সাড়ে ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
সাড়ে ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এবার একটি ব্যাংক থেকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩০ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকারও বেশি।

নিলামের মাধ্যমে আরও ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার (১৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিলামের মাধ্যমে আরও ৪০ মিলিয়ন অর্থাৎ ৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই প্রতিষ্ঠান কখনো ঋণখেলাপি হয়নি । প্রথমবারের মতো আর্থিক চাপে পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিশেষ নীতিসহায়তা চেয়েছে।
প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এবার একটি ব্যাংক থেকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের মান আরও অবনতি হয়ে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

দেড় মাস পর বাজার থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈদেশিক দায় পরিশোধের চাপ না থাকা ও রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভ বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ‘হস্তক্ষেপ’ করা হয়।

২০২৫ সালের ১-১৫ এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৭২ মিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২১ দশমিক ৫ শতাংশ।

প্রায় দেড় মাস পর আবারও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) একটি ব্যাংকের কাছ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। ডলারের বিনিময় হার এবং তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যদি ইরান ও চীন তাদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারে, তাহলে অনেক দেশকে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। যাতে তারা মার্কিন আর্থিক নিষেধাজ্ঞার কাছে জিম্মি হওয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে।

মার্চ মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড হয়েছে। এই মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।

গ্রাহকদের তথ্য ডার্কওয়েব হয়ে এখন তা ফেসবুক ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে গ্রাহকের মোবাইল নম্বর, নাম ও কেনাকাটার তথ্য রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করার পর যুদ্ধের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে এসে ইরান তার ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ চালটি চেলেছে। এটি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন নয়, শুধু একটি বাক্য। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সেই বার্তা এখন আলোচনায়।

গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ যদি আরও কয়েক মাস স্থায়ী হয়, তবে মার্কিন অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডলার কেনা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে কিনা, তা নির্ভর করবে রেমিট্যান্স প্রবাহ, আমদানি চাহিদা ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপের ওপর।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই ভোটের আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় রিজার্ভের এই উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, বর্তমান এই রিজার্ভ দিয়ে দেশের কয়েক মাসের আমদানি ব্যয় অনায়াসে মেটানো সম্ভব, যা দেশের অর্থনীতির জন্য স্বস্তির খবর।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আরও ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের ১৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

দেশের অর্থনীতির জন্য ২০২৫ সাল যেন একটু স্বস্তির বছর হয়ে এসেছিল প্রবাসীদের হাত ধরেই। বিদায়ী বছরে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স আয়ে গড়েছে নতুন ইতিহাস।
