বিক্ষোভ-দাঙ্গায় উত্তাল ফ্রান্স, জরুরি অবস্থা জারির পথে সরকার

বিক্ষোভ-দাঙ্গায় উত্তাল ফ্রান্স, জরুরি অবস্থা জারির পথে সরকার
সিজেডএন ডেস্ক

জীবনযাত্রার চড়া ব্যয় আর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। ছড়িয়ে পড়া সহিংস বিক্ষোভ ও নজিরবিহীন দাঙ্গা সামাল দিতে এখন কঠিন অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়েন লিকোর্নু স্থানীয় মেয়রদের আংশিক কারফিউ জারির বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন। ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি জটিল রূপ নেওয়ায় মার্সেই শহরে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত যেকোনো ধরনের জনসমাবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্দোলনের নামে চলা এ তাণ্ডবে পুরো দেশজুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দাঙ্গাকারীরা শত শত গাড়ি ও ভবনে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেছে ১৯ শতকের ঐতিহ্যবাহী একটি ঐতিহাসিক সিটি হল। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করতে চাইলেও তা নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে এ ধ্বংসযজ্ঞের যাবতীয় আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাঙ্গায় জড়িত অপরাধীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে।
সূত্র: বিবিসি

জীবনযাত্রার চড়া ব্যয় আর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। ছড়িয়ে পড়া সহিংস বিক্ষোভ ও নজিরবিহীন দাঙ্গা সামাল দিতে এখন কঠিন অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়েন লিকোর্নু স্থানীয় মেয়রদের আংশিক কারফিউ জারির বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন। ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি জটিল রূপ নেওয়ায় মার্সেই শহরে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত যেকোনো ধরনের জনসমাবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্দোলনের নামে চলা এ তাণ্ডবে পুরো দেশজুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দাঙ্গাকারীরা শত শত গাড়ি ও ভবনে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেছে ১৯ শতকের ঐতিহ্যবাহী একটি ঐতিহাসিক সিটি হল। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করতে চাইলেও তা নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে এ ধ্বংসযজ্ঞের যাবতীয় আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাঙ্গায় জড়িত অপরাধীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে।
সূত্র: বিবিসি

বিক্ষোভ-দাঙ্গায় উত্তাল ফ্রান্স, জরুরি অবস্থা জারির পথে সরকার
সিজেডএন ডেস্ক

জীবনযাত্রার চড়া ব্যয় আর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। ছড়িয়ে পড়া সহিংস বিক্ষোভ ও নজিরবিহীন দাঙ্গা সামাল দিতে এখন কঠিন অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়েন লিকোর্নু স্থানীয় মেয়রদের আংশিক কারফিউ জারির বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন। ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি জটিল রূপ নেওয়ায় মার্সেই শহরে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত যেকোনো ধরনের জনসমাবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্দোলনের নামে চলা এ তাণ্ডবে পুরো দেশজুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দাঙ্গাকারীরা শত শত গাড়ি ও ভবনে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেছে ১৯ শতকের ঐতিহ্যবাহী একটি ঐতিহাসিক সিটি হল। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করতে চাইলেও তা নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে এ ধ্বংসযজ্ঞের যাবতীয় আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাঙ্গায় জড়িত অপরাধীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে।
সূত্র: বিবিসি









