আয়াতুল্লাহ খামেনিকে স্মরণ করে মোজতবা খামেনির বার্তা

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে স্মরণ করে মোজতবা খামেনির বার্তা
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ায় তাকে স্মরণ করে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোজতবা তার পিতাকে ইসলামিক উম্মাহ ও সত্যান্বেষীদের নেতা এবং শহীদদের গুরু হিসেবে অভিহিত করে শ্রদ্ধা জানান।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত দুই দশকের উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের যে দীর্ঘ সংলাপ চলেছিল, তা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার ঠিক পরদিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন বাহিনী অপারেশন এপিক ফিউরি এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী অপারেশন রোয়ারিং লায়ন শুরু করে। যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারান টানা ৩৭ বছর ইরানের নেতৃত্বে থাকা আয়াতুল্লাহ খামেনি। হামলায় খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনির মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসা এই প্রভাবশালী নেতার মৃত্যুর পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা খামেনি।
হামলায় মোজতবা নিজেও আহত হন এবং বর্তমানে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে গত ১২ মার্চ থেকে মস্কোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যদিও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো তার আঘাত গুরুতর বলে দাবি করেছিল, তবে ইরানি সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে তার পায়ের আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
সূত্র: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ায় তাকে স্মরণ করে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোজতবা তার পিতাকে ইসলামিক উম্মাহ ও সত্যান্বেষীদের নেতা এবং শহীদদের গুরু হিসেবে অভিহিত করে শ্রদ্ধা জানান।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত দুই দশকের উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের যে দীর্ঘ সংলাপ চলেছিল, তা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার ঠিক পরদিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন বাহিনী অপারেশন এপিক ফিউরি এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী অপারেশন রোয়ারিং লায়ন শুরু করে। যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারান টানা ৩৭ বছর ইরানের নেতৃত্বে থাকা আয়াতুল্লাহ খামেনি। হামলায় খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনির মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসা এই প্রভাবশালী নেতার মৃত্যুর পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা খামেনি।
হামলায় মোজতবা নিজেও আহত হন এবং বর্তমানে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে গত ১২ মার্চ থেকে মস্কোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যদিও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো তার আঘাত গুরুতর বলে দাবি করেছিল, তবে ইরানি সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে তার পায়ের আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
সূত্র: এএফপি

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে স্মরণ করে মোজতবা খামেনির বার্তা
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ায় তাকে স্মরণ করে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোজতবা তার পিতাকে ইসলামিক উম্মাহ ও সত্যান্বেষীদের নেতা এবং শহীদদের গুরু হিসেবে অভিহিত করে শ্রদ্ধা জানান।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত দুই দশকের উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের যে দীর্ঘ সংলাপ চলেছিল, তা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার ঠিক পরদিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন বাহিনী অপারেশন এপিক ফিউরি এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী অপারেশন রোয়ারিং লায়ন শুরু করে। যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারান টানা ৩৭ বছর ইরানের নেতৃত্বে থাকা আয়াতুল্লাহ খামেনি। হামলায় খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনির মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসা এই প্রভাবশালী নেতার মৃত্যুর পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা খামেনি।
হামলায় মোজতবা নিজেও আহত হন এবং বর্তমানে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে গত ১২ মার্চ থেকে মস্কোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যদিও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো তার আঘাত গুরুতর বলে দাবি করেছিল, তবে ইরানি সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে তার পায়ের আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
সূত্র: এএফপি




