বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড, অর্থছাড়ও কমেছে

বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড, অর্থছাড়ও কমেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশি ঋণ পরিশোধে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) বিদেশি ঋণদাতাদের অতীতের ঋণের সুদ, আসলসহ ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি শোধ করতে হয়েছে। এর বড় অংশই গেছে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপানের কাছে। সার্বিকভাবে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সুদাসল পরিশোধ করতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ সহযোগী সংস্থা ও দেশগুলোকে পরিশোধ করেছে ৪১৩ কোটি ডলার। তা গত অর্থবছরের পুরো সময়ের চেয়ে ৪ কোটি ডলার বেশি।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের পুরো সময়ে অতীতের ঋণের দায় মেটাতে ৪০৯ কোটি ডলার খরচ করেছে বাংলাদেশ। সেবারই প্রথম দায় শোধের পরিমাণ ৪০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল।
গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩৭৮ কোটি ডলার; এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের এ সময়ে এ খাতে সরকারের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ।
এদিকে জুলাই-মে সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ের পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ এবং অনুদানের ৪৫৭ কোটি ৭১ লাখ ডলার ছাড় করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৬০ কোটি ৮১ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বিদেশি ঋণের অর্থছাড় প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ কমে গেছে।

বিদেশি ঋণ পরিশোধে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) বিদেশি ঋণদাতাদের অতীতের ঋণের সুদ, আসলসহ ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি শোধ করতে হয়েছে। এর বড় অংশই গেছে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপানের কাছে। সার্বিকভাবে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সুদাসল পরিশোধ করতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ সহযোগী সংস্থা ও দেশগুলোকে পরিশোধ করেছে ৪১৩ কোটি ডলার। তা গত অর্থবছরের পুরো সময়ের চেয়ে ৪ কোটি ডলার বেশি।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের পুরো সময়ে অতীতের ঋণের দায় মেটাতে ৪০৯ কোটি ডলার খরচ করেছে বাংলাদেশ। সেবারই প্রথম দায় শোধের পরিমাণ ৪০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল।
গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩৭৮ কোটি ডলার; এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের এ সময়ে এ খাতে সরকারের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ।
এদিকে জুলাই-মে সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ের পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ এবং অনুদানের ৪৫৭ কোটি ৭১ লাখ ডলার ছাড় করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৬০ কোটি ৮১ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বিদেশি ঋণের অর্থছাড় প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ কমে গেছে।

বিদেশি ঋণ পরিশোধে রেকর্ড, অর্থছাড়ও কমেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশি ঋণ পরিশোধে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) বিদেশি ঋণদাতাদের অতীতের ঋণের সুদ, আসলসহ ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি শোধ করতে হয়েছে। এর বড় অংশই গেছে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপানের কাছে। সার্বিকভাবে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সুদাসল পরিশোধ করতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ সহযোগী সংস্থা ও দেশগুলোকে পরিশোধ করেছে ৪১৩ কোটি ডলার। তা গত অর্থবছরের পুরো সময়ের চেয়ে ৪ কোটি ডলার বেশি।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের পুরো সময়ে অতীতের ঋণের দায় মেটাতে ৪০৯ কোটি ডলার খরচ করেছে বাংলাদেশ। সেবারই প্রথম দায় শোধের পরিমাণ ৪০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল।
গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩৭৮ কোটি ডলার; এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের এ সময়ে এ খাতে সরকারের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ।
এদিকে জুলাই-মে সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ের পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ এবং অনুদানের ৪৫৭ কোটি ৭১ লাখ ডলার ছাড় করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৬০ কোটি ৮১ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বিদেশি ঋণের অর্থছাড় প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ কমে গেছে।

আইএমএফের সঙ্গে ডিসেম্বরেই নতুন ঋণ চুক্তির সম্ভাবনা 

