পদত্যাগের পর যা বললেন দীপেন দেওয়ান

পদত্যাগের পর যা বললেন দীপেন দেওয়ান
সিটিজেন ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন দীপেন দেওয়ান।
বুধবার (৪ জুন) রাত ৯টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি পদত্যাগ-পরবর্তী পরিস্থিতি, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের প্রতিক্রিয়া এবং নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।
পোস্টের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, আসসালামু আলাইকুম, ঝু ঝু, নমস্কার, কুলুংকা, রিকোবায়া।
পদত্যাগের পর রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মানুষের প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে দীপেন দেওয়ান বলেন, তার দায়িত্ব ছাড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত রয়েছেন।
তিনি পার্বত্য অঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি শান্তি ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি, বাঙালি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের সবাই যেন ধৈর্য ধারণ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখেন।
দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অটুট রাখা প্রয়োজন। তার ভাষ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবার এবং এই অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার দায়িত্বও সবার যৌথ দায়িত্ব।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে।
পোস্টে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও অবস্থান সম্পর্কেও স্পষ্ট বক্তব্য দেন সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, তার বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবার দেশপ্রেম, রাজনৈতিক আদর্শ এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা তার রাজনৈতিক জীবনের অনুপ্রেরণা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দীপেন দেওয়ান জানান, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী –এর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং শুরু থেকেই দলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন।
তিনি বলেন, বিএনপিই তার রাজনৈতিক আদর্শের ঠিকানা এবং ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক যেকোনো পরিস্থিতিতেই দলের প্রতি তার আনুগত্য ও অঙ্গীকার অটুট থাকবে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, কোনো পরিস্থিতিতেই তিনি দল ত্যাগ করবেন না।
পোস্টের শেষাংশে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ করে যেতে চান।
দীপেন দেওয়ানের এই ফেসবুক পোস্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পদত্যাগের পর তার অবস্থান এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বানকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন দীপেন দেওয়ান।
বুধবার (৪ জুন) রাত ৯টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি পদত্যাগ-পরবর্তী পরিস্থিতি, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের প্রতিক্রিয়া এবং নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।
পোস্টের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, আসসালামু আলাইকুম, ঝু ঝু, নমস্কার, কুলুংকা, রিকোবায়া।
পদত্যাগের পর রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মানুষের প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে দীপেন দেওয়ান বলেন, তার দায়িত্ব ছাড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত রয়েছেন।
তিনি পার্বত্য অঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি শান্তি ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি, বাঙালি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের সবাই যেন ধৈর্য ধারণ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখেন।
দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অটুট রাখা প্রয়োজন। তার ভাষ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবার এবং এই অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার দায়িত্বও সবার যৌথ দায়িত্ব।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে।
পোস্টে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও অবস্থান সম্পর্কেও স্পষ্ট বক্তব্য দেন সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, তার বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবার দেশপ্রেম, রাজনৈতিক আদর্শ এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা তার রাজনৈতিক জীবনের অনুপ্রেরণা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দীপেন দেওয়ান জানান, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী –এর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং শুরু থেকেই দলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন।
তিনি বলেন, বিএনপিই তার রাজনৈতিক আদর্শের ঠিকানা এবং ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক যেকোনো পরিস্থিতিতেই দলের প্রতি তার আনুগত্য ও অঙ্গীকার অটুট থাকবে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, কোনো পরিস্থিতিতেই তিনি দল ত্যাগ করবেন না।
পোস্টের শেষাংশে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ করে যেতে চান।
দীপেন দেওয়ানের এই ফেসবুক পোস্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পদত্যাগের পর তার অবস্থান এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বানকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

পদত্যাগের পর যা বললেন দীপেন দেওয়ান
সিটিজেন ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন দীপেন দেওয়ান।
বুধবার (৪ জুন) রাত ৯টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি পদত্যাগ-পরবর্তী পরিস্থিতি, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের প্রতিক্রিয়া এবং নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।
পোস্টের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, আসসালামু আলাইকুম, ঝু ঝু, নমস্কার, কুলুংকা, রিকোবায়া।
পদত্যাগের পর রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মানুষের প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে দীপেন দেওয়ান বলেন, তার দায়িত্ব ছাড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত রয়েছেন।
তিনি পার্বত্য অঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি শান্তি ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি, বাঙালি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের সবাই যেন ধৈর্য ধারণ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখেন।
দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অটুট রাখা প্রয়োজন। তার ভাষ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবার এবং এই অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার দায়িত্বও সবার যৌথ দায়িত্ব।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে।
পোস্টে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও অবস্থান সম্পর্কেও স্পষ্ট বক্তব্য দেন সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, তার বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবার দেশপ্রেম, রাজনৈতিক আদর্শ এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা তার রাজনৈতিক জীবনের অনুপ্রেরণা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দীপেন দেওয়ান জানান, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী –এর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং শুরু থেকেই দলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন।
তিনি বলেন, বিএনপিই তার রাজনৈতিক আদর্শের ঠিকানা এবং ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক যেকোনো পরিস্থিতিতেই দলের প্রতি তার আনুগত্য ও অঙ্গীকার অটুট থাকবে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, কোনো পরিস্থিতিতেই তিনি দল ত্যাগ করবেন না।
পোস্টের শেষাংশে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ করে যেতে চান।
দীপেন দেওয়ানের এই ফেসবুক পোস্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পদত্যাগের পর তার অবস্থান এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বানকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।




