৩ গোলে এগিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য হার মায়ামির
৩ গোলে এগিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য হার মায়ামির
ইন্টার মায়ামির নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়াম যেন এক গোলকধাঁধা, যেখানে সাফল্যের চাবিকাঠি কোনোভাবেই খুঁজে পাচ্ছে না টাটা মার্টিনোর শিষ্যরা।


আর্জেন্টিনা অবশ্য এখনও ঘোষণা করেনি স্কোয়াড। তবে মেসি যে বিশ্বকাপ দলে থাকবেন সেটি নিশ্চিত করেছেন আর্জেন্টিনা দলের কোচিং স্টাফ আয়ালা।

ডি পল বলেন, ‘বিশ্বকাপের ভাবনা ছাড়া থাকা যায় না। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই ভাবনাগুলো মাথায় আসছে। ভয়, অনিশ্চয়তা, আনন্দ...দল ঘোষণার অপেক্ষায় আছি। আমি মনে করি, আমাদের দল আবারও শিরোপার দাবিদার হবে।’

বিশ্বকাপের বাকি আছে আর মাত্র এক মাস। এর আগে দারুণ ছন্দে রয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির হয়ে জোড়া গোল করেছেন তিনি।

আগের রাউন্ডে অরল্যান্ডো সিটির বিপক্ষে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও নাটকীয়ভাবে ৪-৩ গোলে হেরেছিল মায়ামি। এবার ৮০ মিনিট পর্যন্ত ৪-০ তে এগিয়ে থেকেও পরে হজম করেছে দুই গোল।
ইন্টার মায়ামির নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়াম যেন এক গোলকধাঁধা, যেখানে সাফল্যের চাবিকাঠি কোনোভাবেই খুঁজে পাচ্ছে না টাটা মার্টিনোর শিষ্যরা।

হ্যাভিয়ের মাসচেরানোর আকস্মিক পদত্যাগের পর ইন্টার মায়ামির ডাগ আউটে দাঁড়িয়েই জয়ের স্বাদ পেলেন নতুন প্রধান কোচ গুইলেরমো হোয়োস। শনিবার (১৮ এপ্রিল) কলোরাডো র্যাপিডসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ল ফ্লোরিডার ক্লাবটি।

ইন্টার মায়ামিকে তাদের ইতিহাসের প্রথম এমএলএস কাপ জেতানোর মাত্র চার মাসের মাথায় প্রধান কোচের পদ থেকে আকস্মিকভাবে সরে দাঁড়ালেন হাভিয়ের মাসচেরানো। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মেজর লিগ সকারের ক্লাবটি এ তথ্য জানিয়েছে।

চোট না পেলে মেসি খেলবেন বিশ্বকাপ তা বলাই যায়। ইন্টার মায়ামির হয়ে রবিবার মাঠে নামেন মেসি। নিউ ইয়র্ক সিটির বিপক্ষে দলের জয়ে একটি গোল করেন, যেটি তার ক্যারিয়ারের ৯০১তম গোল।

এ দিন ৭২ হাজার ২৬ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। ডি.সি. ইউনাইটেডের ঘরের ম্যাচে দর্শকের আগের রেকর্ড ছিল আরএফকে স্টেডিয়ামে ১৯৯৭ সালে ৫৭ হাজার ৪৩১ জন।

দক্ষিণ ফ্লোরিডায় কেবল ফুটবল মাঠেই নয়, বিলাসবহুল আবাসন বাজারেও সমান দাপট দেখাচ্ছেন লিওনেল মেসি। সম্প্রতি ব্রিকেলের কেন্দ্রস্থলে নির্মাণাধীন সিপ্রিয়ানি রেসিডেন্স মায়ামিতে চারটি বিলাসবহুল কন্ডোমিনিয়াম কেনার চুক্তি করেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।

প্রথমার্ধে স্বাগতিক লস অ্যাঞ্জেলেসের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। সেই ধারাবাহিকতায় গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন স্ট্রাইকার সন হিউং-মিন। গোলকিপার সেন্ট ক্লেয়ারের সঙ্গে একার লড়াইয়ে সফল হলেও শট নিতে পারেননি।
