রিজার্ভ বাড়াতেই ডলার কেনা হয়েছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

রিজার্ভ বাড়াতেই ডলার কেনা হয়েছে: বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেড় মাস পর বাজার থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈদেশিক দায় পরিশোধের চাপ না থাকা ও রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভ বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ‘হস্তক্ষেপ’ করা হয়।
বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক থেকে গত বুধবার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ৭ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার একই দরে ৪টি ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। দুই দিনই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হয় ১২২ টাকা ৭০ পয়সায়। প্রতি ডলার ৫ পয়সা ব্যবধানে কেনার ব্যাখ্যা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি বৈদেশিক পেমেন্টসহ অন্যান্য বেসরকারি পেমেন্ট এর চাপ থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছুদিন ধরে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসব পেমেন্টের চাপ কমে আসায় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদ্যমান অকশন পদ্ধতির মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করে।
তিনি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল নিয়মমাফিক ব্যাংকগুলোকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার ক্রয়ের অকশন নোটিশ পাঠানো হয়। অকশনে ৪টি ব্যাংক বিড করে। কাট অফ রেট এর মধ্যে শুধু ইসলামী ব্যাংকের বিড থাকায় ওই ব্যাংক থেকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার কেনা হয়।
এর আগে গত ২ মার্চ প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই হিসাবে দেড় মাসে প্রতি ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪৫ পয়সা।
গত ৮ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিবৃতিতে বলেছিল, আমদানি ও বৈদেশিক পরিশোধ পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’। আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ নিয়মিত ও পরিকল্পিত ধারায় চলছে। টাকার অবমূল্যায়নের মতো কোনো চাপ নেই।
সেই বক্তবের পর সপ্তাহ পেরোতেই বাজার থেকে ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেড় মাস পর বাজার থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈদেশিক দায় পরিশোধের চাপ না থাকা ও রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভ বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ‘হস্তক্ষেপ’ করা হয়।
বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক থেকে গত বুধবার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ৭ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার একই দরে ৪টি ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। দুই দিনই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হয় ১২২ টাকা ৭০ পয়সায়। প্রতি ডলার ৫ পয়সা ব্যবধানে কেনার ব্যাখ্যা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি বৈদেশিক পেমেন্টসহ অন্যান্য বেসরকারি পেমেন্ট এর চাপ থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছুদিন ধরে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসব পেমেন্টের চাপ কমে আসায় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদ্যমান অকশন পদ্ধতির মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করে।
তিনি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল নিয়মমাফিক ব্যাংকগুলোকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার ক্রয়ের অকশন নোটিশ পাঠানো হয়। অকশনে ৪টি ব্যাংক বিড করে। কাট অফ রেট এর মধ্যে শুধু ইসলামী ব্যাংকের বিড থাকায় ওই ব্যাংক থেকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার কেনা হয়।
এর আগে গত ২ মার্চ প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই হিসাবে দেড় মাসে প্রতি ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪৫ পয়সা।
গত ৮ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিবৃতিতে বলেছিল, আমদানি ও বৈদেশিক পরিশোধ পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’। আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ নিয়মিত ও পরিকল্পিত ধারায় চলছে। টাকার অবমূল্যায়নের মতো কোনো চাপ নেই।
সেই বক্তবের পর সপ্তাহ পেরোতেই বাজার থেকে ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

রিজার্ভ বাড়াতেই ডলার কেনা হয়েছে: বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেড় মাস পর বাজার থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈদেশিক দায় পরিশোধের চাপ না থাকা ও রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভ বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ‘হস্তক্ষেপ’ করা হয়।
বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক থেকে গত বুধবার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ৭ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার একই দরে ৪টি ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। দুই দিনই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হয় ১২২ টাকা ৭০ পয়সায়। প্রতি ডলার ৫ পয়সা ব্যবধানে কেনার ব্যাখ্যা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি বৈদেশিক পেমেন্টসহ অন্যান্য বেসরকারি পেমেন্ট এর চাপ থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছুদিন ধরে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসব পেমেন্টের চাপ কমে আসায় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদ্যমান অকশন পদ্ধতির মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করে।
তিনি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল নিয়মমাফিক ব্যাংকগুলোকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার ক্রয়ের অকশন নোটিশ পাঠানো হয়। অকশনে ৪টি ব্যাংক বিড করে। কাট অফ রেট এর মধ্যে শুধু ইসলামী ব্যাংকের বিড থাকায় ওই ব্যাংক থেকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার কেনা হয়।
এর আগে গত ২ মার্চ প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই হিসাবে দেড় মাসে প্রতি ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪৫ পয়সা।
গত ৮ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিবৃতিতে বলেছিল, আমদানি ও বৈদেশিক পরিশোধ পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’। আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ নিয়মিত ও পরিকল্পিত ধারায় চলছে। টাকার অবমূল্যায়নের মতো কোনো চাপ নেই।
সেই বক্তবের পর সপ্তাহ পেরোতেই বাজার থেকে ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক।




