খামেনির পর কে নেতৃত্ব দেবেন ইরানকে

খামেনির পর কে নেতৃত্ব দেবেন ইরানকে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানে হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হলে কীভাবে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, সে বিষয়ে ইরানের সংবিধানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী, একটি অন্তর্বর্তী তিন সদস্যের পরিষদ অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব নেবে।
এই পরিষদে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ধর্মীয় সদস্য। তাদের তত্ত্বাবধানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
এ ছাড়া দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানিকে কিছু অতিরিক্ত কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী তেহরানে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন খামেনি। তার মৃত্যুর তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার।
অন্যদিকে বিবিসি জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে তীব্র হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এ হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা চালানোর পেছনে তিনটি লক্ষ্য উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ‘আসন্ন হুমকি’ নির্মূল করা। দ্বিতীয়ত, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও নৌ সক্ষমতা ধ্বংস করা। তৃতীয়ত, ইরানে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটানো।

ইরানে হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হলে কীভাবে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, সে বিষয়ে ইরানের সংবিধানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী, একটি অন্তর্বর্তী তিন সদস্যের পরিষদ অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব নেবে।
এই পরিষদে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ধর্মীয় সদস্য। তাদের তত্ত্বাবধানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
এ ছাড়া দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানিকে কিছু অতিরিক্ত কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী তেহরানে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন খামেনি। তার মৃত্যুর তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার।
অন্যদিকে বিবিসি জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে তীব্র হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এ হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা চালানোর পেছনে তিনটি লক্ষ্য উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ‘আসন্ন হুমকি’ নির্মূল করা। দ্বিতীয়ত, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও নৌ সক্ষমতা ধ্বংস করা। তৃতীয়ত, ইরানে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটানো।

খামেনির পর কে নেতৃত্ব দেবেন ইরানকে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানে হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হলে কীভাবে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, সে বিষয়ে ইরানের সংবিধানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী, একটি অন্তর্বর্তী তিন সদস্যের পরিষদ অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব নেবে।
এই পরিষদে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ধর্মীয় সদস্য। তাদের তত্ত্বাবধানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
এ ছাড়া দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানিকে কিছু অতিরিক্ত কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী তেহরানে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন খামেনি। তার মৃত্যুর তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার।
অন্যদিকে বিবিসি জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে তীব্র হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এ হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা চালানোর পেছনে তিনটি লক্ষ্য উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ‘আসন্ন হুমকি’ নির্মূল করা। দ্বিতীয়ত, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও নৌ সক্ষমতা ধ্বংস করা। তৃতীয়ত, ইরানে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটানো।




