সাবিনা ইয়াসমীনের সন্তানেরা কে কোন পেশায়

সাবিনা ইয়াসমীনের সন্তানেরা কে কোন পেশায়
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। প্রায় ছয় দশক ধরে গান করছেন তিনি। তার ভালোবাসা, বেদনা, আনন্দ আর দেশপ্রেমের সুরের মোহনায় হারিয়ে গেছে লাখো দর্শক। তার গান বাঙালির জীবনের আবেগের প্রতিচ্ছবি হয়ে আছে আজও। গুণী এই শিল্পীর দুই সন্তান রয়েছে। তারা নিজ নিজ পেশায় ব্যস্ত। মেয়ে ইয়াসমীন ফাইরুজ বাঁধন দেশে থাকেন। আর ছেলে রাফি হোসেন শ্রাবণ থাকেন লন্ডনে। তিনি আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তারা মায়ের পথ অনুসরণ না করলেও সুর আর সংগীতময় পরিবেশেবড় হয়েছেন। জেনে নেওয়া যাক কিংবদন্তী এই শিল্পীর সন্তানেরা কে কী করেন।
সাবিনা ইয়াসমীনের মেয়ে ইয়াসমীন ফাইরুজ বাঁধন টুকটাক গান গাইলেও পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ব্যাংকিং সেক্টরকে। তিনি ঢাকার ম্যাপললিফ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশের মুসোরিতে উডস্টক স্কুলে হাইস্কুল শেষ করেন। আর বেঙ্গালুরুর গভর্নমেন্ট ফার্স্ট গ্রেড কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব আর্টস করেন। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওলোংগঙ্গ থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এমকম শেষ করে ২০০২ সালে দেশে ফিরে ব্যাংকে যোগ দেন।
প্রথমে ওয়ান ব্যাংকে যোগ দেন বাঁধন। সেখানে ৬ বছর কাজ করার পর অন্য ব্যাংকে আরও ছয় বছর কাজ করেন। বর্তমানে আরেকটি বেসরকারি ব্যাংকে ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কর্মরত আছেন।
নিজের পেশা ও মায়ের প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘প্রতিটি সকালে গানের সুরে ঘুম ভাঙত। মা গান না গাইলেও ঘরে যেন সব সময় সুর ভাসত।’ তবে তিনি নিজের মতো করে পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানান। বাঁধন বলেন, ‘মা কখনো বাধ্য করেননি, বরং সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন।’
বাঁধনের চেয়ে আট বছরের ছোট রাফি হোসেন। পরিবারে শ্রাবণ নামেই পরিচিত। তিনিও সংগীতপ্রেমী। তবে পেশা হিসেবে কাজ করছেন আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানে।
শ্রাবণ ঢাকার র্যাডিয়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল শেষ করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ে ভর্তি হন। তবে বর্তমানে লন্ডনের পরিচিত ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠান হল্যান্ড অ্যান্ড ব্যারেটে চাকরি করছেন।
দুই সন্তান সংগীতকে পেশা হিসেবে বেছে না নিলেও মা সাবিনা ইয়াসমী তাদের নিয়ে গর্ব অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘এটা ওদেরই পছন্দ। তারা নিজ নিজ পেশায় ভালো করছেন, এতেই আমি খুশি।’
প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গান দিয়ে চলচ্চিত্রের গানে আত্মপ্রকাশ ঘটে সাবিনা ইয়াসমিনের। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ সিনেমায় ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ১০ হাজারের অধিক গান রেকর্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ সংগীতময় জীবনে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে বৈচিত্রময় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার নানা গান তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাবিনা ইয়াসমিন শুধু গানই করেননি, তৈরি করেছেন বাংলা গানের এক সমৃদ্ধ অধ্যায়। তার গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলীন হয়ে আছে।

বাংলাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। প্রায় ছয় দশক ধরে গান করছেন তিনি। তার ভালোবাসা, বেদনা, আনন্দ আর দেশপ্রেমের সুরের মোহনায় হারিয়ে গেছে লাখো দর্শক। তার গান বাঙালির জীবনের আবেগের প্রতিচ্ছবি হয়ে আছে আজও। গুণী এই শিল্পীর দুই সন্তান রয়েছে। তারা নিজ নিজ পেশায় ব্যস্ত। মেয়ে ইয়াসমীন ফাইরুজ বাঁধন দেশে থাকেন। আর ছেলে রাফি হোসেন শ্রাবণ থাকেন লন্ডনে। তিনি আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তারা মায়ের পথ অনুসরণ না করলেও সুর আর সংগীতময় পরিবেশেবড় হয়েছেন। জেনে নেওয়া যাক কিংবদন্তী এই শিল্পীর সন্তানেরা কে কী করেন।
সাবিনা ইয়াসমীনের মেয়ে ইয়াসমীন ফাইরুজ বাঁধন টুকটাক গান গাইলেও পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ব্যাংকিং সেক্টরকে। তিনি ঢাকার ম্যাপললিফ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশের মুসোরিতে উডস্টক স্কুলে হাইস্কুল শেষ করেন। আর বেঙ্গালুরুর গভর্নমেন্ট ফার্স্ট গ্রেড কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব আর্টস করেন। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওলোংগঙ্গ থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এমকম শেষ করে ২০০২ সালে দেশে ফিরে ব্যাংকে যোগ দেন।
প্রথমে ওয়ান ব্যাংকে যোগ দেন বাঁধন। সেখানে ৬ বছর কাজ করার পর অন্য ব্যাংকে আরও ছয় বছর কাজ করেন। বর্তমানে আরেকটি বেসরকারি ব্যাংকে ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কর্মরত আছেন।
নিজের পেশা ও মায়ের প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘প্রতিটি সকালে গানের সুরে ঘুম ভাঙত। মা গান না গাইলেও ঘরে যেন সব সময় সুর ভাসত।’ তবে তিনি নিজের মতো করে পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানান। বাঁধন বলেন, ‘মা কখনো বাধ্য করেননি, বরং সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন।’
বাঁধনের চেয়ে আট বছরের ছোট রাফি হোসেন। পরিবারে শ্রাবণ নামেই পরিচিত। তিনিও সংগীতপ্রেমী। তবে পেশা হিসেবে কাজ করছেন আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানে।
শ্রাবণ ঢাকার র্যাডিয়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল শেষ করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ে ভর্তি হন। তবে বর্তমানে লন্ডনের পরিচিত ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠান হল্যান্ড অ্যান্ড ব্যারেটে চাকরি করছেন।
দুই সন্তান সংগীতকে পেশা হিসেবে বেছে না নিলেও মা সাবিনা ইয়াসমী তাদের নিয়ে গর্ব অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘এটা ওদেরই পছন্দ। তারা নিজ নিজ পেশায় ভালো করছেন, এতেই আমি খুশি।’
প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গান দিয়ে চলচ্চিত্রের গানে আত্মপ্রকাশ ঘটে সাবিনা ইয়াসমিনের। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ সিনেমায় ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ১০ হাজারের অধিক গান রেকর্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ সংগীতময় জীবনে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে বৈচিত্রময় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার নানা গান তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাবিনা ইয়াসমিন শুধু গানই করেননি, তৈরি করেছেন বাংলা গানের এক সমৃদ্ধ অধ্যায়। তার গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলীন হয়ে আছে।

সাবিনা ইয়াসমীনের সন্তানেরা কে কোন পেশায়
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। প্রায় ছয় দশক ধরে গান করছেন তিনি। তার ভালোবাসা, বেদনা, আনন্দ আর দেশপ্রেমের সুরের মোহনায় হারিয়ে গেছে লাখো দর্শক। তার গান বাঙালির জীবনের আবেগের প্রতিচ্ছবি হয়ে আছে আজও। গুণী এই শিল্পীর দুই সন্তান রয়েছে। তারা নিজ নিজ পেশায় ব্যস্ত। মেয়ে ইয়াসমীন ফাইরুজ বাঁধন দেশে থাকেন। আর ছেলে রাফি হোসেন শ্রাবণ থাকেন লন্ডনে। তিনি আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তারা মায়ের পথ অনুসরণ না করলেও সুর আর সংগীতময় পরিবেশেবড় হয়েছেন। জেনে নেওয়া যাক কিংবদন্তী এই শিল্পীর সন্তানেরা কে কী করেন।
সাবিনা ইয়াসমীনের মেয়ে ইয়াসমীন ফাইরুজ বাঁধন টুকটাক গান গাইলেও পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ব্যাংকিং সেক্টরকে। তিনি ঢাকার ম্যাপললিফ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশের মুসোরিতে উডস্টক স্কুলে হাইস্কুল শেষ করেন। আর বেঙ্গালুরুর গভর্নমেন্ট ফার্স্ট গ্রেড কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব আর্টস করেন। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওলোংগঙ্গ থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এমকম শেষ করে ২০০২ সালে দেশে ফিরে ব্যাংকে যোগ দেন।
প্রথমে ওয়ান ব্যাংকে যোগ দেন বাঁধন। সেখানে ৬ বছর কাজ করার পর অন্য ব্যাংকে আরও ছয় বছর কাজ করেন। বর্তমানে আরেকটি বেসরকারি ব্যাংকে ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কর্মরত আছেন।
নিজের পেশা ও মায়ের প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘প্রতিটি সকালে গানের সুরে ঘুম ভাঙত। মা গান না গাইলেও ঘরে যেন সব সময় সুর ভাসত।’ তবে তিনি নিজের মতো করে পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানান। বাঁধন বলেন, ‘মা কখনো বাধ্য করেননি, বরং সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন।’
বাঁধনের চেয়ে আট বছরের ছোট রাফি হোসেন। পরিবারে শ্রাবণ নামেই পরিচিত। তিনিও সংগীতপ্রেমী। তবে পেশা হিসেবে কাজ করছেন আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানে।
শ্রাবণ ঢাকার র্যাডিয়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল শেষ করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ে ভর্তি হন। তবে বর্তমানে লন্ডনের পরিচিত ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠান হল্যান্ড অ্যান্ড ব্যারেটে চাকরি করছেন।
দুই সন্তান সংগীতকে পেশা হিসেবে বেছে না নিলেও মা সাবিনা ইয়াসমী তাদের নিয়ে গর্ব অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘এটা ওদেরই পছন্দ। তারা নিজ নিজ পেশায় ভালো করছেন, এতেই আমি খুশি।’
প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গান দিয়ে চলচ্চিত্রের গানে আত্মপ্রকাশ ঘটে সাবিনা ইয়াসমিনের। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ সিনেমায় ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ১০ হাজারের অধিক গান রেকর্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ সংগীতময় জীবনে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে বৈচিত্রময় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার নানা গান তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাবিনা ইয়াসমিন শুধু গানই করেননি, তৈরি করেছেন বাংলা গানের এক সমৃদ্ধ অধ্যায়। তার গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলীন হয়ে আছে।

প্রতিনিয়ত শেখার মধ্যে আছি: জন্মদিনে সাবিনা ইয়াসমিন
আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন সুচন্দা ও সাবিনা







