গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লো ১৬.৬৮ শতাংশ

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লো ১৬.৬৮ শতাংশ
সিটিজেন ডেস্ক

দেশে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিদ্যুতের নতুন পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৬.৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ থেকে ৬ মে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা ও কোম্পানি বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য বৃদ্ধি এবং সঞ্চালন মাশুল পুনর্নির্ধারণের আবেদন করে।
এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানির আয়োজন করে কমিশন। শুনানিতে রাজনৈতিক নেতা, ভোক্তা অধিকারকর্মী, ব্যবসায়ী এবং শিল্পোদ্যোক্তারা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
তাদের বক্তব্য ছিল, বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, ভুল পরিকল্পনা ও অপচয়ের কারণে সৃষ্ট আর্থিক চাপ সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। তারা বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পরিবর্তে খাতটির কাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সে সময় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
নতুন মূল্যহার কার্যকরের ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যয় আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

দেশে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিদ্যুতের নতুন পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৬.৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ থেকে ৬ মে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা ও কোম্পানি বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য বৃদ্ধি এবং সঞ্চালন মাশুল পুনর্নির্ধারণের আবেদন করে।
এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানির আয়োজন করে কমিশন। শুনানিতে রাজনৈতিক নেতা, ভোক্তা অধিকারকর্মী, ব্যবসায়ী এবং শিল্পোদ্যোক্তারা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
তাদের বক্তব্য ছিল, বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, ভুল পরিকল্পনা ও অপচয়ের কারণে সৃষ্ট আর্থিক চাপ সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। তারা বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পরিবর্তে খাতটির কাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সে সময় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
নতুন মূল্যহার কার্যকরের ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যয় আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লো ১৬.৬৮ শতাংশ
সিটিজেন ডেস্ক

দেশে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিদ্যুতের নতুন পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৬.৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ থেকে ৬ মে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা ও কোম্পানি বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য বৃদ্ধি এবং সঞ্চালন মাশুল পুনর্নির্ধারণের আবেদন করে।
এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানির আয়োজন করে কমিশন। শুনানিতে রাজনৈতিক নেতা, ভোক্তা অধিকারকর্মী, ব্যবসায়ী এবং শিল্পোদ্যোক্তারা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
তাদের বক্তব্য ছিল, বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, ভুল পরিকল্পনা ও অপচয়ের কারণে সৃষ্ট আর্থিক চাপ সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। তারা বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পরিবর্তে খাতটির কাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সে সময় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
নতুন মূল্যহার কার্যকরের ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যয় আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।




