খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে নিহত ২২

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে নিহত ২২
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে বিক্ষোভ-সহিংসতায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে খামেনিকে হত্যার তথ্য নিশ্চিত করে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন বলে জানানো হয়।
খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাকিস্তানের করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। তারা কনস্যুলেটের রিসিপশন এলাকায় ঢুকে পড়েন। এ সময় নিরাপত্তাবাহিনী গুলি ছুড়লে সেখানে ১০ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হন।

একই দিনে পাকিস্তানের গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলে পৃথক ঘটনায় আরও ১০ জন নিহত হন।
অন্যদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে দুজন নিহত হন। বিক্ষোভকারীরা শহরের গ্রিন জোনে ঢুকে পড়লে নিরাপত্তাবাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গ্রিন জোন এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অবস্থিত।
৮৬ বছর বয়সী খামেনিকে রাজধানী তেহরানে তার প্রাসাদ কমপাউন্ডে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে বিক্ষোভ-সহিংসতায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে খামেনিকে হত্যার তথ্য নিশ্চিত করে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন বলে জানানো হয়।
খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাকিস্তানের করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। তারা কনস্যুলেটের রিসিপশন এলাকায় ঢুকে পড়েন। এ সময় নিরাপত্তাবাহিনী গুলি ছুড়লে সেখানে ১০ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হন।

একই দিনে পাকিস্তানের গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলে পৃথক ঘটনায় আরও ১০ জন নিহত হন।
অন্যদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে দুজন নিহত হন। বিক্ষোভকারীরা শহরের গ্রিন জোনে ঢুকে পড়লে নিরাপত্তাবাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গ্রিন জোন এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অবস্থিত।
৮৬ বছর বয়সী খামেনিকে রাজধানী তেহরানে তার প্রাসাদ কমপাউন্ডে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে নিহত ২২
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে বিক্ষোভ-সহিংসতায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে খামেনিকে হত্যার তথ্য নিশ্চিত করে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন বলে জানানো হয়।
খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাকিস্তানের করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। তারা কনস্যুলেটের রিসিপশন এলাকায় ঢুকে পড়েন। এ সময় নিরাপত্তাবাহিনী গুলি ছুড়লে সেখানে ১০ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হন।

একই দিনে পাকিস্তানের গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলে পৃথক ঘটনায় আরও ১০ জন নিহত হন।
অন্যদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে দুজন নিহত হন। বিক্ষোভকারীরা শহরের গ্রিন জোনে ঢুকে পড়লে নিরাপত্তাবাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গ্রিন জোন এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অবস্থিত।
৮৬ বছর বয়সী খামেনিকে রাজধানী তেহরানে তার প্রাসাদ কমপাউন্ডে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।




