ফ্রান্সে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১
ফ্রান্সে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১
ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে একজন নিহত এবং অন্য একজন নিখোঁজ রয়েছেন।


ইউরোপ থেকে এশিয়া- বিশ্বজুড়ে হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের এক নতুন হাওয়া।রাজপথ কাঁপাচ্ছে একঝাঁক ক্ষুব্ধ তরুণ। যাদের বলা হচ্ছে ‘জেন জি’।

বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হচ্ছে পুরো ফ্রান্স। সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা রোধে দেশব্যাপী প্রায় ৭০ হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ।

সেপ্টেম্বর থেকে ফ্রান্সের হাইস্কুলগুলোতে তীব্র শিক্ষক সংকট, গাদাগাদি করে চলা শ্রেণিকক্ষ আর জরাজীর্ণ ভবনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জানান, ‘এখানে টিকে থাকা খুবই কঠিন। ভাড়া অনেক বেশি। বাড়িগুলোও ছোট ছোট। আমাদের
ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে একজন নিহত এবং অন্য একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

জীবনযাত্রার চড়া ব্যয় আর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। ছড়িয়ে পড়া সহিংস বিক্ষোভ ও নজিরবিহীন দাঙ্গা সামাল দিতে এখন কঠিন অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার।

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া তীব্র সহিংস বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মধ্যেই চার দিনের সফরে মধ্যপ্রাচ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ। এর প্রতিবাদে পুরো দেশজুড়ে শুরু হওয়া নজিরবিহীন আন্দোলন এখন রূপ নিয়েছে সহিংসতায়।

জীবনযাত্রার আকাশচুম্বী ব্যয়ে ইউরোপজুড়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ফ্রান্স ও স্পেনের পর এবার ইতালি ও পর্তুগালেও ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র বিক্ষোভ।

শিক্ষকসংকট ও বিদ্যালয়ের দুরবস্থা নিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন শ্রমিক ও ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের সমর্থকেরা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবার অবনতি ও সরকারের প্রতি দীর্ঘদিনের ক্ষোভে বিক্ষোভ এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি সেবার অবনতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। শনিবার দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে একজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন ছয় শতাধিক পুলিশ সদস্য।

ফ্রান্সজুড়ে চলা তীব্র প্রতিবাদ ও সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে এ তথ্য জানান ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ।

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দূরবস্থার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানী প্যারিসসহ পুরো ফ্রান্সজুড়ে নেমেছিল মানুষের ঢল। বিক্ষোভে পুলিশ ও প্রতিবাদকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ।

হুথিদের হামলার মধ্যেই সৌদি আরবে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করেছে ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাস্কাল কনফাব্রো এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শ্রেণীকক্ষে গাদাগাদি করে বসা, ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়া জরাজীর্ণ ভবন, শিক্ষকের অভাব আর দিন দিন আকাশছোঁয়া পড়ালেখার খরচ- এ চিত্র এখন আর কেবল নির্দিষ্ট কোনো একটি দেশের নয়। সরকারি নীতি ও শিক্ষায় বাজেট ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা।

ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে, এটি মূলত শিক্ষা খাতের নানা সমস্যা নিয়ে আন্দোলন। কিন্তু এর গভীরে রয়েছে আরও বড় একটি সংকট, সরকারের বাড়তে থাকা ঋণ ও বাজেট ঘাটতি।

‘কেমিক্যাল অ্যাসিমেট্রির’ সমাধান করে এ বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন ফ্রান্স ও জাপানের দুই বিজ্ঞানী।

শিক্ষা খাতে সংকট ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সহিংসতায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স।

উত্তর ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করা প্রায় প্রতিটি নারীই ভয়াবহ যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন।

শ্রেণিকক্ষের বেহাল দশা, অবকাঠামোগত সংস্কার ও শিক্ষক সংকটের প্রতিবাদে ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জাতীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের তুমুল সংঘর্ষের পর দেশজুড়ে ৫০০টি স্কুল আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে ইতালির গোলপোস্টের নিচে দারুণ পারফরম্যান্স করে ম্যাচসেরার স্বীকৃতিও পেয়েছেন দোন্নারুমা।

সেই ফাইনালই ছিল ফ্রান্সের জার্সিতে জিদানের শেষ ম্যাচ। জিদানের মনে হয়েছিল, এভাবেই মানুষ মনে রাখুক ফ্রান্সের হয়ে তার শেষ ম্যাচটা।
