ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভের মাঝেই মধ্যপ্রাচ্য সফরে ম্যাক্রোঁ

ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভের মাঝেই মধ্যপ্রাচ্য সফরে ম্যাক্রোঁ
সিজেডএন ডেস্ক

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া তীব্র সহিংস বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মধ্যেই চার দিনের সফরে মধ্যপ্রাচ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সফরের প্রথম ধাপে তিনি কুয়েতে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দেশটির আমীর শেখ মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ। সফরসূচি অনুযায়ী বুধবারের (২১ অক্টোবর) মধ্যে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কাতারও সফর করবেন। ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে সামরিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও মজবুত করাই তার এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।
সম্প্রতি ফ্রান্সে জ্বালানির দাম মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ম্যাক্রোঁ সরকার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক লুটপাট এবং দুই হাজার ৫০০-রও বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কথা স্বীকার করেন প্রেসিডেন্ট। তবে একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া পদত্যাগপত্র প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। ম্যাক্রোঁ জানান, সাধারণ মানুষের মূল উদ্বেগের জায়গা ছিল জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সার্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর কমাতে সরাসরি আলোচনা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।
সফরের প্রথম দিন কুয়েতে ফরাসি প্রতিনিধি দলের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল ওমান থেকে ফ্রান্সের মালিকানাধীন দ্বীপ রেউনিওঁ ও মায়োতে দ্রুত কেরোসিন ও ডিজেল পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা। ম্যাক্রোঁর এ গুরুত্বপূর্ণ সফরে তার সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন ফরাসি জ্বালানি জায়ান্ট ‘টোটাল-এনার্জিস’ ও ‘অঁজি’র শীর্ষ কর্মকর্তারা। কুয়েত সফরে বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে নতুন একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ফরাসি বিমান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘এয়ারবাস’ কুয়েত এয়ারওয়েজের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই করেছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের মূলে রয়েছে গত আট মাস ধরে চলা মার্কিন-ইরান যুদ্ধ। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। পাশাপাশি যোগ হয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সৌদি তেলের ট্যাঙ্কার ও স্পর্শকাতর বিভিন্ন স্থাপনায় ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। জোড়া সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল ও ডিজেলের দাম লাগামহীন হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্প্রতি শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট ‘জি-সেভেন’ তাদের জরুরি রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি না আসা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর জ্বালানির বাড়তি চাপ কতটা কমবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: ফ্রান্স২৪

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া তীব্র সহিংস বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মধ্যেই চার দিনের সফরে মধ্যপ্রাচ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সফরের প্রথম ধাপে তিনি কুয়েতে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দেশটির আমীর শেখ মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ। সফরসূচি অনুযায়ী বুধবারের (২১ অক্টোবর) মধ্যে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কাতারও সফর করবেন। ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে সামরিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও মজবুত করাই তার এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।
সম্প্রতি ফ্রান্সে জ্বালানির দাম মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ম্যাক্রোঁ সরকার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক লুটপাট এবং দুই হাজার ৫০০-রও বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কথা স্বীকার করেন প্রেসিডেন্ট। তবে একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া পদত্যাগপত্র প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। ম্যাক্রোঁ জানান, সাধারণ মানুষের মূল উদ্বেগের জায়গা ছিল জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সার্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর কমাতে সরাসরি আলোচনা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।
সফরের প্রথম দিন কুয়েতে ফরাসি প্রতিনিধি দলের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল ওমান থেকে ফ্রান্সের মালিকানাধীন দ্বীপ রেউনিওঁ ও মায়োতে দ্রুত কেরোসিন ও ডিজেল পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা। ম্যাক্রোঁর এ গুরুত্বপূর্ণ সফরে তার সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন ফরাসি জ্বালানি জায়ান্ট ‘টোটাল-এনার্জিস’ ও ‘অঁজি’র শীর্ষ কর্মকর্তারা। কুয়েত সফরে বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে নতুন একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ফরাসি বিমান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘এয়ারবাস’ কুয়েত এয়ারওয়েজের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই করেছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের মূলে রয়েছে গত আট মাস ধরে চলা মার্কিন-ইরান যুদ্ধ। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। পাশাপাশি যোগ হয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সৌদি তেলের ট্যাঙ্কার ও স্পর্শকাতর বিভিন্ন স্থাপনায় ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। জোড়া সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল ও ডিজেলের দাম লাগামহীন হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্প্রতি শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট ‘জি-সেভেন’ তাদের জরুরি রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি না আসা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর জ্বালানির বাড়তি চাপ কতটা কমবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: ফ্রান্স২৪

ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভের মাঝেই মধ্যপ্রাচ্য সফরে ম্যাক্রোঁ
সিজেডএন ডেস্ক

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া তীব্র সহিংস বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মধ্যেই চার দিনের সফরে মধ্যপ্রাচ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সফরের প্রথম ধাপে তিনি কুয়েতে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দেশটির আমীর শেখ মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ। সফরসূচি অনুযায়ী বুধবারের (২১ অক্টোবর) মধ্যে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কাতারও সফর করবেন। ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে সামরিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও মজবুত করাই তার এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।
সম্প্রতি ফ্রান্সে জ্বালানির দাম মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ম্যাক্রোঁ সরকার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক লুটপাট এবং দুই হাজার ৫০০-রও বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কথা স্বীকার করেন প্রেসিডেন্ট। তবে একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া পদত্যাগপত্র প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। ম্যাক্রোঁ জানান, সাধারণ মানুষের মূল উদ্বেগের জায়গা ছিল জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সার্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর কমাতে সরাসরি আলোচনা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।
সফরের প্রথম দিন কুয়েতে ফরাসি প্রতিনিধি দলের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল ওমান থেকে ফ্রান্সের মালিকানাধীন দ্বীপ রেউনিওঁ ও মায়োতে দ্রুত কেরোসিন ও ডিজেল পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা। ম্যাক্রোঁর এ গুরুত্বপূর্ণ সফরে তার সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন ফরাসি জ্বালানি জায়ান্ট ‘টোটাল-এনার্জিস’ ও ‘অঁজি’র শীর্ষ কর্মকর্তারা। কুয়েত সফরে বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে নতুন একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ফরাসি বিমান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘এয়ারবাস’ কুয়েত এয়ারওয়েজের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই করেছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের মূলে রয়েছে গত আট মাস ধরে চলা মার্কিন-ইরান যুদ্ধ। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। পাশাপাশি যোগ হয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সৌদি তেলের ট্যাঙ্কার ও স্পর্শকাতর বিভিন্ন স্থাপনায় ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। জোড়া সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল ও ডিজেলের দাম লাগামহীন হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্প্রতি শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট ‘জি-সেভেন’ তাদের জরুরি রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি না আসা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর জ্বালানির বাড়তি চাপ কতটা কমবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: ফ্রান্স২৪

বিক্ষোভকারী ও লুটেরাদের ম্যাঁক্রোর কড়া বার্তা 







