বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্পের

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক

জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হতে পারে। তবে এখনই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না, বরং এটি বর্তমানে জনমত যাচাই ও চূড়ান্ত পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
ইউএসটিআর জানিয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ধারা ৩০১-এর আওতায় কয়েক মাস আগে শুরু হওয়া এক বিশেষ তদন্তের ভিত্তিতেই এ নতুন শুল্ক প্রস্তাব আনা হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় মার্কিন বাজারে অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য বড় বাধা।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, মেক্সিকো, যুক্তরাজ্য ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর পণ্যে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ আরও অন্তত ৪৫টি দেশের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। ফলে প্রস্তাবটি পাস হলে মার্কিন বাজারে ভারতের রপ্তানি পণ্যে বাংলাদেশের তুলনায় বেশি শুল্ক গুণতে হবে।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি শুল্ক বাতিল করে দিয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের সেই আইনি সীমাবদ্ধতা এড়াতে এবং নতুন আইনি ভিত্তি শক্ত করতেই প্রশাসন শুল্ক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। এই শুল্ক শেষ পর্যন্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য রপ্তানির খরচ অনেক বেড়ে যাবে, যা বাংলাদেশসহ মার্কিন-নির্ভর বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য একটি নতুন বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হতে পারে। তবে এখনই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না, বরং এটি বর্তমানে জনমত যাচাই ও চূড়ান্ত পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
ইউএসটিআর জানিয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ধারা ৩০১-এর আওতায় কয়েক মাস আগে শুরু হওয়া এক বিশেষ তদন্তের ভিত্তিতেই এ নতুন শুল্ক প্রস্তাব আনা হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় মার্কিন বাজারে অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য বড় বাধা।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, মেক্সিকো, যুক্তরাজ্য ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর পণ্যে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ আরও অন্তত ৪৫টি দেশের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। ফলে প্রস্তাবটি পাস হলে মার্কিন বাজারে ভারতের রপ্তানি পণ্যে বাংলাদেশের তুলনায় বেশি শুল্ক গুণতে হবে।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি শুল্ক বাতিল করে দিয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের সেই আইনি সীমাবদ্ধতা এড়াতে এবং নতুন আইনি ভিত্তি শক্ত করতেই প্রশাসন শুল্ক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। এই শুল্ক শেষ পর্যন্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য রপ্তানির খরচ অনেক বেড়ে যাবে, যা বাংলাদেশসহ মার্কিন-নির্ভর বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য একটি নতুন বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক

জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হতে পারে। তবে এখনই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না, বরং এটি বর্তমানে জনমত যাচাই ও চূড়ান্ত পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
ইউএসটিআর জানিয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ধারা ৩০১-এর আওতায় কয়েক মাস আগে শুরু হওয়া এক বিশেষ তদন্তের ভিত্তিতেই এ নতুন শুল্ক প্রস্তাব আনা হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় মার্কিন বাজারে অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য বড় বাধা।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, মেক্সিকো, যুক্তরাজ্য ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর পণ্যে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ আরও অন্তত ৪৫টি দেশের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। ফলে প্রস্তাবটি পাস হলে মার্কিন বাজারে ভারতের রপ্তানি পণ্যে বাংলাদেশের তুলনায় বেশি শুল্ক গুণতে হবে।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি শুল্ক বাতিল করে দিয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের সেই আইনি সীমাবদ্ধতা এড়াতে এবং নতুন আইনি ভিত্তি শক্ত করতেই প্রশাসন শুল্ক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। এই শুল্ক শেষ পর্যন্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য রপ্তানির খরচ অনেক বেড়ে যাবে, যা বাংলাদেশসহ মার্কিন-নির্ভর বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য একটি নতুন বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না


