কাসেমিরোকে দলে ভিড়িয়ে তদন্তের মুখে ইন্টার মিয়ামি

কাসেমিরোকে দলে ভিড়িয়ে তদন্তের মুখে ইন্টার মিয়ামি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ব্রাজিলিয়ান তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে নেওয়ার পরপরই নতুন আইনি জটিলতায় জড়িয়েছে ইন্টার মিয়ামি। নিয়মবহির্ভূতভাবে খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ বা ‘টেম্পারিং’-এর অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ফুটবল লিগ সংস্থা মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাবটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে আসা ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সঙ্গে ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত চুক্তি করেছে মিয়ামি। এ চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এই দলবদলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানায় লিগ কর্তৃপক্ষ।
মূলত কাসেমিরোর ‘ডিসকভারি রাইটস’ বা অগ্রাধিকারভিত্তিক চুক্তির অধিকারকে কেন্দ্র করেই এ তদন্ত। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, লিগের বাইরের কোনো খেলোয়াড়কে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে প্রতিটি ক্লাব সর্বোচ্চ পাঁচজনের একটি তালিকায় নিজেদের অগ্রাধিকার ধরে রাখতে পারে। কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল এলএ গ্যালাক্সির। ইন্টার মিয়ামির দাবি, তারা গ্যালাক্সির কাছ থেকে সেই অধিকার কিনে নিয়েছে। তবে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে এমএলএস। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুই ক্লাবের সমঝোতার শর্ত গোপন রাখা হচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেই দুই পক্ষের সম্মতিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন কাসেমিরো। ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে ১৬০ ম্যাচে ২৬টি গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ইএফএল কাপ ও এফএ কাপ জেতেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা এ অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সম্প্রতি ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপেও মাঠ মাতিয়েছেন। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি জানান, জেতার ক্ষুধা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার ইচ্ছাই তাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা যোগায়।
দলবদলের নিয়ম ভেঙে তদন্তের মুখে পড়ার ঘটনা ইন্টার মিয়ামির জন্য নতুন নয়। এর আগে ২০২১ সালে ফরাসি মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদিকে নেওয়ার সময় নির্ধারিত বেতনসীমা (স্যালারি ক্যাপ) লঙ্ঘন করায় ক্লাবটিকে ২০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছিল। এবার কাসেমিরোর দলবদলকে ঘিরে আবার একই ধরনের প্রশাসনিক জটিলতায় পড়ল ফ্লোরিডার ক্লাবটি।

ব্রাজিলিয়ান তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে নেওয়ার পরপরই নতুন আইনি জটিলতায় জড়িয়েছে ইন্টার মিয়ামি। নিয়মবহির্ভূতভাবে খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ বা ‘টেম্পারিং’-এর অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ফুটবল লিগ সংস্থা মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাবটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে আসা ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সঙ্গে ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত চুক্তি করেছে মিয়ামি। এ চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এই দলবদলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানায় লিগ কর্তৃপক্ষ।
মূলত কাসেমিরোর ‘ডিসকভারি রাইটস’ বা অগ্রাধিকারভিত্তিক চুক্তির অধিকারকে কেন্দ্র করেই এ তদন্ত। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, লিগের বাইরের কোনো খেলোয়াড়কে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে প্রতিটি ক্লাব সর্বোচ্চ পাঁচজনের একটি তালিকায় নিজেদের অগ্রাধিকার ধরে রাখতে পারে। কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল এলএ গ্যালাক্সির। ইন্টার মিয়ামির দাবি, তারা গ্যালাক্সির কাছ থেকে সেই অধিকার কিনে নিয়েছে। তবে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে এমএলএস। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুই ক্লাবের সমঝোতার শর্ত গোপন রাখা হচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেই দুই পক্ষের সম্মতিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন কাসেমিরো। ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে ১৬০ ম্যাচে ২৬টি গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ইএফএল কাপ ও এফএ কাপ জেতেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা এ অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সম্প্রতি ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপেও মাঠ মাতিয়েছেন। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি জানান, জেতার ক্ষুধা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার ইচ্ছাই তাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা যোগায়।
দলবদলের নিয়ম ভেঙে তদন্তের মুখে পড়ার ঘটনা ইন্টার মিয়ামির জন্য নতুন নয়। এর আগে ২০২১ সালে ফরাসি মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদিকে নেওয়ার সময় নির্ধারিত বেতনসীমা (স্যালারি ক্যাপ) লঙ্ঘন করায় ক্লাবটিকে ২০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছিল। এবার কাসেমিরোর দলবদলকে ঘিরে আবার একই ধরনের প্রশাসনিক জটিলতায় পড়ল ফ্লোরিডার ক্লাবটি।

কাসেমিরোকে দলে ভিড়িয়ে তদন্তের মুখে ইন্টার মিয়ামি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ব্রাজিলিয়ান তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে নেওয়ার পরপরই নতুন আইনি জটিলতায় জড়িয়েছে ইন্টার মিয়ামি। নিয়মবহির্ভূতভাবে খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ বা ‘টেম্পারিং’-এর অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ফুটবল লিগ সংস্থা মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাবটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে আসা ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সঙ্গে ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত চুক্তি করেছে মিয়ামি। এ চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এই দলবদলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানায় লিগ কর্তৃপক্ষ।
মূলত কাসেমিরোর ‘ডিসকভারি রাইটস’ বা অগ্রাধিকারভিত্তিক চুক্তির অধিকারকে কেন্দ্র করেই এ তদন্ত। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, লিগের বাইরের কোনো খেলোয়াড়কে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে প্রতিটি ক্লাব সর্বোচ্চ পাঁচজনের একটি তালিকায় নিজেদের অগ্রাধিকার ধরে রাখতে পারে। কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল এলএ গ্যালাক্সির। ইন্টার মিয়ামির দাবি, তারা গ্যালাক্সির কাছ থেকে সেই অধিকার কিনে নিয়েছে। তবে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে এমএলএস। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুই ক্লাবের সমঝোতার শর্ত গোপন রাখা হচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেই দুই পক্ষের সম্মতিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন কাসেমিরো। ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে ১৬০ ম্যাচে ২৬টি গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ইএফএল কাপ ও এফএ কাপ জেতেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা এ অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সম্প্রতি ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপেও মাঠ মাতিয়েছেন। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি জানান, জেতার ক্ষুধা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার ইচ্ছাই তাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা যোগায়।
দলবদলের নিয়ম ভেঙে তদন্তের মুখে পড়ার ঘটনা ইন্টার মিয়ামির জন্য নতুন নয়। এর আগে ২০২১ সালে ফরাসি মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদিকে নেওয়ার সময় নির্ধারিত বেতনসীমা (স্যালারি ক্যাপ) লঙ্ঘন করায় ক্লাবটিকে ২০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছিল। এবার কাসেমিরোর দলবদলকে ঘিরে আবার একই ধরনের প্রশাসনিক জটিলতায় পড়ল ফ্লোরিডার ক্লাবটি।

স্পেন-আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবি






