ইরানি কমান্ডারদের খোঁজ দিলেই মিলবে ১ কোটি ডলার
ইরানি কমান্ডারদের খোঁজ দিলেই মিলবে ১ কোটি ডলার
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শীর্ষ পাঁচজন কমান্ডারের বিষয়ে তথ্য দিলে ১ কোটি ডলার পুরস্কার দেবে যুক্তরাষ্ট্র।


আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও মুদ্রার চরম দরপতনের মুখে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নিজের দেশে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যব্যবস্থা অনেকটাই ভেঙে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক ও সেতু, দুর্বল হয়ে পড়েছে ব্যাংকিং ব্যবস্থা, দেখা দিয়েছে তীব্র বৈদেশিক মুদ্রার সংকট। আর এই পরিস্থিতিই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করেছে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।

চলতি মাসের ২২ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশকে জ্বালানি আমদানিতে মোট ১০ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শীর্ষ পাঁচজন কমান্ডারের বিষয়ে তথ্য দিলে ১ কোটি ডলার পুরস্কার দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

চলতি মাসের ২২ দিনে দেশে এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা (ডলারপ্রতি ১২৩ টাকা ধরে)।

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে এসেছে ১৯৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে এসেছে ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে)।

চলতি মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ১৪৯ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ হাজার ৪৩৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে)।

চলতি মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ৬০ কোটি ২০ লাখ (৬০২ মিলিয়ন) ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭৩ হাজার ৪৪০ লাখ টাকা (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে)।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার (ফরেক্স) রিজার্ভ গ্রস হিসাবে ৩৬ দশমিক ৪৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

পণ্য ও সেবা উভয় খাতের রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা নিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬ হাজার ৩৪০ কোটি মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ থেকে ২৭ জুন এই তিন দিনে দেশে ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বাংলাদেশের জন্য ১১০ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ সহযোগী সংস্থা ও দেশগুলোকে পরিশোধ করেছে ৪১৩ কোটি ডলার।

বাংলাদেশের জন্য আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) মার্কিন ডলার সহায়তার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সোমবার (২৫ মে) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় তুলে ধরেন এডিবি প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা।

চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩০ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকারও বেশি।

নিলামের মাধ্যমে আরও ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার (১৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিলামের মাধ্যমে আরও ৪০ মিলিয়ন অর্থাৎ ৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই প্রতিষ্ঠান কখনো ঋণখেলাপি হয়নি । প্রথমবারের মতো আর্থিক চাপে পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিশেষ নীতিসহায়তা চেয়েছে।

প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এবার একটি ব্যাংক থেকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের মান আরও অবনতি হয়ে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

দেড় মাস পর বাজার থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈদেশিক দায় পরিশোধের চাপ না থাকা ও রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভ বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ‘হস্তক্ষেপ’ করা হয়।
