যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালো ইউক্রেন
যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালো ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে ইউক্রেন।


রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই দেশের অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন।

এই সহায়তা ও দক্ষতার বিনিময়ে ইউক্রেন বিভিন্ন সুবিধা পাবে। কিছু ক্ষেত্রে আমরা আমাদের জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষার জন্য ইন্টারসেপ্টর পাচ্ছি, আবার কোথাও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছি।

অর্থোডক্স ইস্টার উপলক্ষে ৩২ ঘণ্টার সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তার দেশও এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্প্রতি নিহত সেনাদের মরদেহ বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রক্রিয়ায় ইউক্রেনকে তাদের এক হাজার নিহত সেনার মরদেহ ফেরত দিয়েছে রাশিয়া। বিপরীতে ইউক্রেনও ৪১ জনের বেশি রুশ সেনার মরদেহ রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে ইউক্রেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের বিমান হামলা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ইরানে স্থল অভিযানের জন্য চাপ প্রয়োগ করছে।

আমরা যৌথভাবে কাজ করতে প্রস্তুত, যা কৌশলগতভাবে আমাদের জনগণ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা জোরদার করবে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চায় ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘দীর্ঘ যুদ্ধ’ চলুক। জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি ইউক্রেনকে

রবিবার গোপনে দেশত্যাগ করার সময় ‘মিডাস’ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো এই প্রতিষ্ঠানটি ‘ওয়াটারগেট’ কেলেঙ্কারি মতো গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিল। বিদেশি ব্যুরোগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত পত্রিকাটির বৈশ্বিক অবস্থানকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মিরোৎভোরেৎস নিজেকে স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাবি করলেও ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল

ইউক্রেনে ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর এই প্রথম এক টেবিলে বসল ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠককে আলোচনার ধরন বদলালেও মূল মতপার্থক্যের জায়গাগুলোতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন এবং তাকে ব্যক্তিগত বার্তা পাঠাচ্ছেন।

সেনাদের মনোবল ভেঙে পড়া এবং উচ্চহারে দলত্যাগের গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। তবে ফেদোরভের মন্তব্যটিই প্রথম, যেখানে কোনো ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা এই সমস্যার প্রকৃত মাত্রা প্রকাশ করলেন।
