বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা
সিটিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে মানবপাচারের অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড’। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের যুক্তরাজ্যে থাকা সব সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ‘গ্লোবাল ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড ট্রাফিকিং ইন পারসনস’ আইনের আওতায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিদেশে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের রাশিয়ায় পাঠানোর সঙ্গে জড়িত ছিল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের ভয়াবহ শোষণের মুখে ফেলা হতো। অনেককে রাশিয়ার হয়ে জোরপূর্বক ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করা হতো। প্রতিষ্ঠানটি মূলত অনলাইন ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং, ভিসা সহায়তা ও ট্যুর প্যাকেজ সেবা দিয়ে থাকে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তদন্তে উঠে এসেছে ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস’ রাশিয়ার সেবা খাতে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে লোক নিয়োগ করলেও বাস্তবে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হতো। যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানালে নির্যাতনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত বছর এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চক্রের মূল হোতা আলমগীর ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অংশীদার তামান্নাকে নেপাল পালিয়ে যাওয়ার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রটি মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের রাশিয়ায় নিয়ে যেতো। সেখানে যাওয়ার পর জোরপূর্বক সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে পাঠানো হতো। যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর নির্যাতন করা হতো। তবে নির্যাতনের মুখে কেউ কেউ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে পালিয়েও আসেন।
যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে থাইল্যান্ড, চীনসহ বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত। এদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার ‘ভিটি-৪০’ অ্যাটাক ড্রোন প্রস্তুতকারী কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী পাভেল নিকিতিনও।
যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞাবিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে নিতে অসহায় মানুষদের শোষণ করা অত্যন্ত বর্বরোচিত।
মানবপাচারকারী ও অবৈধ অস্ত্র সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের চিহ্নিত করে তাদের কার্যক্রম ব্যাহত করাই এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে মানবপাচারের অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড’। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের যুক্তরাজ্যে থাকা সব সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ‘গ্লোবাল ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড ট্রাফিকিং ইন পারসনস’ আইনের আওতায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিদেশে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের রাশিয়ায় পাঠানোর সঙ্গে জড়িত ছিল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের ভয়াবহ শোষণের মুখে ফেলা হতো। অনেককে রাশিয়ার হয়ে জোরপূর্বক ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করা হতো। প্রতিষ্ঠানটি মূলত অনলাইন ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং, ভিসা সহায়তা ও ট্যুর প্যাকেজ সেবা দিয়ে থাকে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তদন্তে উঠে এসেছে ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস’ রাশিয়ার সেবা খাতে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে লোক নিয়োগ করলেও বাস্তবে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হতো। যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানালে নির্যাতনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত বছর এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চক্রের মূল হোতা আলমগীর ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অংশীদার তামান্নাকে নেপাল পালিয়ে যাওয়ার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রটি মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের রাশিয়ায় নিয়ে যেতো। সেখানে যাওয়ার পর জোরপূর্বক সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে পাঠানো হতো। যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর নির্যাতন করা হতো। তবে নির্যাতনের মুখে কেউ কেউ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে পালিয়েও আসেন।
যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে থাইল্যান্ড, চীনসহ বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত। এদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার ‘ভিটি-৪০’ অ্যাটাক ড্রোন প্রস্তুতকারী কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী পাভেল নিকিতিনও।
যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞাবিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে নিতে অসহায় মানুষদের শোষণ করা অত্যন্ত বর্বরোচিত।
মানবপাচারকারী ও অবৈধ অস্ত্র সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের চিহ্নিত করে তাদের কার্যক্রম ব্যাহত করাই এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা
সিটিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে মানবপাচারের অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড’। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের যুক্তরাজ্যে থাকা সব সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ‘গ্লোবাল ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড ট্রাফিকিং ইন পারসনস’ আইনের আওতায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিদেশে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের রাশিয়ায় পাঠানোর সঙ্গে জড়িত ছিল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের ভয়াবহ শোষণের মুখে ফেলা হতো। অনেককে রাশিয়ার হয়ে জোরপূর্বক ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করা হতো। প্রতিষ্ঠানটি মূলত অনলাইন ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং, ভিসা সহায়তা ও ট্যুর প্যাকেজ সেবা দিয়ে থাকে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তদন্তে উঠে এসেছে ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস’ রাশিয়ার সেবা খাতে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে লোক নিয়োগ করলেও বাস্তবে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হতো। যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানালে নির্যাতনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত বছর এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চক্রের মূল হোতা আলমগীর ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অংশীদার তামান্নাকে নেপাল পালিয়ে যাওয়ার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রটি মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের রাশিয়ায় নিয়ে যেতো। সেখানে যাওয়ার পর জোরপূর্বক সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে পাঠানো হতো। যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর নির্যাতন করা হতো। তবে নির্যাতনের মুখে কেউ কেউ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে পালিয়েও আসেন।
যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে থাইল্যান্ড, চীনসহ বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত। এদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার ‘ভিটি-৪০’ অ্যাটাক ড্রোন প্রস্তুতকারী কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী পাভেল নিকিতিনও।
যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞাবিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে নিতে অসহায় মানুষদের শোষণ করা অত্যন্ত বর্বরোচিত।
মানবপাচারকারী ও অবৈধ অস্ত্র সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের চিহ্নিত করে তাদের কার্যক্রম ব্যাহত করাই এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

৩৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের


