলেম হিসেবে পরিচিত। তিনি কেন্দ্রীয় আলেম পরিষদের সদস্য এবং রক্ষণশীল ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে প্রভাবশালী। পশ্চিমাবিরোধী অবস্থানের জন্য তিনি আলোচনায় থাকেন। বর্তমানে তিনি উত্তরাঞ্চলীয় শহর কোমে একটি ধর্মীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কঠোর মতাদর্শ সমর্থকদের কাছে শক্তির প্রতীক হলেও, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে।
হাশেম হোসেইনি বুশেহরি
ষাটোর্ধ্ব হাশেম হোসেইনি বুশেহরি একজন জ্যেষ্ঠ আলেম। তিনি আলেম পরিষদের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান এবং উত্তরাধিকার-সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। খামেনির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাঁ যোগাযোগ ততটা দৃঢ় নয় বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
ইরানে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আলেমদের পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে ধর্মীয় মর্যাদা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সামরিক কাঠামোর সমর্থনের সমন্বয়ের ওপর এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।




