বিক্ষোভকারী ও লুটেরাদের ম্যাঁক্রোর কড়া বার্তা

বিক্ষোভকারী ও লুটেরাদের ম্যাঁক্রোর কড়া বার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ। এর প্রতিবাদে পুরো দেশজুড়ে শুরু হওয়া নজিরবিহীন আন্দোলন এখন রূপ নিয়েছে সহিংসতায়। আর এ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, দাঙ্গা ও ব্যাপক লুটপাটের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাঁক্রো।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে ম্যাঁক্রো দেশের মানুষের বর্তমান পুঞ্জীভূত ক্ষোভের কথা স্বীকার করেন। তবে আন্দোলনের নামে তৈরি হওয়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানান তিনি।
সহিংসতার জন্য অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের মতো ফরাসি প্রেসিডেন্টও সরাসরি উগ্র বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যেই পুলিশ ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।
ভাষণে উগ্র বামপন্থীদের ‘বিদ্রোহী আচরণ’ ও তাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া অপরাধীদের অরাজকতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ম্যাঁক্রো বলেন, ‘যারা লুটপাট করেছে, তাদের ক্ষতির দায়ভার বহন করতে হবে। আর যারা প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চেয়েছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।’
এর আগে বিক্ষোভকারীরা মুখোশ পরে দেশের বিভিন্ন শহরে অগ্নিকাণ্ড ঘটায় এবং কয়েকটি সিটি হলে হামলা চালায়। এর পরপরই উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট। বৈঠক শেষে তিনি জানান, আগামী দিনগুলোতে সরকারি অবকাঠামো এবং ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মেয়রের সঙ্গে মিলে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন পড়লে বিক্ষোভ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার পরামর্শও দেন তিনি।
আন্দোলনের মাত্রা কতটা ভয়াবহ, তার প্রমাণ মেলে মধ্য ফ্রান্সের লিমোগেস শহরে। সেখানে ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক সিটি হলে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। আগুনে ভবনটির ছাদ ধসে পড়ে এবং পুরো অবকাঠামোটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
এ আন্দোলনে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এবং সংহিসতা ও লুটপাটের অভিযোগে প্রায় ২,৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সূত্র: পলিটিকো

জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ। এর প্রতিবাদে পুরো দেশজুড়ে শুরু হওয়া নজিরবিহীন আন্দোলন এখন রূপ নিয়েছে সহিংসতায়। আর এ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, দাঙ্গা ও ব্যাপক লুটপাটের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাঁক্রো।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে ম্যাঁক্রো দেশের মানুষের বর্তমান পুঞ্জীভূত ক্ষোভের কথা স্বীকার করেন। তবে আন্দোলনের নামে তৈরি হওয়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানান তিনি।
সহিংসতার জন্য অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের মতো ফরাসি প্রেসিডেন্টও সরাসরি উগ্র বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যেই পুলিশ ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।
ভাষণে উগ্র বামপন্থীদের ‘বিদ্রোহী আচরণ’ ও তাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া অপরাধীদের অরাজকতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ম্যাঁক্রো বলেন, ‘যারা লুটপাট করেছে, তাদের ক্ষতির দায়ভার বহন করতে হবে। আর যারা প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চেয়েছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।’
এর আগে বিক্ষোভকারীরা মুখোশ পরে দেশের বিভিন্ন শহরে অগ্নিকাণ্ড ঘটায় এবং কয়েকটি সিটি হলে হামলা চালায়। এর পরপরই উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট। বৈঠক শেষে তিনি জানান, আগামী দিনগুলোতে সরকারি অবকাঠামো এবং ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মেয়রের সঙ্গে মিলে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন পড়লে বিক্ষোভ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার পরামর্শও দেন তিনি।
আন্দোলনের মাত্রা কতটা ভয়াবহ, তার প্রমাণ মেলে মধ্য ফ্রান্সের লিমোগেস শহরে। সেখানে ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক সিটি হলে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। আগুনে ভবনটির ছাদ ধসে পড়ে এবং পুরো অবকাঠামোটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
এ আন্দোলনে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এবং সংহিসতা ও লুটপাটের অভিযোগে প্রায় ২,৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সূত্র: পলিটিকো

বিক্ষোভকারী ও লুটেরাদের ম্যাঁক্রোর কড়া বার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ। এর প্রতিবাদে পুরো দেশজুড়ে শুরু হওয়া নজিরবিহীন আন্দোলন এখন রূপ নিয়েছে সহিংসতায়। আর এ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, দাঙ্গা ও ব্যাপক লুটপাটের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাঁক্রো।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে ম্যাঁক্রো দেশের মানুষের বর্তমান পুঞ্জীভূত ক্ষোভের কথা স্বীকার করেন। তবে আন্দোলনের নামে তৈরি হওয়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানান তিনি।
সহিংসতার জন্য অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের মতো ফরাসি প্রেসিডেন্টও সরাসরি উগ্র বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যেই পুলিশ ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।
ভাষণে উগ্র বামপন্থীদের ‘বিদ্রোহী আচরণ’ ও তাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া অপরাধীদের অরাজকতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ম্যাঁক্রো বলেন, ‘যারা লুটপাট করেছে, তাদের ক্ষতির দায়ভার বহন করতে হবে। আর যারা প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চেয়েছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।’
এর আগে বিক্ষোভকারীরা মুখোশ পরে দেশের বিভিন্ন শহরে অগ্নিকাণ্ড ঘটায় এবং কয়েকটি সিটি হলে হামলা চালায়। এর পরপরই উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট। বৈঠক শেষে তিনি জানান, আগামী দিনগুলোতে সরকারি অবকাঠামো এবং ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মেয়রের সঙ্গে মিলে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন পড়লে বিক্ষোভ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার পরামর্শও দেন তিনি।
আন্দোলনের মাত্রা কতটা ভয়াবহ, তার প্রমাণ মেলে মধ্য ফ্রান্সের লিমোগেস শহরে। সেখানে ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক সিটি হলে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। আগুনে ভবনটির ছাদ ধসে পড়ে এবং পুরো অবকাঠামোটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
এ আন্দোলনে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এবং সংহিসতা ও লুটপাটের অভিযোগে প্রায় ২,৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সূত্র: পলিটিকো

বিশ্ব বিস্মিত হবে: নতুন সংঘাতের প্রস্তুতি ইরানের







